বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে হামলার সম্ভাব্য হুমকির ভিত্তি নেই : র‍্যাব কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ প্রকল্পের গাছ না কাটার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশে নতুন নিয়ম সংসদে দুর্নীতির অভিযোগের প্রমাণ চাইলেন নাহিদ রূপপুরে জ্বালানি লোডিং শুরু’ পারমানবিক শক্তি ব্যবহারকারীর আন্তর্জাতিক তালিকায় বাংলাদেশ ইরান হরমুজ খুলে দিতে অনুরোধ করেছে, দাবি ট্রাম্পের মূল বেতনের সমপরিমাণ উৎসাহ ভাতা পাওয়ার সুযোগ ব্যাংকারদের নিউমার্কেট এলাকায় গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত পাচারকালে ট্রাকসহ ৪২২ বস্তা সরকারি চাল জব্দ মমতাকে জেতাতে ‘নকল আঙুল’ কিনেছে তৃণমূল, অভিযোগ শুভেন্দুর

গিবত ও গঠনমূলক সমালোচনা

এনবিডি নিউজ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১৫২ বার

বিভিন্ন সময় আমরা কথা বলার ক্ষেত্রে এমন কিছু কথা বলে ফেলি যেগুলো গিবতের সংজ্ঞায় পড়ে যায়। কথা বলতে বলতে প্রায়ই আমরা নিজেদের অজান্তেই শয়তানের প্ররোচনায় অন্যের দোষ-ত্রুটি বলে ফেলি।

স্বাভাবিকভাবে দৃষ্টিপাত করলে এসব কথাকে নিজের কাছে গিবত বলে মনে হবে না। মনে হবে আমরা তার গঠনমূলক সমালোচনা করছি। অথবা মনে হবে তার মধ্যে এই সমস্যাটি রয়েছে। আমরা তার সংশোধনের উদ্দেশ্যে বলছি।
কিন্তু একটু গভীরভাবে চিন্তা করলে দেখা যায়; ইসলাম মৌলিকভাবে এসব কথাকে গর্হিত কথা বলে গণ্য করেছে। গিবতের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, ‘তোমরা কি জানো গিবত কাকে বলে?’ সাহাবিরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সা: ভালো জানেন। তিনি বলেন, ‘তোমার কোনো ভাই সম্পর্কে এমন কথা বলা, যা সে অপছন্দ করে, সেটিই গিবত। সাহাবিরা আবার প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল, আমি যে দোষের কথা বলি, সেটি যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে, তাহলেও কি গিবত হবে?
উত্তরে রাসূল সা: বলেন, ‘তুমি যে দোষের কথা বলো, তা যদি তোমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে তবে তুমি অবশ্যই গিবত করলে আর তুমি যা বলছ। তা যদি তার মধ্যে না থাকে, তবে তুমি তার ওপর তুহমত ও বুহতান তথা মিথ্যা অপবাদ আরোপ করেছ।’

যদি কেউ কারো ওপর মিথ্যা অপবাদ আরোপ করে। ইসলাম অনুযায়ী তাকে ৮০ দোররা (চাবুক) দেয়া হবে। এরা ফাসিক, পাপী, অপরাধী। এদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়। রাসূলের এ হাদিসে স্পষ্ট যে, কারো অগোচরে তার সম্পর্কে নেতিবাচক কথা বলা মানেই গিবত। সেটি হোক তার গঠনমূলক সমালোচনা কিংবা সংশোধনের উদ্দেশ্যে। গিবত থেকে বেঁচে থাকতে কুরআনে আল্লাহ তায়ালা মু’মিনদেরকে সতর্ক করে বলেন, ‘… তোমরা কারো গোপন ত্রুটির অনুসন্ধানে পড়বে না এবং তোমরা একে অন্যের গিবত করবে না। তোমাদের মধ্যে কেউ কি তার মৃত ভাইয়ের মাংস খেতে পছন্দ করবে? এটিকে তো তোমরা ঘৃণা করে থাকো। তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাওবাহ কবুলকারী, পরম দয়ালু।’ (সূরা হুজুরাত-১২)

সুতরাং আমরা কথা বলার সময় খুব সতর্কতার সাথে কথা বলব, যেন আমরা নিজেদের ইচ্ছায় কিংবা অনিচ্ছায় অন্যের দোষ বলে না ফেলি।

লেখক :

  • নয়ন করিম

শিক্ষার্থী, ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com