হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবন পর্যবেক্ষণসহ বন্দরের জেটি ও প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করবেন তিনি।


হেলিকপ্টার থেকে হিরণ পয়েন্ট ও সুন্দরবন পর্যবেক্ষণসহ বন্দরের জেটি ও প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোন পরিদর্শন করবেন তিনি।
একদিকে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন, অন্যদিকে মোংলা বন্দরের বাণিজ্যিক কার্যক্রম। এর সঙ্গে অর্থনৈতিক অঞ্চল ঘিরে বিনিয়োগের সুযোগ। বিনিয়োগ আর অর্থনৈতিক অপার সম্ভাবনা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলজুড়ে।
এ দিকে প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ঘিরে নলিয়ানে চলছে প্রস্তুতি, উচ্ছ্বসিত নেতাকর্মীরাও।
নলিয়ান থেকে নৌপথে মোংলা বন্দরে পৌঁছে নির্ধারিত সভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বন্দরের জেটি পরিদর্শন করবেন তিনি। বন্দরের কার্যক্রমের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর সফরে গুরুত্ব পাচ্ছে প্রস্তাবিত বেজা ইকোনমিক জোন। বন্দর ব্যবহার বাড়ানোর সঙ্গে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও গুরুত্ব পাচ্ছে সফরে।
এ দিকে দুই সপ্তাহ পর, আগামী ৫ নভেম্বর ফের খুলনায় আসার কথা রয়েছে প্রধামন্ত্রীর। ওই দিন জেলা স্টেডিয়ামে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসর উদ্বোধন করবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সুন্দরবন পর্যবেক্ষণ, বন্দর ও প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শন, এক সফরে যুক্ত হচ্ছে এই অঞ্চলের প্রকৃতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ তিন ক্ষেত্র। নির্বাচনের পরে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর খুলনা ও মোংলা সফর এই অঞ্চলে বিনিয়োগ ও অর্থনীতিতে নতুন দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা সংশ্লিষ্টদের।