শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর মন খারাপ, দাবি নাহিদ ইসলামের গুণীজনদের জীবদ্দশায় সম্মান জানালে সমাজসেবায় উৎসাহ বাড়বে : মৎস্য ও কৃষিমন্ত্রী ‘আদ্-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ছাড়া কারও মধ‍্যে পরিবর্তনের ছাপ নেই : মঞ্জু অলিগার্কদের ধ্বংস করা বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য : মির্জা ফখরুল আসন্ন ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক নিয়ে ইসরায়েল ‘খুবই উদ্বিগ্ন’ ‘নেইমার সার্কাস’ পেছনে ফেলে মরক্কোকে হারাতে কতোটা প্রস্তুত ব্রাজিল? ভারতের নতুন সেনাপ্রধান হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল ধীরাজ শেঠ দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে ফেলে আসা লাগেজ নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তুমুল সংঘর্ষ, আহত ১৫

বৈবাহিক ধর্ষণ অপরাধ বিবেচনা করতে আইনি নোটিশ

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২০
  • ২৯৪ বার

বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইনের সংশোধনী চেয়ে সংশ্লিষ্টদের একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। দেশে আইনের স্বচ্ছতা ও সার্বজনীনতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে আজ রোববার এ নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাহিদ চৌধুরী জনি।

একাত্তর টিভির এক নারী সাংবাদিকের পক্ষে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রচলিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং দণ্ডবিধির কোথাও বৈবাহিক জীবনে স্বামী কর্তৃক ধর্ষিত হলে কোনো আইনি পদক্ষেপ নারীরা নিতে পারেন না। এছাড়া সামাজিক বিবেচনায় ওই নারী কখনো এ বিষয়টি নিয়ে জনসম্মুখে আসতেও পারেন না। অথচ গবেষণায় এসেছে, এ বছর ৬৪ জেলার মধ্যে ২৭ জেলাতেই বৈবাহিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলাদেশ ল কমিশনের চেয়ারম্যান, ন্যাশনাল হিউম্যান রাইটস কমিশন অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান, মহিলা ও শিশু বিষয়ক অধিদফতরের ডিজি এবং সমাজসেবা অধিদফতরের ডিজি বরাবর নোটিশটি পাঠানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, জাতিসংঘ হিউম্যান রাইটস কমিশন ১৯৯৩ সালে বৈবাহিক ধর্ষণ অর্থাৎ ম্যারিটাল রেপকে মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫০টি দেশের বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করে আইন রয়েছে। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীতে এসেও বাংলাদেশে বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে কোনো আইনি পক্রিয়ায় শাস্তির বিধান রাখা হয়নি।

নোটিশে বলা হয়, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী বৈবাহিক সম্পর্ক নেই এমন কোনো ব্যক্তি ধর্ষণ করলে তার শাস্তির বিধান রয়েছে। অথচ পারিবারিক নির্যাতনের মাধ্যমেও যে নারীরা ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন, তাদের জন্য আইনের সুরক্ষা নিশ্চিতে আইন সংশোধন এখন সময়ের দাবি।

নোটিশ পাওয়ার ৭ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। ব্যবস্থা না নিলে প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট করার কথা জানানো হয় নোটিশে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com