রমজানুল মোবারকের আজ শনিবার ২৫ তারিখ। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজানের শেষভাগকে জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য বলে ঘোষণা করেছেন। পাপরাশির ক্ষমা ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু
নাজাতের সময় চলছে। রাসুল (স) এরশাদ করেছেন, রোজার মাসে তিন অংশ। প্রথম দশ দিন রহমতের, দ্বিতীয় দশ দিন ক্ষমার, শেষ দশ দিন পরকালে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তির (মিশকাত)। নাজাতের এই
দুনিয়ার সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহতায়ালা। টাকা-পয়সা, ক্ষমতা সবকিছুই আজ আসমানি ফায়সালার কাছে- ‘লা শাই’, একেবারে তুচ্ছ! একদিকে অন্যায়-অত্যাচার ও ক্ষমতার দাপটে ইসলামবিরোধীরা যেমন নিপীড়ন চালিয়েছে মুসলমানের ওপর, অন্যদিকে মুসলমানরা জুলুম
মোমিন বান্দার ইবাদতের বসন্তকাল রমজানের শেষ দশকও শুরু হয়ে গেল। পূর্ণ রমজানের তুলনায় শেষ দশকের ভিন্ন গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। নবীজি সা. এ সময়টাকে আরো বেশি গুরুত্ব দিতেন। আমলের পরিমাণ
আজ রমজানুল মোবারকের বিশ তারিখ। সিয়াম সাধনার মাসের আক্ষরিক অর্থেই দ্বিতীয় দশক পূর্ণ হচ্ছে আজ। কিন্তু আজকের দিনটির গুরুত্ব বহুগুণ বেড়েছে একটি ঐতিহাসিক কারণে। ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যবহ একটি ঘটনার
ইবাদতের বসন্তকাল রমজান। সওয়াবের ভরা মৌসুম রমজান। এ মাস রহমত, বরকত ও নাজাতের। নবীজি (স) বলেন, রমজান বরকতময় মাস, তোমাদের দুয়ারে উপস্থিত হয়েছে এ মাসে আল্লাহ একটি রাত প্রদত্ত হয়েছে,
রোজা জীবন বদলানোর মাস। বিনয়ী সহনশীল হয়ে ওঠার মাস। মানুষে-মানুষে সৌহার্দ রচনার মাস। এ সময় বদলে যায় জীবনের রঙ। দূর হয়ে যায় সব অশুভ আচরণ। জীবননদীর কোনো বাঁকেই থাকবে না-
মাহে রমজানের সপ্তম দিন। হযরত আব্দুল্লাহ ইব্নে আব্বাস বর্ণনা করেন যে, হযরত আইয়ুব (আঃ) এর দোয়া কবুল হওয়ার পর তাঁকে আদেশ করা হলো যে, পায়ের গোড়ালি দ্বারা মাটিতে আঘাত করুণ।
ইসলাম ধর্মের তৃতীয় স্তম্ভ রোজা। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে সুবহে সাদিক থেকে সূর্য অস্ত যাওয়া পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার ও ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকার নামই হচ্ছে সাওম বা রোজা।
পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা সংবাদ পর্যালোচনা ও এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আগামীকাল মঙ্গলবার বৈঠকে বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় এ সভাটি