শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ইস্টার্ন রিফাইনারি আধুনিকায়নে আইএসডিবির সঙ্গে চুক্তি সই যুক্তরাষ্ট্রকে পাঁচে নামিয়ে রেমিট্যান্সে শীর্ষে সৌদি আরব জিরোপয়েন্ট থেকে সদরঘাট পর্যন্ত কোনো হকার বসবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক এ্যানিকে নতুন দায়িত্ব দিলো বিএনপি ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষিত হবে অভিনেতা বুলবুল আহমেদের পুরস্কার ও স্মৃতিচিহ্ন ৫ মাস পর সংসদ অধিবেশনে মির্জা আব্বাস উল্টো পথে সচিবালয়ে যাচ্ছিলেন বিমানমন্ত্রী, মামলা দিলো পুলিশ বেনজীরের অবস্থান জানতে ইন্টারপোলকে চিঠি শাপলা চত্বর হত্যাযজ্ঞ : পলাতক শেখ হাসিনাসহ ৩০ জনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ কক্সবাজারে সাগরে ট্রলারডুবিতে দুই জেলের মৃত্যু, নিখোঁজ ২

শ্রাবণেও ইলিশের আকাল, হতাশ জেলেরা

বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৫ আগস্ট, ২০২২
  • ১৪৬ বার

৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে জেলেরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশের দেখা মিলবে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার জেলেদের জালে ধরা পড়ছে না কাঙ্খিত ইলিশ। ফলে জেলেদের মধ‍্যে দাদন, মহাজনী লোন, দৈনিক সুদের টাকা পরিশোধ করার চাপে হতাশার ছাপ দেখা দিয়েছে।

জ্যৈষ্ঠ থেকে ভরা মৌসুম চলছে ইলিশের। কিন্তু জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় পেরিয়ে শ্রাবণেও আশানুরূপ দেখা মিলছে কাঙ্খিত ইলিশ। নিষেধাজ্ঞার পর গত সপ্তাহ থেকে শুরু হয়েছে ইলিশ ধরা। কিন্তু নদ-নদীতে দেখা মিলছে না তেমন ইলিশের। সাগরে মোটামুটি ইলিশ পাওয়া গেলেও মেঘনা, তেতুলিয়া নদীতে মাছের হাহাকার।

ইলিশের মৌসুমেও মাছ ধরতে না পারায় দূরচিন্তায় পড়েছেন জেলেরা। একই সঙ্গে হতাশ আড়তদাররাও। সারা দিনে দুই এক ঝুড়ি মাছ ঘাটে আসলেও তেমন হইচই নেই চরফ্যাশন উপজেলার বেতুয়া, সামরাজ, নতুন সুইজ, খেজুর গাছিয়া ,বকসি, ঢালচর ও চরপাতিলার মাছ ঘাটগুলিতে। সেই সঙ্গে হাটবাজারগুলোতেও ইলিশের সেই হাঁকডাক নেই। ফলে উপজেলার প্রায় ৬০ হাজার জেলে হতাশায় দিন পার করছেন।

উপজেলার চরকচ্ছপিয়ার জেলে জসিম ও চরকুকরি-মুকররি ট্রলার মাঝি মফিজ বলেন, ‌‌‘ভরা মৌসমেও নদীতে মাছ নাই। দিন-রাত জাল ফেলে ৫-১০ টা মাছ পাই তা বিক্রি করে যে টাকা হয় তাতে ডিজেলের দাম হয় না। তারপরও পোলাপাইন নিয়ে অনেক কষ্টে চলে সংসার।’

সামরাজের মৎস্য ব্যবসায়ী জহির উদ্দিন ও মাহমুদ হাসান বলেন, টানা ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয়েছে। জেলেরা সাগরে গেছে। কিন্তু ভরা মৌসুমেও ইলিশ পাচ্ছেনরা তারা। দৈনিক ২ থেকে ৩ হাজার টাকার বাজার নিয়ে জেলেরা নদীতে যায়। রাত দিন জাল ফেলে মাছ পায় ৩-৪ টি তা বিক্রি করে যে টাকা পায় তাতে দোকানের মালামালের টাকা দিলে আর জেলেদের টাকা থাকে না। যে কারণে জেলেরা পরিবার পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো মারুফ হেসেন মিনার বলেন, চলতি বছরে সময় মতো বৃষ্টি না হওয়ায় ইলিশের তেমন দেখা মিলছে না। বৃষ্টি যতো বেশি হবে মাছের ততো দেখা মিলবে। তবে ভোলাসহ উপকূলীয় কিছু জায়গায় মোটামুটি দেখা যাচ্ছে। দেরিতে হলেও মাছ হবে এমনটা আশা করা যায়। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশ মাছের মৌসুম পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। সে কারণেই এই ভরা মৌসুমেও ইলিশ ধরা পড়ছে না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com