

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসি ফোরামের (এসপিএফ) গবেষণায় দেখা গেছে, নেটিজেনদের ৮০.৩২% সাক্ষাৎকারটিকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন।
এসপিএফের শনিবার (১৮ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনলাইন পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সাক্ষাৎকারটি প্রকাশের পর মানুষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। শুধু মন্তব্যই নয়, সার্চ ইন্টারেস্টও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
গবেষণার তথ্যে দেখা গেছে, সাক্ষাৎকারের পর ‘বাংলাদেশ’, ‘তারেক রহমান’, ‘জনতার নেতা’, ‘দেশের ভবিষ্যৎ’-এই ধরনের কীওয়ার্ডের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি বেড়েছে। মিডিয়া বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ বিষয়ে ১৯৮টি সংবাদ প্রতিবেদন এবং ৪৯৩টি ভিডিও প্রতিবেদন অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে। ইউটিউব, ফেসবুক, এক্স (টুইটার) ও সংবাদপোর্টালগুলোতে এটি ব্যাপক আলোচিত হয়েছে।
এসপিএফের পরিচালক (প্রশাসন) ইঞ্জিনিয়ার আসিফ হোসাইন রচি বলেন, তারেক রহমানের বক্তব্য জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক নতুন আস্থা সৃষ্টি করেছে। শুধু আগ্রহ নয়, মানুষ তার বক্তব্য থেকে ভবিষ্যতের রাজনীতির সম্ভাব্য রূপরেখা দেখছে।
অন্যদিকে পরিচালক (গণসংযোগ) মাহবুব নাহিদ বলেন, বিবিসি সাক্ষাৎকারে তারেক রহমানের রাষ্ট্রচিন্তার সংযত ও দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিফলিত হয়েছে। নেটিজেনদের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া প্রমাণ করছে যে বাংলাদেশের মানুষ এখনো নেতৃত্বে বিশ্বাস রাখতে চায় এবং আশার রাজনীতি খোঁজে।
গবেষণায় দেখা গেছে, সাক্ষাৎকার প্রকাশের পর গুগলে ‘Tarique Rahman’ অনুসন্ধান আগের তুলনায় কয়েকগুণ বেড়েছে যা ৬ অক্টোবরে সর্বোচ্চে পৌঁছায়।