রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী একটি চক্র জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী জলসীমা অতিক্রম করে ৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি, যা বলছে মন্ত্রণালয় নিজ দলের নেতাকে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, বিএনপি নেতা আজাদের সব পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত জুলাই জাদুঘর থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু জিনিস বিএনপি সরিয়ে ফেলেছে: আসিফ মাহমুদ জুলাইযোদ্ধাদের সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও আয়নাঘরে রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর প্রতিটি বাড়িঘর পাহারায় রাখা সম্ভব নয়: রাজউক চেয়ারম্যান

ওপেনিং যেন এক বিভ্রমের নাম

বাংলাদেশ ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২২
  • ১৭৪ বার

‘দলটা যেন রঙ্গমঞ্চ, ওপেনিং তার সদর দফতর।’ এই বাক্যটাই হয়তো এখন ভালো যায় বাংলাদেশের সাথে। দলও যেমন একের পর এক হেরেই চলেছে, ওপেনিংয়েও যেন ব্যর্থতা ভালোবাসার ঘর বেঁধেছে। ওপেনার সঙ্কটে অবস্থাটা যখন ‘ওপেনার চাই’ বিজ্ঞাপন প্রয়োজন, মিরাজ-সাব্বিরই ম্যানেজমেন্টের আশা তখন।

অভিজ্ঞতা নেই, অনুশীলনও নেই উদ্বোধনীতে এই জুটি যেন ভেসে উঠে হঠাৎ করেই। সর্বশেষ এ দলে ডাক পেলেও সাব্বির দেশজুড়ে ঘুরেফিরে খ্যাপ খেলে বেড়াচ্ছিলেন পাড়ার ক্রিকেটে। সেখান থেকেই তাকে দাঁড় করিয়ে দেয়া হলো ওপেনিংয়ে। আর মিরাজ? ২০১৮ সালের পর হঠাৎ করে ফের টি-টোয়েন্টি দলে। অথচ বলার মতো পারফরম্যান্স নেই ঘরোয়া ক্রিকেটে।

এরাই যেন বিসিবি সভাপতির বুক ফুলিয়ে দাবি করা ‘দীর্ঘ পাইপলাইনের’ চিত্র। যেন জোর করে ধরে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে, সাব্বিরের পারফরম্যান্স অন্তত তাই বলে। ফ্রি হিট বলে এক ছক্কা মেরে কোচদের বাহবা পাওয়া, ভরসা পাওয়া সাব্বির ব্যর্থ গতকালও। প্রত্যাবর্তনের পর তার ইনিংসগুলো যথাক্রমে ৫, ০, ১২, ১৪। অর্থাৎ ৪ ম্যাচে মাত্র ২৯ রান। এই ২৯ রান করতে বল খেলেছেন ৩৬টি। স্ট্রাইকরেট ৮০, গড় ৭-এর সামান্য ওপরে।

মিরাজ যদিও চেষ্টা করছে, তবে সামর্থ্যের দৌঁড়ও তো দেখতে হবে। অভিজ্ঞতা বলতে শুধুই তার ২০১৮ এশিয়া কাপ। তামিম ইকবালের ইঞ্জুরির ফলে ফাইনালে লিটন দাসের সাথে নেমেছিলেন উদ্বোধনীতে। যদিও তা ওয়ানডে ক্রিকেটে। তবে তার চেয়ে বড় কথা, বিশ্বকাপের মতো একটা আসরে খেলতে গিয়েছে দল ‘মেকশিফট’ ওপেনার নিয়ে।

দলও হেরে চলেছে ধারাবাহিকতা ধরে রেখে। শেষ ২০টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের হেরেছে ১৬টিতেই। জয় মাত্র চারটি ম্যাচে। সেই চারটির একটা দেশের মাটিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। আরেকটা জয় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। আর শেষ দুটো জয় তো স্মৃতিতে তাজা, আরব আমিরাতের বিপক্ষে। অর্থাৎ, যেই চারটি জয়ও আছে ঝুলিতে, গর্ব করাও যাবে না তা নিয়ে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com