

জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার বক্তব্য শেষ হতেই ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (০২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদেনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প জাতির উদ্দেশে ভাষণ শেষ করার কিছুক্ষণ পরই ইসরায়েলের দিকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইরান। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরান থেকে ছোড়া একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে। হুমকি মোকাবিলায় দেশটির প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
সামরিক বাহিনীর এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে বলা হয়, হুমকি প্রতিহত করতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেন, এই যুদ্ধে ইরানের নৌ ও বিমান শক্তি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং দেশটির অনেক শীর্ষ নেতা নিহত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করেন ট্রাম্প। বিশেষ করে ইসরায়েল এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা ‘অসাধারণ কাজ’ করেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র তাদের ব্যর্থ হতে দেবে না।
ট্রাম্প বলেন, ইরান বিভিন্ন দেশের ওপর হামলা চালিয়েছে, যা প্রমাণ করে তাদের কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
এ সময় তিনি ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে দ্রুত আটক করতে পারায় মার্কিন সেনাদের ধন্যবাদ জানান এবং দাবি করেন, এতে বিশ্বজুড়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এসেছে। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার সম্পর্ক এখন উন্নতির দিকে।
ভাষণে ট্রাম্প উল্লেখ করেন, তার প্রথম মেয়াদে ইরানের শীর্ষ সামরিক কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে হত্যার অভিযানে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সোলাইমানিকে তিনি ‘বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইরান যুদ্ধকে যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় বলে দাবি করে ট্রাম্প বলেন, এই পদক্ষেপ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ‘সফল বিনিয়োগ’। তিনি আরও বলেন, এখন মার্কিন নাগরিকরা আর ইরানের হামলার হুমকি বা পারমাণবিক আতঙ্কে নেই।