বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তৃতীয় ভাষা শিক্ষায় চীনা ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার হবে: ইউজিসি চেয়াররম্যান প্রেমিকের সঙ্গে ঝগড়ার পর ১৯তলা থেকে লাফ, অলৌকিকভাবে বাঁচলেন তরুণী! পৌনে ৭ ঘণ্টা পর ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল : প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎ ভেনেজুয়েলায় ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬,১২৫ ঢাকেশ্বরী মন্দিরে ‘বেআইনি সমকামী বিয়ে’, বিচার চাইলেন ১২৩০ নাগরিক ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার না করার শর্তে শিশুকে হেফাজতে পেল মা নির্দেশ অমান্য করে হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা: তথ্য উপদেষ্টা নিরাপদ পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

‘মৃত ব্যক্তির বীর্যের অধিকার কেবল স্ত্রীরই’

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১
  • ২৪৩ বার

কোনো মৃত ব্যক্তির বীর্যের উপর কেবল তার স্ত্রীরই অধিকার রয়েছে বলে যুগান্তকারী এক রায় দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্ট। এই রায়কে ঘিরে সামাজিক জীবনে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা যায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত পুত্রের সংরক্ষিত বীর্যের উপর অধিকার চেয়ে গত বছর আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেনে এক বাবা। সেই মামলাতেই এমন রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গত বছরের মার্চ মাসে ওই মৃত ব্যক্তির বাবা আদালতে জানান, তাদের পুত্রবধূ ছেলের বীর্য তাদের দিতে অস্বীকার করেছেন। যদি পুত্রের বীর্য নষ্ট করে দেওয়া হয় তাহলে তারা তাদের বংশধরকে হারাবেন। এই আশঙ্কাতেই আদালতের দ্বারস্থ হন বাবা। উল্লেখ্য,মৃত্যুর আগে ছেলের বীর্য দিল্লিতে সংরক্ষিত করে রাখা রয়েছে। পুত্রের পিতৃত্বের অধিকারের দাবি জানান বাবা।

এই মামলায় গত ১৯ জানুয়ারি বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য বলেন, ‘এ ধরনের অনুমতির জন্য মামলাকারীর কোনো মৌলিক অধিকার নেই।’ একইসঙ্গে হাইকোর্টের তরফে জানানো হয়, ওই ব্যক্তির যখন মৃত্যু হয়েছিল, তিনি বিবাহিত ছিলেন। ফলে দিল্লি হাসপাতালে যে মৃত ব্যক্তির বীর্য সংরক্ষিত রয়েছে, তার কেবল অধিকার রয়েছে তার স্ত্রীরই,অন্য কারও নয়।

প্রসঙ্গত, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট হন মৃত ব্যক্তি। থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ওই ব্যক্তি দিল্লিরই এক হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে ওই ব্যক্তির বিয়ে হয়। তার শারীরিক অবস্থার কথা সকলকে জানিয়েই বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন করা হয়। এর কয়েক মাস পর নবদম্পতি পশ্চিম মেদিনীপুরে চলে আসেন। সেখানকার এক স্থানীয় কলেজে অধ্যাপনার কাজে যুক্ত হন ওই ব্যক্তি। ২০১৮ সালে হঠাৎ ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com