শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
২ বছরের সম্পর্কের পর অনন্যা-ওয়াকার বিচ্ছেদ! বৃষ্টিবিঘ্নিত লর্ডসে শুরুতেই ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে ইংল্যান্ড ৬৪ জেলায় ৬৪ জন ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী’ থাকলে মন্দ হতো না : রুমিন ফারহানা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বপালনে সম্পূর্ণভাবে দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব: রাষ্ট্রপতি নেপালে ভয়াবহ বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০ খুলনায় ভাড়া বাসায় মিলল অস্ত্রসহ একাধিক চেকবই, হেফাজতে স্বামী-স্ত্রী-ছেলে ১০ হাজার কনস্টেবল, ৪ হাজার এসআই ও ৪০০ সার্জেন্ট নিয়োগ করা হবে প্রস্তাব পেলে মক্কা প্যাক্টে যোগদানে ইতিবাচক থাকবে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু ১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

বংশগত কারণেও হতে পারে শিশুর ক্যানসার

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৮ জুন, ২০২১
  • ২৭৩ বার

ক্যানসার যে কোনো বয়সীর যে কোনো অঙ্গে হতে পারে। আক্রান্ত হতে পারে শিশুরাও। শিশুদের ক্যানসারের ১০ থেকে ১৫ শতাংশ হয় বংশগত কারণে। শরীর বৃদ্ধি, টিউমার ও বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ- এ তিনটি জিন মূলত দায়ী। সেগুলো হচ্ছে প্রটো অনকো-জিন, এবং ক্যানসার সাপ্রেসর জিন। সেল বা কোষের ক্রোমোজমের মধ্যে থাকে জিন। কোনো কারণে এসব জিনের কার্যকারিতা হারালে তখন টিউমার বা ক্যানসার হতে পারে।

শিশুরা সাধারণত যে ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- চোখের ক্যানসার, কিডনি ক্যানসার, স্নায়ু ক্যানসার, লিভার ক্যানসার ও ব্রেইন ক্যানসার। এ ছাড়া ব্লাড ক্যানসার ও হাড়ের ক্যানসারও হতে পারে। শিশুর চোখের ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ হলো- চোখের মণি সাদা হয়ে যায় এবং রাতে বিড়ালের চোখের মতো দেখায়। কিডনিতে ক্যানসার হলে পেটের যে কোনো পাশে একটি চাকা বা টিউমার অনুভূত হয়। বেশি বড় হলে পেট ফুলে যায়। স্নায়ু ক্যানসার হলে সে স্থান ফুলে যাবে এবং ব্যথা অনুভূত হবে। এ ক্যানসার ঘাড়, প্যারান্যাজাল সাইনাস বা পেটে হয়ে থাকে। লিভার ক্যানসার হলে পেটের ডানদিকে পাঁজরের নিচে ফুলে যায় ও ব্যথা হয়। ব্রেইন ক্যানসার হলে মাথাব্যথা, হাঁটা-চলায় অসুবিধা, বমি হওয়া, দুর্বল হয়ে পড়া, জ্বর, বিনা কারণে রক্ত পড়াসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিতে পারে। হাড়ের ক্যানসার হলে ফুলে যায় ও ব্যথা হয়। এসব রোগ সাধারণত ছ মাস বয়স থেকে ১৫ বছরের মধ্যে হয়ে থাকে। রোগ নির্ণয়ের জন্য রোগের বিস্তারিত বিবরণসহ বংশগত কোনো কারণ আছে কিনা, তা জানতে হবে।

সময়মতো সঠিক চিকিৎসা দিতে পারলে ৮০ শতাংশ শিশুর ক্যানসার নিরাময় সম্ভব। সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি- সব চিকিৎসাই শিশুর ক্যানসারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তবে সার্জারি ও কেমোথেরাপি শিশুর ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য। কারণ শিশুর কোষ বর্ধিষ্ণু পর্যায়ে থাকে। ফলে ক্যানসারের বৃদ্ধি যেমন দ্রুত হয়, তেমনি কেমোথেরাপিতে বেশি সংবেদনশীল হয়। ফলে নিরাময় সহজ হয়। অন্যদিকে রেডিওথেরাপিতে হাড় বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। সময়মতো চিকিৎসা নিন। রোগ ভয় না পেয়ে মনোবল শক্ত রাখুন। নিয়মিত ক্যানসার বিশেষজ্ঞের পরামর্শে চিকিৎসা চালিয়ে যান।

লেখক : টিউমার ও ক্যানসার রোগ বিশেষজ্ঞ

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com