বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন

অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের নতুন নির্দেশনা

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৯ বার

অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ব্যবহার এবং এর অনিয়ন্ত্রিত বিক্রয় বন্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর (ডিজিডিএ)।

gnewsদৈনিক ইত্তেফাকের সর্বশেষ খবর পেতে Google News অনুসরণ করুন
সম্প্রতি জারি করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে ফার্মেসির মালিক, ফার্মাসিস্ট এবং সাধারণ জনসাধারণ–সবার জন্য বিস্তারিত ও বাধ্যতামূলক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

নতুন এই নির্দেশনায় প্রধানত চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র (প্রেসক্রিপশন) ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি বা বিতরণ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ফার্মেসি ও বিক্রেতাদের জন্য কঠোর নির্দেশাবলি:

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ‘ঔষধ ও কসমেটিকস আইন, ২০২৩’-এর ৪০(ঘ) ধারা অনুসারে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে:

প্রেসক্রিপশন ছাড়া বিক্রি নিষিদ্ধ: রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া কোনোভাবেই অ্যান্টিবায়োটিক বা প্রেসক্রিপশনভুক্ত অন্য ওষুধ বিক্রয় বা বিতরণ করা যাবে না। শুধু ওভার দ্য কাউন্টার শ্রেণির ওষুধ বিক্রির অনুমতি রয়েছে।

ক্রয়-বিক্রয়ের রেকর্ড সংরক্ষণ: অ্যান্টিবায়োটিক-জাতীয় ওষুধ ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্যাদি অবশ্যই রেজিস্টারে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে।

ক্যাশমেমো বাধ্যতামূলক: অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রির সময় স্পষ্ট স্বাক্ষর ও তারিখসহ ক্যাশমেমো প্রদান বাধ্যতামূলক।

পূর্ণ কোর্স সেবনের পরামর্শ: ফার্মাসিস্টদের অবশ্যই রোগীকে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী পূর্ণ কোর্স অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের বিষয়ে পরামর্শ দিতে হবে।

সংরক্ষণ ও মোড়ক: সব ওষুধ নির্ধারিত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করতে হবে। রেড লেবেল সংবলিত মোড়ক ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বেচাকেনা থেকে বিরত থাকতে হবে।

আইনানুগ ব্যবস্থা: নির্দেশনা অমান্য করে প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রয় বা বিতরণে, কিংবা বেচাকেনার তথ্য সংবলিত রেজিস্টার সংরক্ষণ না করলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সাধারণ জনগণের জন্য সচেতনতামূলক পরামর্শ:

অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের মতো মারাত্মক জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে জনসাধারণের প্রতিও নির্দেশনা জারি করা হয়েছে:

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ক্রয় নয়: রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক কেনা, সেবন বা ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে।

মেয়াদ ও ক্যাশমেমো: ওষুধ কেনার সময় অবশ্যই মেয়াদ দেখে নিতে হবে এবং বিক্রেতার স্পষ্ট স্বাক্ষর ও তারিখসহ ক্যাশমেমো সংগ্রহ করতে হবে।

সম্পূর্ণ কোর্স সেবন: সুস্থতা অনুভব করলেও চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পূর্ণ কোর্স অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে। পূর্ণ কোর্স সেবন না করলে জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী হয়ে উঠতে পারে, যা জীবন ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।

নষ্ট ওষুধ ফেরত দিন: মেয়াদোত্তীর্ণ বা নষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক মাটি, পানি বা আবর্জনার সঙ্গে না ফেলে নিকটস্থ ফার্মেসিতে ফেরত দিতে পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com