দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হওয়ায় উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও আশেপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে দেশের বেশির ভাগ জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে
উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত থাকায় উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দর এলাকাগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ জন্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা
টানা দাবদাহের পর অবশেষে বহুল প্রত্যাশিত বৃষ্টির দেখা মিলেছে। প্রায় দুই সপ্তাহের বেশি সময় তাপমাত্রা চরমে থাকার পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কয়েক জেলায় বৃষ্টির খবর পাওয়া গেছে। মুষলধারে না হলেও
খুলনা, বরিশালসহ দেশের ছয়টি জেলায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের আরও পাঁচটি জেলায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া
জ্যৈষ্ঠের খরতাপে পুড়ছে নীলফামারী। তীব্র রোদ আর গরমে অতিষ্ট হয়ে পড়েছে এই এলাকার জনজীবন। প্রচণ্ড গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ে মানুষজনের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা
দেশের ৯ জেলার ওপর দিয়ে ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। আজ সোমবার রাত ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ
চলমান তাপপ্রবাহ আগামী বুধবার পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। গতকাল স্বাভাবিকের চেয়ে তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। গত ১১ বছরের মধ্যে জুনের প্রথম চার দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি জেলায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে; সেই সঙ্গে ২ জেলায় ৬০-৮০ ও ৪ জেলায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ রোববার দুপুর ১টা
আরও চার থেকে পাঁচ দিন অব্যাহত থাকতে পারে দেশের উপর দিয়ে চলমান মৃদু থেকে তীব্র ধরনের তাপপ্রবাহ। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি
বেশ কিছুদিন ধরেই দেশের তাপমাত্রা উপরের দিকে ওঠছে। প্রায় সারা দেশেই বয়ে যাচ্ছে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আরো কয়েক দিন এমন অবস্থা থাকতে পারে। বৃহস্পতিবার আবহাওয়া