বিশ্বব্যাপী মহামারি রূপ নেওয়া করোনাভাইরাসের এখনও কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। তাই বিশেষজ্ঞদের দেওয়া পরামর্শই এই প্রাণঘাতী ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার একমাত্র উপায়। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশন ও লকডাউন এই তিনটি
ফ্রান্সে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ডসংখ্যক এক হাজার ৩৫৫ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশটিতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ হাজার ৩৮৭ জনে। গতকাল বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, মৃতদের মধ্যে
ফ্রান্সে করোনাভাইরাসে বৃহস্পতিবার ৪৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই মহামারীতে এ পর্যন্ত যারা হাসপাতালে মারা গেছেন তাদের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪,৫০৩ জন। বাড়িতে এবং বৃদ্ধনিবাসে মৃতদের সংখ্যা এই হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
যত দিন যাচ্ছে ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতোমধ্যেই ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩০১ জনে। বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর মিছিল দিন দিন আরো দীর্ঘ হচ্ছে। শুক্রবার পর্যন্ত বিশ্বে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩ হাজার ১৯৫ জনে। বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান জানার অন্যতম
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস চীনকে ছাড়িয়ে অনেক আগেই বিশ্বের অধিকাংশ দেশে হানা দিয়েছে। এবার এর ভয়ানক থাবা পড়ল এশিয়ার সবচেয়ে বড় বস্তি ভারতের মুম্বাই শহরের ধারাভি বস্তিতে। এর ফলে মুম্বাইসহ পুরো ভারত
মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে যারা লকডাউনের নির্দেশ অমান্য করবে তাদের গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে। দেশটির লুজন দ্বীপে এক মাসব্যাপী লকডাউন চলাকালীন ‘সমস্যা সৃষ্টিকারী’ যে কাউকে গুলি
ভারতে লকডাউনের মধ্যেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। ইতোমধ্যেই আক্রান্তের সংখ্যা বড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯৬৫ জনে। বুধবার রাত পর্যন্ত ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৮৩৪ জন। বৃহস্পতিবার
ইতালি বুধবার করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে লকডাউনের সময়সীমা ১৩ এপিল পর্যন্ত বাড়িয়েছে। দেশটিতে করোনায় এ পর্যন্ত ১৩ হাজার ১১৫ জন প্রাণ হারিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গুইসেপে কন্টে জাতির উদ্দেশ্যে দেয়া টেলিভিশন
ভারতের রাজধানী দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদে তাবলীগ জামাতের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া প্রায় ৯০০০ জনের করোনা সংক্রমণ হতে পারে। এমনই আশঙ্কা করা হয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যমে। ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া অনেকে একে