মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন

হরমুজ নিয়ে বৈঠক স্থগিত

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার

হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইরান ও উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (জিসিসি)ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুথিদের দ্রুত অগ্রযাত্রা, সৌদি আরবের তেল অবকাঠামোয় হামলা এবং রিয়াদের সঙ্গে তেহরানের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে বৈঠকটি স্থগিত হয়েছে। সৌদি আরবই বৈঠকটি পেছানোর অনুরোধ জানিয়েছে বলে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

ওমানের সালালাহে সোমবার বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল। বৈঠকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুললে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী নতুন পথ নিয়ে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। তবে আরব দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্যের অভাব এবং ইয়েমেনে হুথিদের অগ্রযাত্রায় সৌদি আরবের ক্ষোভের কারণে শেষ মুহূর্তে বৈঠকটি স্থগিত করা হয়। ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যিদ বদর আলবুসাইদি বলেন, ঐকমত্যের স্বার্থে বৈঠকটি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি সামাজিক মাধ্যম এক্সে বলেন, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘস্থায়ী সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সংলাপ অব্যাহত রাখার বিষয়ে ওমান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ওমানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, গঠনমূলক সংলাপের উপযোগী পরিবেশ তৈরির জন্য বৈঠকটি পরবর্তী তারিখে নেওয়া হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইয়েমেনে চলমান ঘটনাবলির কারণে বৈঠকটি বাতিল হয়েছে। তার ভাষ্য, ইরান ও ওমান হরমুজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে একটি দায়িত্বশীল পদ্ধতিতে পৌঁছানোর জন্য যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। বৈঠকটি হলে নতুন নীতি নিয়ে আলোচনার সুযোগ তৈরি হতো। তবে কোনো বাইরের শক্তির চাপ বা নির্দেশ ইরান মেনে নেবে না বলেও তিনি জানান।

বাহরাইন জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে কোনো ফি বা অনুমতির বাধা থাকা উচিত নয়। দেশটি বলেছে, প্রণালিতে নৌ চলাচলসংক্রান্ত যে কোনো ব্যবস্থায় জিসিসির সব সদস্যকে যুক্ত করতে হবে। এ ধরনের ব্যবস্থা ১৯৮২ সালের জাতিসংঘ সমুদ্র আইন সনদের ভিত্তিতে এবং আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার অনুমোদন নিয়ে হতে হবে। বাহরাইন একই সঙ্গে সৌদি আরবকে লক্ষ্য করে হুথিদের হামলার নিন্দা করেছে এবং ইরান আয়োজিত বৈঠকে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

হরমুজ নিয়ে প্রস্তাবিত বৈঠকটি দুই বছরের মধ্যে ইরান ও প্রধান জিসিসি দেশগুলোর মধ্যে প্রথম বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। প্রস্তাবিত অস্থায়ী নৌপথটি পুরোপুরি ইরানের জলসীমার মধ্য দিয়ে যাওয়ার কথা থাকায় এর মাধ্যমে প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ আনুষ্ঠানিক রূপ পেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট আলোচনায় উঠে এসেছে।

তবে বৈঠক হলেও হরমুজ প্রণালি তাৎক্ষণিকভাবে খুলে যাওয়ার কথা ছিল না। তেহরান প্রণালি পুনরায় খোলার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের তেলবন্দর অবরোধ তুলে নিতে, ইরানের বিপুল পরিমাণ জব্দ সম্পদ ফেরত দিতে এবং লেবাননে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠাসহ কয়েকটি শর্ত দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবিত চুক্তি নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো অবস্থান জানায়নি। তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে হরমুজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে দাবি করেছেন। জাহাজ চলাচলকারী কোম্পানিগুলোর দেওয়া তথ্যের সঙ্গে তার এ দাবির মিল নেই।

হরমুজ নিয়ে কূটনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যেই ইয়েমেনে সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে লড়াই তীব্র হয়েছে। সৌদি সমর্থিত ইয়েমেন সরকার হুথিদের দখলে যাওয়া পশ্চিম উপকূলের গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী আল-মোখা পুনর্দখলের চেষ্টা করছে। হুথিরা গত সপ্তাহে হোদেইদা বন্দর থেকে পশ্চিম উপকূল ধরে দ্রুত অগ্রসর হয়ে আল-মোখা এবং বাব আল-মান্দাব প্রণালির ভেতরের কৌশলগত মায়ুন দ্বীপ দখল করে।

এর পর সোমবার হুথিরা দক্ষিণ লোহিত সাগরের আরও দুটি কৌশলগত দ্বীপ— গ্রেটার হানিশ ও লেসার হানিশ দখল করেছে বলে ইয়েমেনি সরকারি কর্মকর্তা ও হুথি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। দ্বীপ দুটি বাব আল-মান্দাব থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তরে। কয়েক শ সরকারি বাহিনীর মিত্রসেনা দ্বীপপুঞ্জ থেকে সরে যাওয়ার পর সেখানে হুথিরা যোদ্ধা মোতায়েন করে।

এর ফলে লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দাবের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হয়েছে। বাব আল-মান্দাব লোহিত সাগরকে এশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করেছে এবং কৌশলগত গুরুত্বের দিক থেকে হরমুজ প্রণালির পর গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হিসেবে বিবেচিত।

হুথিরা বলেছে, তারা লোহিত সাগরে সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে চায় না; তাদের লক্ষ্য মূলত সৌদিসংশ্লিষ্ট জাহাজ। একই সঙ্গে পশ্চিম উপকূলে তাদের নিয়ন্ত্রিত বন্দরগুলোতে কম ফি নেওয়ার প্রস্তাব দিয়ে দক্ষিণে এডেনভিত্তিক সরকারের নিয়ন্ত্রিত বন্দর থেকে জাহাজের যাতায়াত নিজেদের বন্দরের দিকে টানার চেষ্টা করছে তারা।

ইরান দীর্ঘদিন ধরে হুথিদের সমর্থন দিয়ে আসছে। তবে হুথিরা তেহরানের নির্দেশে সরাসরি পরিচালিত হয় না এবং নিজেদের স্বাধীন কর্মকৌশলও রয়েছে। তাদের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য ইয়েমেন থেকে সৌদি আরবকে সরিয়ে দিয়ে দেশটির পুরো ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া বলে সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইয়েমেনে সৌদি সমর্থিত সরকারকে সহায়তা করতে সৌদি আরব বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক পাঁচ দিনে ইয়েমেনের বিভিন্ন প্রদেশে ৩০০টির বেশি সৌদি বিমান হামলা হয়েছে বলে হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি দাবি করেছেন। তার ভাষ্য, কেমিস মুশাইত ও তাইফ ঘাঁটি থেকে এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান দিয়ে এসব হামলা চালানো হয়েছে।

সৌদি বিমান হামলার পাশাপাশি সরকারি বাহিনী বিভিন্ন ফ্রন্টে স্থল অভিযান চালাচ্ছে। তারা হুথিদের দখল করা এলাকা পুনর্দখলের চেষ্টা করছে এবং আল-মোখা পুনরুদ্ধারে অভিযান জোরদার করেছে।

ইউরোপিয়ান ইনস্টিটিউট অব পিসের ইয়েমেনবিষয়ক জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিশাম আল-ওমেইসি বলেছেন, কোনো পক্ষই পিছু হটছে না। ইয়েমেন সরকার হারানো অঞ্চল পুনর্দখলের চেষ্টা করবে এবং হুথিরাও একাধিক এলাকায় অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করছে। তার মতে, সংঘাত আরও রক্তক্ষয়ী হতে পারে। তিনি বলেন, ১২ বছর ধরে চলা এই সংঘাতের সামরিক সমাধান সম্ভব হয়নি; শেষ পর্যন্ত আলোচনার পথেই যেতে হবে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ৬ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ইয়েমেনের বিভিন্ন ফ্রন্টের লড়াইয়ে ৫০৪ জন নিহত এবং ২ হাজার ৩৭৯ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে তাইজ, মারিব, আল-জাওফ, লাহজ, হোদেইদা, আবিয়ান ও শাবওয়াসহ বিভিন্ন গভর্নরেটে অন্তত ৭৭ হাজার ৭৮৯ জন বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। মোট হতাহতের ৪৯ শতাংশ মারিবে এবং ৪৩ শতাংশ তাইজ ও পশ্চিম উপকূলের এলাকায় ঘটেছে।

সোমবার সৌদি আরবের সামরিক স্থাপনায় বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করেছে হুথিরা। হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, তারা কেমিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বড় আকারের অভিযান চালিয়েছে।

হুথিরা জানিয়েছে, ইয়েমেনে সৌদি হামলার জবাব হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তারা বলেছে, সৌদি আগ্রাসন ও ইয়েমেনের ওপর অবরোধ অব্যাহত থাকলে সৌদি ভূখণ্ডের গভীরে আরও হামলা চালানো হবে। সৌদি সামরিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তারা ঘোষণা দিয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লেয়েন সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় অংশীদারদের বিরুদ্ধে ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হামলার নিন্দা করেছেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় অংশীদারদের বিরুদ্ধে ইরানের প্রক্সিদের ধারাবাহিক হামলার মুখে ইউরোপ তাদের পাশে রয়েছে।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। প্রাথমিক জাহাজ-ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহান্তে প্রতিদিন এই জলপথ দিয়ে এক অঙ্কের সংখ্যক জাহাজ চলাচল করেছে। ১০ দিনের গড় ছিল দিনে ১৪টি।

ইরানের পারস্য উপসাগর প্রণালি কর্তৃপক্ষ সোমবার হরমুজ দিয়ে চলাচলকারী ৭৭টি জাহাজের নতুন তালিকা প্রকাশ করেছে। এসব জাহাজকে ইরানের ‘প্রটোকল লঙ্ঘনকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এসব জাহাজের চলাচলে বিধিনিষেধ, জরিমানা, আটক বা জাহাজ জব্দ করার ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সঙ্গে সহযোগিতা করা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোও এই তালিকায় যুক্ত হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট জানিয়েছেন, মার্কিন নৌবাহিনীর পাহারায় হরমুজ দিয়ে গোপনে তেল পরিবহনের সাত দিনের চলমান গড় বাড়ছে এবং তা আরও বাড়বে। জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষণ সংস্থার বৈঠকের সময় তিনি বলেন, ১ সেপ্টেম্বর এক দিনে ১ কোটি ৭০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহনের যে হিসাব করা হয়েছিল, একটি জাহাজ বাদ পড়ায় প্রকৃত পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল ছিল।

এদিকে ইরানের পরমাণু সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামীকে সোমবার ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে দেওয়া হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতার কারণে এ সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট বলেন, ইসলামী নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা ব্যক্তি এবং তার নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। তিনি ভিয়েনায় সাংবাদিকদের বলেন, ইসলামী নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন, কিন্তু তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে।

অস্ট্রিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আইএইএর সদর দপ্তর ভিয়েনায় হওয়ায় ইসলামীকে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট কমিটির কাছে আবেদন করেছিল। পরে নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট অস্ট্রিয়াকে জানান, ঐকমত্যের অভাবে আবেদনটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতার কারণে ইসলামীকে অস্ট্রিয়ায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব হয়নি।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘এককেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার’ বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বিভিন্ন দেশ অবস্থান নিচ্ছে। বাঘাইয়ের ভাষ্য, ব্রিকসের দেশগুলো এবং এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের কিছু মিত্রও ওয়াশিংটনের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে।

এদিকে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির আকাশে একটি উন্নত এমকিউ-১ ড্রোন শনাক্ত করে তারা ভূপাতিত করেছে। নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে ড্রোনটি আটকানো হয় বলে আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ জানিয়েছে।

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিগুলোতেও ইরানের হামলা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হরমুজে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়া, সৌদি তেল পাইপলাইন বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং লোহিত সাগরে হুথিদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে চাপ বেড়েছে। সোমবার ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের ফিউচার ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৮২ ডলারে উঠেছে। দিনের একপর্যায়ে তেলের দাম ১০৮ ডলারের ওপরে চলে যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com