নিউইয়র্ক সিটি রেন্ট গাইডলাইড বোর্ড ১০ লাখ রেন্ট স্ট্যাবিলাইজড এপার্টমেন্টের ভাড়া বছরে শতকরা ২ থেকে ৪ ভাগ ও ২ বছরের লিজে ৪-৭ ভাগ ভাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গত মঙ্গলবার ২ মে
নিউইয়র্ক স্টেটের ২২৯ বিলিয়ন ডলারের স্পেন্ডিং বিল পাশের মধ্যদিয়ে সিটি ও স্টেটের ন্যুনতম বেতন বাড়লো। বুধবার ৩ মে আলবেনিতে বিলটি পাস হয়। পহেলা জানুয়ারি ২০২৪ থেকে নিউইয়র্ক সিটি, সাফোক, নাসাউ
নিউইয়র্ক সিটি পুলিশ ডিপার্টমেন্ট এনওয়াইপিডির ট্রাফিক বিভাগে কর্মরতদের ইউনিয়নের একটি শূন্য পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে জয়লাভ করেছেন, সাংবাদিক শিবলী চৌধুরী কায়েস। ট্রাফিক ইউনিয়ন “সিডাব্লিউ-লোকাল-১১৮২’-এর এই প্রতিনিধি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে
মূলধারার রাজনীতিক, আমেরিকার স্বনামধন্য ব্যবসায়ী, ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, যুক্তরাষ্ট্র ছাত্রদল ও যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং সম্প্রতি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে সদস্য

আমেরিকার বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত বিপুল সংখ্যক নারী ও পুরুষ শিক্ষকতার সাথে জড়িত। তাদের অনেকেই লেকচারার কিংবা এ্যাসিস্ট্যান্ট বা এসোসিয়েট প্রফেসর কিংবা ফুল প্রফেসর। কেউ কেউ প্রফেসর ইমেরিটাসও। আরো আছেন গবেষক। তাদের প্রায় সকলেরই রয়েছে গবেষণা গ্রন্থ কিংবা গবেষণা নিবন্ধ। বই প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির নিজস্ব প্রকাশনা থেকে। তাদের নিবন্ধ প্রকাশিত হয় নিজ নিজ ইউনিভার্সিটিসহ আন্তর্জাতিক জার্নালে। এঁদের অর্জনের জন্য তাদের স্থান হয়েছে উইকিপিডিয়ায়, ইউনিভার্সিটিগুলোর নিজস্ব ওয়েবসাইটে। অনেক শিক্ষকের রয়েছে নিজস্ব ওয়েবসাইট। অনেকের ধারণা এদেশে বাংলাদেশীরা কেবল অপেশাদার কাজই করেন। কথাটি সত্য নয়। বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত কিংবা বাংলাদেশী-আমেরিকান যেমন আছেন বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে, তেমনই আছেন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, এটর্নি, সিপিএ, ডেন্টিস্ট, ফার্মাসিস্ট, আইটি বিশেষজ্ঞ, স্কুল শিক্ষক, রেজিস্টার্ড নার্সসহ নানা ক্ষেত্রের পেশাজীবী। সাপ্তাহিক বাঙালী এই সিরিজে কেবল বিভিন্ন ইউনিভার্সিটি ও কলেজে যারা শিক্ষকতা করেন তাদের সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরছেঃ ড. আজিজুর আর মোল্লা মিশিগানের গ্রান্ড ভ্যালি স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব পাবলিক হেলথের এসোসিয়েট প্রফেসর ড. আজিজুর আর মোল্লা। তাঁর বিশেষজ্ঞতার জায়গা হলো কম্যুনিটি হেলথ, এনভার্নমেন্টাল হেলথ, ডেমোগ্রাফি, রিপ্রোডাকটিভ হেলথ, মেডিকেল এ্যানথ্রোপলজি, সাউথ এশিয়ান কালচার, কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট স্ট্রাটেজি, প্রোগ্রাম ইভালুয়েশন এবং কোয়ালেটেটিভ ও কুয়ান্টেটেটিভ রিসার্চ। তিনি ১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সোশাল সাইন্সে বিএসএস সম্পন্ন করে ১৯৯৫ সালে ইউনিভার্সিটি অব নর্থ ক্যারোলাইনা, চ্যাপেল হিল থেকে পাবলিক হেলথে মাস্টার্স করেন। তার থিসিসের বিষয় ছিল ‘ফ্যাক্টরস ইনফ্লুয়েন্সিং সাসটেইনেবিলিটি অব ফ্যামিলি প্লানিং এনজিও’স ইন বাংলাদেশ’। আজিজুর মোল্লা দ্বিতীয় মাস্টার্স করেন ২০০২ সালে এ্যানথ্রোপলজি এন্ড ডেমোগ্রাফির ওপর পেনসিলভেনিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে। একই ইউনিভার্সিটি থেকে এ্যানথ্রোপলজি এন্ড ডেমোগ্রাফির ওপর পিএইচডি করেন ২০০৫ সালে। তিনি ১৯৯৭ থেকে ৯৯ সাল পর্যন্ত ঢাকার ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে কাজ করেন এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে। ১৯৯৯ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত পেন স্টেট ইউনিভার্সিটিতে রিসার্চ এ্যাসিস্ট্যান্ট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ থেকে ২০০৪ পর্যন্ত সেখানে টিচিং এ্যাসিস্ট্যান্ট, ২০০৫ ও ২০০৬ সালে পেনসিলভেনিয়া কলেজ অব টেকনোলজিতে এডজাংক্ট ফ্যাকাল্টি, ২০০৬ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত ম্যান্সফিল্ড ইউনিভার্সিটিতে এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর এবং ২০০৮ থেকে এখন পর্যন্ত গ্র্যান্ড ভ্যালি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে এ্যানথ্রোপলজি বিভাগের এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। প্রফেসর আমান খান টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটির ডিপার্টমেন্ট অব পলিটিক্যাল সাইন্সের পাবলিক এ্যাডের প্রফেসর আমান খান। তিনি পাবলিক বাজেটিং, ফিনানশিয়াল ম্যানেজমেন্ট, কস্ট এন্ড ম্যানেজারিয়াল একাউন্টিং (সরকার ও নন-প্রফিট অর্গানাইজেশনের) পড়ান ২০০৭ থেকে। ড. আমান খান ১৯৭৬ সালে ইউনিভার্সিটি অব টরন্টো থেকে আরবান ও রিজওনাল প্লানিংএ এমএস, ১৯৭৯ সালে ইউনিভার্সিটি অব পিটসবার্গ থেকে ইকোনমিক্সে মাস্টার্স এবং একই ইউনিভার্সিটি থেকে ১৯৮২ সালে পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশনে পিএইচডি করেন। ১৯৯৫ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ড. আমান খান টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটিতে এসোসিয়েট প্রফেসর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। আর ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৫ পর্যন্ত ছিলেন এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর। এ পর্যন্ত তাঁর শতাধিক নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন জার্নালে। তাঁর লেখা কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বইও রয়েছে। প্রফেসর হারুন খান আরকানসাস হেন্ডারসন স্টেট ইউনিভার্সিটির পলিটিক্যাল সাইন্সের প্রফেসর হারুন খান এই ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনায় যোগ দেন ১৯৯০ সালে এ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসাবে। ১৯৯৮ সালে তিনি প্রফেসর পদে উন্নীত হন। ড. হারুন খান ইস্টার্ন ইলিনয় ইউনিভার্সিটি থেকে পলিটিক্যাল সাইন্সে মাস্টার্স করে এম.ফিল. ও পিএইচডি করেন একই বিষয়ে ইউনিভার্সিটি অব ক্যানসাস থেকে।

গত ২ মে মঙ্গলবার সম্পন্ন হলো কুইন্সের সর্ববৃহৎ নৃত্যোৎসব কুইন্স বরো ড্যান্স ফেস্টিভ্যালের সংবাদ সম্মেলন। সেখানে উপস্থিত ছিল মূলধারার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম, কাউন্সিলম্যান শেকার কৃষ্ণান, এ্যাসেম্বলি মেম্বার জেসিকা গঞ্জালেস-রোহাস ও স্পন্সররা। কুইন্স বরো ড্যান্স ফেস্টিভ্যালের তালিকাভুক্ত সকল নৃত্য শিল্পী তাদের নাচের ২০ সেকেন্ড অংশবিশেষ প্রিভিউ দেখায়। কুইন্স বরো ড্যান্স ফেস্টিভ্যাল গ্রীষ্মকালীন মৌসুমে ৩ জুন থেকে শুরু করে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। বিভিন্ন পেশাদার নৃত্যশিল্পীদের মাঝে বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত নীলা ড্যান্স অ্যাকাডেমির নৃত্যশিল্পী, ড. নীলা জেরীন তালিকাভুক্ত হয়েছেন এবং পুরো সামারে তিনি কুইন্সের বিভিন্ন অঞ্চলে ও মঞ্চে একক কত্থক নাচ পরিবেশন করবেন এবং কত্থক নাচের তালিম দেবেন। নীলা জেরীনের নাচের ট্যুরের সময়সূচি হলোঃ ৩ জুন, শনিবার বিকাল ৩:৪৫ মিনিট- কত্থক নাচের তালিম – 73rd Street Plaza on 34th Avenue, Jackson Heights (বৃষ্টি হলে ১০জুন) ২৩ জুন, শুক্রবার বিকাল ৫টা – কত্থক নাচ পরিবেশনা – Evergreen Park, Ridgewood ১৫ জুলাই, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা- কত্থক নাচ পরিবেশনা ও কত্থক নাচের তালিম- Athens Square, Astoria (বৃষ্টি হলে ৯ সেপ্টেম্বর) ২৯ জুলাই, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা- কত্থক নাচ পরিবেশনা- Culture Lab, Long Island City ২৭ আগস্ট, রবিবার সন্ধ্যা ৬টা- কত্থক নাচ পরিবেশনা- Hunter’s Point South Park, Long Island City ২ সেপ্টেম্বর, সন্ধ্যা ৬টা- কত্থক নাচ পরিবেশনা ও কত্থক নাচের তালিম- Diversity Plaza,
নিউইয়র্ক সিটি এন্ড স্টেটের পাওয়ার লিস্টের এবারের বিষয় ‘পাওয়ার অব ডাইভারসিটিঃ এশিয়ান ওয়ান হানড্রেড’। এই শক্তিশালী ১০০ জন এশীয়র মধ্যে দুইজন বাংলাদেশী-আমেরিকান অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। একজন শ্রমিক নেতা ডিসি-৩৭এর ট্রেজারার ম্যাফ
নিউইয়র্ক সিটির ডিস্ট্রিক্ট ২৫ এর কাউন্সিলম্যান শেখর কৃ্ষ্ণানের আগামী নির্বাচনী ক্যাম্পেইন শুরু হলো ৩০ এপ্রিল। কাউন্সিলম্যানের পূনঃনির্বাচনী ভোটগ্রহণ আগামী ২৭ জুন। আগাম ভোটগ্রহণ (আর্লি ভোটিং) চলবে ১৭ জুন থেকে ২৫

নিউইয়র্ক সিটির প্রায় ৮ লক্ষাধিক কো-অপ ও কন্ডো মালিকের মাথায় আগামী বছর পড়বে বিশাল অংকের বাড়তি অর্থের বোঝা। ‘স্ট্রংগার নিউইয়র্ক’ গড়াসহ জলবায়ু পরিবর্তনের কুফল থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ২০১৯ সালে পাশ হয় ক্লাইমেট মোবিলাইজেশন এমিশনস ল- যাকে বলা হয় লোকাল ল ৯৭। এই আইনটির বাস্তবায়ন শুরু হবে আগামী বছর থেকে। এই পাশ হওয়া লোকাল ল ৯৭ বাস্তবায়ন করতে গেলে কো-অপ ও কন্ডো মালিকদের বিপুল অর্থ খরচ করতে হবে, নইলে তাদের গুনতে হবে বিশাল পেনাল্টি। কারণ তাদের পুরনো হিটিং সিস্টেম সরিয়ে সম্পূর্ণ ইলেকট্রিক হিটিং সিস্টেম বসাতে হবে। এদিকে কো-অপ ও কন্ডো মালিকদের পাশে দাঁড়িয়ে একটি বিল উত্থাপন করেছেন স্টেট সিনেটর কেভিন পার্কার ও এসেম্বলিম্যান এড ব্রনস্টাইন। এই বিলে বলা হয়েছে ক্লাইমেট চেঞ্জের প্রভাব থেকে রক্ষার জন্য তাদের এপার্টমেন্টের হিটিং সিস্টেম যেভাবে সাযুজ্যপূর্ণ করতে হবে লোকাল ল ৯৭ অনুসারে তাতে তাদের বিপুল অর্থ ব্যয় থেকে রক্ষার জন্য এইসব মালিকদের প্রোপার্টি ট্যাক্স ব্রেক দিতে হবে। নিউইয়র্ক পোস্ট সোমবার লিখছে, কো-অপ ও কন্ডো মালিকরা ক্লাইমেট চেঞ্জের বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষার জন্য বিল পাশ করা হয়েছে প্যানডেমিকের আগে তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানালেও নতুন ক্লিনার এনার্জি বাস্তবায়নে তাদের আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন। তারা এটাকে নিউইয়র্ক সিটির ইতিহাসে সর্ববৃহৎ ‘আনফানডেড ম্যানডেট’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। কো-অপ ও কন্ডো মালিকরা তাদের সহায়তার জন্য উত্থাপিত বিল পাশের জন্য নিউইয়র্ক সিটির ৫ বরো থেকে নির্বাচিত সিনেটর ও এসেম্বলি সদস্যদের কাছে চিঠি পাঠানোসহ লবিং শুরু করতে যাচ্ছে বলে পোস্ট লিখেছে। এছাড়াও কো-অপ ও কন্ডো মালিকরা আগে থেকেই হিসাব করেছে যে আগামী বছর থেকে বাস্তবায়নযোগ্য উক্ত বিলটির শর্তসমূহ অধিকাংশ মালিক তাদের এপার্টমেন্টে বাস্তবায়ন করতে পারবে না। ফলে তাদের সর্বসাকুল্যে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার পেনাল্টি দিতে হবে। এদিকে কুইন্স বরো প্রেসিডেন্ট ডনোভান রিচার্ডস লোকাল ল ৯৭ এর প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে মিডল ও ওয়ার্কিং ক্লাসের কো-অপ ও কন্ডোর মালিকদের জন্য ট্যাক্স রিলিফের আহবান জানিয়ে বলেন, এইসব মিডল ক্লাস এপার্টমেন্ট মালিকদের ওপর চাপ কমানোর জন্য কিছু একটা করা জরুরী। ডনোভান রিচার্ডস বলেন, এ ব্যাপারে তিনি মেয়র এরিক এডামসের সাথে কথা বলেছেন যাতে তার প্রশাসন কো-অপ ও কন্ডো মালিকদের জন্য ট্যাক্স রিলিফের ব্যবস্থা করেন।

নিউইয়র্কে বাস ও বাইক লেইনের মতো চিহ্নিত স্থানে অবৈধ পার্কিং মোকাবেলায় সাড়ে পাঁচশো বাসে নতুন ক্যামেরা বসাচ্ছে এমটিএ। মে মাসের প্রথম সপ্তাহে আলবানিতে বাজেট অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত নেন স্টেইটের আইনপ্রণেতারা। এই সিদ্ধান্তের আওতায় বাস লেইনের পাশাপাশি ট্রাক লোডিং জোন, বাস স্টপ, বাইক লেইন, ইন্টারসেকশন এবং ক্রসওয়াকগুলোয় পার্ক করা গাড়ির ছবি তুলবে এমটিএ’র স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরাগুলো। ছবি অনুযায়ী অপরাধী চালককে প্রথমবার পঞ্চাশ ডলার জরিমানা করা হবে। পরবর্তী বারো মাসের মধ্যে একই ব্যক্তি আবারো অবৈধ পার্কিং এর জন্য অভিযুক্ত হলে জরিমানার অংক বাড়িয়ে সর্বোচ্চ আড়াইশো ডলার পর্যন্ত আদায় করা যাবে। ২০১৯ সাল থেকে সাড়ে চারশো বাসে এ ধরণের ক্যামেরা স্থাপন করেছে এমটিএ। এই বছরের শেষ নাগাদ ক্যামেরাযুক্ত বাসের সংখ্যা বাড়িয়ে এক হাজার করা হবে বলে জানিয়েছে তারা। খবরটা বাস যাত্রীদের বেশ স্বস্তি দেবে। বাস-ক্যামেরা বাড়তে চলেছে। কেবল বাস লেনে গাড়ি চালানো বা পাকিংয়ে সীমাবদ্ধ না রেখে বরং বাস স্টপ, ট্রাক লোডিং জোন, বাইক লেন, মোড়, ক্রসওয়াকে গাড়ি পার্ক করে, তাদের পাকড়াও করতেও অটোমেটেড বাস লেন এনফোর্সমেন্ট ক্যামেরা সিস্টেম বসানো হচ্ছে। ফলে বাসের গতি বাড়বে, বাসযাত্রা হবে অনেক আরামদায়ক। নতুন এই প্রস্তাবে নিউইয়র্কের গভর্নর হোকুল এবং আইনপ্রণেতা পরিষদের নেতারা একমত হয়েছেন। আর বাস লেনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে প্রথমবার জরিমানা দিতে হবে ৫০ ডলার। আর ১২ মাসের মধ্যে আবার একই ধরনের অপরাধে ধরা পড়লে প্রতিবারের জন্য দিতে হবে ২৫০ ডলার করে। এমটিএ ঘোষণা করেছে যে চলতি বছরের শেষ নাগাদ ক্যামেরা-সংবলিত বাসের সংখ্যা ৪৫০ থেকে বাড়িয়ে এক হাজার করা হবে। এরপরই নতুন আইনের প্রসঙ্গ আসে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বাস লেনে অটোমেটেড ক্যামেরা বসানোর ফলে বাসের গতি ৫ ভাগ বেড়ে যায়। ২০১৯ সালে এমটিএ এসব ক্যামেরা স্থাপন করে। ওপেন প্লানসের সহ-নির্বাহী পরিচালক সারা লিন্ড বলেন, ‘ক্যামেরাভিত্তিক ব্যবস্থা এতই শক্তিশালী একটি হাতিয়ার যে এটি আমাদের রাস্তাগুলোকে আরো নিরাপদ করতে পারে। এটি সীমিত ব্যবস্থায় অনেক বেশি কাজ করতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা, এর মাধ্যমে আচরণে পরিবর্তন আনা যায়।’ তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্ক সিটির উচিত হবে সম্ভব সব ধরনের সুবিধাকে কাজে লাগানো। সমর্থন প্রদানের জন্য আমরা রাজ্যের আইনপ্রণেতাদের প্রশংসা করছি।’ নিউইয়র্কের গভর্নর হোকুল গত বছরই বাস লেনের বাইরেও বাস ক্যামেরা বসানোর আইন প্রণয়ন করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আইন পরিষদে তা পাস করানো যায়নি। তবে এবার আলবানির আইনপ্রণেতারা তাদের ‘ফিক্স দি এমটিএ’ প্যাকেজ প্রস্তাবে সম্মতি দিচ্ছেন। এই প্রস্তাবে নিউইয়র্ক সিটিতে ফ্রি বাস চালুর ব্যবস্থাও রয়েছে। অ্যাসেম্বি সদস্য জোহরান মামদানি বলেন, ক্যামেরা বাড়ানোর এই কর্মসূচি অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিনি বলেন, পুরো কর্মসূচির লক্ষ্য হলো জনসাধারণের কল্যাণ। আর বিশ্বস্ত ও নিয়মিত পরিষেবা ছাড়া পাবলিক ট্রানজিটকে কোনোভাবেই চমৎকার বলা যাবে না। তিনি বলেন, ক্যামেরা বাড়ানোর কর্মসূচিটি আমাদের খুবই ভালো লেগেছে। এটি বাস চলাচলে যেসব সমস্যা হচ্ছে, সেগুলো দূর করবে। এখন তো অনেক সময় হাঁটার চেয়েও কম গতিতে বাস চলে। নিউইয়র্ক সিটির বাসগুলো বর্তমানে গড়ে ঘণ্টায় মাত্র ৮.০৯ মাইল বেগে চলাচল করে। অটোমেটেড বাস ক্যামেরা কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হলে বাস কার্যক্রম ও নিরাপদ সড়ক- উভয়টিই গতিশীল করবে। রাইডার্স অ্যালায়েন্স ডিরেক্টর অব পলিসি অ্যান্ড কমিউনিকেশন্সের ড্যানি পার্লস্টেইন বলেন, ‘যাত্রীদের দরকার দ্রুত ও বিশ্বাসযোগ্য বাস পরিষেবা। আর বাসের গতিপথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এর গতি মন্থর করে দেয়। ফলে এই সমস্যার দ্রুত সমাধান দরকার।’ রাজ্য বাজেটে এমটিএর আর্থিক ঘাটতি পূরণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। তবে ভাড়া যাতে বেশি না বাড়ে সেজন্যও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বাস ভাড়া ৫ ভাগ না বাড়িয়ে ৪ ভাগ বাড়ানোর ব্যবস্থা করার জন্য রাজ্য ৬৫ মিলিয়ন ডলারের সংস্থান করবে।