শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

দুই দেশের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, অংশীদার হওয়া উচিত: শি জিনপিং

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬
  • ৫৩ বার

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ক্রমবর্ধমান অস্থিরতা ও বৈশ্বিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানী বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেছেন, দুই দেশের উচিত প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অংশীদার হওয়া।

বৃহস্পতিবার বার্তাসংস্থা বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

শি জিনপিং তার বক্তব্যের শুরুতে বলেন, `আমাদের এই বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব। শতাব্দীতে দেখা যায়নি এমন পরিবর্তন নিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলেছে বর্তমান পৃথিবী। ফলে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি আরও অস্থির ও জটিল হয়ে উঠেছে।‘

বিশ্ব এখন এক নতুন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে উল্লেখ করে তিনি প্রশ্ন তোলেন, `চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি “থুসিডাইডিসের ফাঁদ” এড়িয়ে একটি নতুন সম্পর্কের দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারবে? আমরা কি একসঙ্গে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে বিশ্বকে আরও স্থিতিশীল করতে পারবো?‘

তিনি আরও বলেন, `এই প্রশ্নগুলো শুধু ইতিহাস বা বিশ্বের জন্য নয়, বরং দুই দেশের জনগণ ও মানবজাতির ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রধান শক্তিধর দেশের নেতা হিসেবে আপনাকে ও আমাকে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে।‘

এ সময় শি তার বক্তব্যে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেশটির জনগণ ও নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানান।

তিনি বলেন, `আমি সবসময় বিশ্বাস করি যে আমাদের দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্যের চেয়ে অভিন্ন স্বার্থ বেশি। এক দেশের সাফল্য অন্য দেশের জন্যও সুযোগ সৃষ্টি করে এবং স্থিতিশীল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুরো বিশ্বের জন্য কল্যাণকর।‘

প্রেসিডেন্ট শি আরও বলেন, `পারস্পরিক সহযোগিতা থেকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়েই লাভবান হতে পারে, আর সংঘাত হলে উভয়েরই ক্ষতি হবে। সেজন্য আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং অংশীদার হওয়া উচিত।‘

বক্তব্যে ভবিষ্যতের দিকে ইঙ্গিত করে শি বলেন, তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে এবং চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে সঠিক পথে পরিচালনায় একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, ২০২৬ সাল দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হয়ে উঠবে এবং নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com