

মধ্যপ্রাচ্যে সেনাদের উপস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘বাস্তব ও কার্যকর’ কোনো চুক্তি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ভেতরে ও আশপাশে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বজায় থাকবে।
বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানে হয়েছে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, এতে ‘মার্কিন জাহাজ, বিমান ও সেনাসদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত গোলাবারুদ ও অস্ত্র’ মোতায়েন থাকবে। এগুলো প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালাতে ব্যবহৃত হবে।
তিনি বলেন, চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার সম্ভাবনা ‘খুবই কম’। তবে যদি কোনো কারণে তা ব্যর্থ হয়, তাহলে আবার গুলি শুরু হবে। এটি হবে আগের চেয়ে বড়, শক্তিশালী এবং আরও ভয়াবহভাবে।
এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সাম্প্রতিক চুক্তি যুদ্ধের সমাপ্তি নয়; বরং এটি ভবিষ্যৎ পদক্ষেপের প্রস্তুতির অংশ মাত্র। চুক্তি ঘোষণার পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, ইসরায়েল বড় ধরনের সাফল্য অর্জন করেছে এবং বর্তমানে ইরান আগের চেয়ে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। আর ইরানের দুর্বলতা থেকে ইসরায়েলের শক্তি এসেছে।
নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কার্যক্রমে বড় ধাক্কা দিয়েছে এবং বিভিন্ন পারমাণবিক স্থাপনা ও কারখানায় হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি, দেশটির আর্থিক নেটওয়ার্ক, ইস্পাত ও অস্ত্র কারখানাও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এসব সামরিক অভিযানে ইরানের নৌ ও বিমান সক্ষমতার কিছু অংশ ধ্বংস করা হয়েছে এবং হিজবুল্লাহর ওপরও বড় আঘাত হানা হয়েছে।