

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ছয়টি আসনে ২০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। মোট কাস্টিং ভোটের (প্রদত্ত ভোট) আট ভাগের এক ভাগ না পাওয়ায় তারা জামানত হারিয়েছেন।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়। এর আগে বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী): এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭১৬। জামানত হারালেন ৪ জন। তারা হলেন- স্বতন্ত্র প্রার্থী ইয়ামিন এইচ এম ফারদিন (ট্রাক) ৮৬০ ভোট, জাতীয় পার্টির (লাঙ্গল) সাবেক এমপি গোলাম কিবরিয়া টিপু ১৪ হাজার ১৮৪ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম (হাতপাখা) ১৬ হাজার ৩২৫ ভোট এবং আজমুল হাসান জিহাদ (মই) ২১৪ ভোট।
বরিশাল-৪ (হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ): এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৪৫ হাজার ৪। জামানত হারালেন ২ জন। তারা হলেন- মুক্তিজোটের আব্দুল জলিল (ছড়ি) ৪১৩ ভোট এবং জাসদের আব্দুস সালাম খোকন (মোটরগাড়ি) ৩৩৪ ভোট।
বরিশাল-৫ (মহানগর-সদর): এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৭০। জামানত হারালেন ৩ জন। তারা হলেন- জাতীয় পার্টির আখতার রহমান (লাঙ্গল) ৯০৯ ভোট, এনপিপির আব্দুল হান্নান সিকদার (আম) ৪৯৪ ভোট এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থী (কাঁচি) ৩০০ ভোট।
বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ): এ আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ১ লাখ ৭১ হাজার ১৩৮। জামানত হারালেন ৩ জন। তারা হলেন- বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আব্দুল কুদ্দুস (হারিকেন) ২৪৪ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম খান (ফুটবল) ৩৬৬ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. সালাউদ্দিন মিয়া (ট্রাক) ১৩৯ ভোট।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খায়রুল আলম বলেন, নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসেবে যাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।