প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ব্রিকসকে বহুমুখী বিশ্বের বাতিঘর হিসেবে আবির্ভূত হতে হবে এবং প্রতিক্রিয়ার সময় অন্তর্ভুক্তিমূলক প্ল্যাটফর্ম হতে হবে। তিনি বলেন,‘আমাদের এই বহুমুখী বিশ্বে ব্রিকসকে একটি বাতিঘর হিসেবে প্রয়োজন। আমরা
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ব্রিকসে যোগদান এবং রোহিঙ্গা সঙ্কটের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিতে চীন সবসময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে আশ্বস্ত করেছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন শিয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ‘আপনি
বাংলাদেশের সাথে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য আরো প্রচেষ্টায় নিয়োজিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে আলজেরিয়া। বাংলাদেশও একটি নির্দিষ্ট সময় এবং লক্ষ্য-ভিত্তিক রোডম্যাপের মাধ্যমে নতুন এবং উদীয়মান ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তার
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নৈশভোজে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানাতে তার কাছে হেঁটে যান। ব্রিকসের বর্তমান চেয়ার এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা এ নৈশভোজের আয়োজন করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে বুধবার জোহানেসবার্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে বুধবার সন্ধ্যায় হোটেল হিলটন স্যান্ডটনে এই বৈঠক শুরু হয়। ২২-২৪
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্রতিরক্ষা সংলাপের প্রথম দিনে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার দিকটি বিশেষ গুরুত্ব লাভ করেছে বলে
বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে শক্তিশালী সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহবিষয়ক মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল-রাবিয়াহ বলেছেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরব সম্পর্ককে আরো জোরদার করতে
লালমনিরহাট সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত এক বাংলাদেশী যুবকের লাশ ৭৮ দিন পর ফেরত দিয়েছে ভারত। গত ৫ জুন লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার কালীরহাট সীমান্তের মেসেরডাঙ্গা এলাকায় ইউসুফ আলী নামের এক
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসার আমন্ত্রণে ২২ থেকে ২৪ আগস্ট অনুষ্ঠেয় ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে মঙ্গলবার রাতে জোহানেসবার্গ পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস
জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে আগামী মাসে দিল্লি সফরে যাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এই সফরের সময় ভারত তাকে দু’টি স্পষ্ট বার্তা দিতে পারে। এগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে