পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তি-১৩ এ বলা হয়, এটি গত মধ্যরাতে (১২
ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার খবরে আতঙ্কে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ছাড়ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গতকাল বৃহস্পতিবার ও আজ শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত দ্বীপের প্রায় ১ হাজার বাসিন্দা টেকনাফসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন
বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে আসছে বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’। তাই দেশের চারটি বন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত উঠিয়ে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর। অধিদফতরের পরিচালক মো:
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’য় পরিণত হয়েছে। এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিয়ে আগামী রবিবার যেকোনো সময় স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। বাংলাদেশে ঘূর্ণিঝড় মোকার প্রাথমিক প্রভাব পড়বে চট্টগ্রাম
দক্ষিণপূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ সামান্য উত্তর দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় অবস্থান করছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এটি বৃহস্পতিবার দিবাগত
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে ঘূর্ণিঝড়‘মোখায়’ পরিণত হয়েছে এবং এটি রবিবার যেকোনো সময় স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে। আবহাওয়া অধিদফতর এমন তথ্য দেয়ার পর থেকে কক্সবাজারে এরই মধ্যে সব ধরনের
ঘূর্ণিঝড় সিডরের আঘাতে বাংলাদেশে অন্তত ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর ঘূর্ণিঝড়টি দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচণ্ডভাবে আঘাত হেনেছিল। সেই সিডরের মতোই ঘূণিঝড় ‘মোখা’ বিধ্বংসী হতে পারে বলে
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় থাকা গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’য় পরিণত হয়েছে। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে দুই নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপটি ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’য় রূপ নিয়েছে। যা দ্রুত শক্তি সঞ্চয় করছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। আজ বৃহস্পতিবার সকালে দেওয়া বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে অধিদপ্তর। আশঙ্কা করা
-স্থলভাগে আঘাত হানতে পারে রোববার -গতিবেগ হবে ১৫০ কিলোমিটার ঘূর্ণিঝড় মোখার শুরু আজ বৃহস্পতিবার থেকে। এটা হয়তো সাগরে আরো দুই অথবা তিন দিন ঘূর্ণায়মান থাকবে। উপকূলে উঠে আসতে পারে শনিবার