ফ্লিটস ফিচারের পর টুইটার এখন আরও একটি নতুন আকর্ষণীয় ফিচার নিয়ে এসেছে। যেখানে আপনি কথা বলে টুইট করতে পারবেন। মূলত ব্যবহার আরও সহজলভ্য করতেই এই নতুন ফিচার এনেছে সংস্থা। এতে
বর্ণবাদ ইস্যুতে উত্তাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আর এর প্রভাব পড়েছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের ওপর। ফেসবুকে বর্ণবাদ ও ঘৃণ্য বক্তব্য ছড়ানোর প্রতিবাদে এ মাধ্যম বর্জনের জন্য #স্টপহেটফরপ্রফিট আন্দোলন জোরদার হচ্ছে।
অনলাইন কথোপকথনে অনেকেই এখন গুগল মিট ব্যবহার করছেন। এ সেবাকে আরেকটু সহজ করতে গুগল মিটের সঙ্গে ডটনিউ (.new) লিংক যুক্ত করে দিল প্রতিষ্ঠানটি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুগল জি স্যুটের ব্যবস্থাপক
গত কয়েক মাস ধরেই এই ষড়যন্ত্র তত্ত্বটা নানা আকারে ইন্টারনেটে ঘুরছে। তত্ত্বের মূল কথা : বিশ্ব জুড়ে যে করোনাভাইরাস মহামারি ছড়িয়ছে তার পরিকল্পনা করেছেন বিল গেটস – মার্কিন ধনকুবের ও
যুক্তরাষ্ট্রের সান্তা ক্লারা ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী জ্যাকব আমেদি ২০১৫ সালে তার চূড়ান্ত গবেষণা পত্র হিসেবে এই প্রবন্ধটি তৈরি করেছিলেন। ‘দি ইমপ্যাক্ট অব সোশাল মিডিয়া অন সোসাইটি’ নামে এই প্রবন্ধটি প্রকাশ করে
পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল নিয়ে বিজ্ঞানীদের মধ্যে কৌতূহলের অন্ত নেই। যুগ যুগ ধরে পৃথিবীর কেন্দ্রের গঠন নিয়ে গবেষণা করে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। তবে এবার বিজ্ঞানীরা সেই প্রশ্নের উত্তর অনেকটাই খুঁজে পেয়েছেন। মেরিল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের
ইউজারদের প্রাইভেসি নিশ্চিত করতে ফেসবুক মেসেঞ্জারে ফেস আইডি, টাচ আইডি কিংবা পাসকোড ব্যবহারের সুবিধা দেবে প্রতিষ্ঠানটি। তাই এখন থেকে আনলক ছাড়া চাইলেই মেসেঞ্জারে ঢুঁ মারা যাবে না। এনগ্যাজেটের প্রতিবেদনে বলা
এই করোনাকালে বেশিরভাগ মানুষই ঘরবন্দি। শিশুরাও। সময় কাটতে চাচ্ছে না কারোর। ফলে বাবা-মা জেনে অথবা না জেনে শিশুর হাতে তুলে দিচ্ছেন নিজের স্মার্টফোন অথবা ট্যাব, যা শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়িয়ে তুলছে। কী ধরনের
করোনার এ দুর্যোগের সময়ও থেমে নেই হ্যাকারদের দৌরাত্ম্য। গত দুই মাসে ১০ লাখেরও বেশি ওয়েবসাইটে হামলা চালিয়েছে হ্যাকাররা। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় লাখখানেক সাইট আক্রান্ত হয়েছে। কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ইঞ্জিনিয়ার
ছাপ নেই কোনো দূষণের। পৃথিবীতে এমন একটি স্থান রয়েছে যেটি এখনো দূষণ মুক্ত। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হল সেখানে রয়েছে এই গ্রহের সবচেয়ে বিশুদ্ধ বাতাস। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখনো এমন কিছু