শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

১০ লাখ ‘নতুন’ ছায়াপথ

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৯২ বার

শুধু রবীন্দ্রনাথের নয়, কারো চেনাই ‘কোনো কালেই ফুরাবে না’। এই যেমন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা অচেনা আকাশ খুঁজে ফিরছেন, সব সময়। এ রকমই আকাশ-অনুসন্ধানী একদল বিজ্ঞানী দখিনা আকাশে সন্ধান চালিয়ে নতুন ১০ লাখ ছায়াপথের (গ্যালাক্সি) দেখা পেয়েছেন। ‘নতুন’ মানে, এসব ছায়াপথ আগে অনাবিষ্কৃত ছিল।

আমাদের ছায়াপথের নাম আমরা রেখেছি ‘আকাশগঙ্গা’। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার মরুভূমিতে মারচিসন মানমন্দিরের একটি বেতার টেলিস্কোপ আকাশগঙ্গার ‘পেছনে’ থাকা মোট ত্রিশ লাখ ছায়াপথের মানচিত্র তৈরি করেছে। অ্যাসক্যাপ টেলিস্কোপে ধরা পড়া এসব ছায়াপথের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশই ছিল অভূত। গতকাল অ্যাস্ট্রনমিকাল সোসাইটি অব অস্ট্রেলিয়া জার্নালে এ বিষয়ে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ হয়। এর আগের দিন অ্যাসক্যাপের প্রধান বিজ্ঞানী আইদান হোতান দ্য কনভারসেশনে একটি প্রবন্ধে এই অনুসন্ধানের খবর জানান।

অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় বিজ্ঞান সংস্থা সিসাইরো। এই সংস্থার টেলিস্কোপ অ্যাসক্যাপ (অস্ট্রেলিয়ান স্কোয়ার কিলোমিটার অ্যারে পাথফাইন্ডার)। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এই বেতার টেলিস্কোপের এমন আবিষ্কারের মাধ্যমে মহাবিশ্ব সম্পর্কে নতুন অনেক কিছুই জানতে পারবে পৃথিবী।

বেতার জ্যোতির্বিজ্ঞান গবেষণার তুলনামূলক নতুন ক্ষেত্র। ১৯৩০-এর দশকে এ বিজ্ঞানের যাত্রা শুরু। সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের মলংলো স্কাই সার্ভে একটি বেতার টেলিস্কোপ। প্রায় ১০ বছরের অনুসন্ধান শেষে ২০০৬ সালে টেলিস্কোপটি পুরো আকাশের মাত্র ২৫ ভাগ স্ক্যান করতে পেরেছিল। অ্যাসক্যাপ সম্পর্কে আইদান হোতান লিখেছেন, ‘সিসাইরোর জ্যোতির্বিজ্ঞান ও মহাকাশ বিজ্ঞান বিভাগে আমাদের দল ওই রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিয়েছে। মাত্র ১০ দিনে [অ্যাসক্যাপ] আকাশের ৮৩ ভাগ স্ক্যান করে ফেলেছে।’

এই টেলিস্কোপের কল্যাণে মহাবিশ্বের নতুন মানচিত্র তৈরিতে জোড়া দিতে হয়েছে মাত্র ৯০৩টি ছবি। অপরদিকে অন্যান্য সব আকাশ জরিপের ক্ষেত্রে লাখখানেক ছবির প্রয়োজন পড়েছিল।

বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গবেষণা প্রবন্ধের প্রধান লেখক ড. ডেভিড ম্যাককনেল বলেছেন, ‘ভবিষ্যতের অনুসন্ধানে আমরা কোটিখানেক ছায়াপথ শনাক্তের প্রত্যাশা করছি।’

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com