আগামী সাধারণ নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি ও সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে আলোচনা করতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ। বুধবার
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি। বিশেষ করে ধাপে ধাপে সংসদ সদস্য প্রার্থী বাছাই করছে দলটির হাইকমান্ড। কেননা, প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়াকে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। ঘোষিত আসনের মধ্যে প্রার্থীদের কর্মতৎপরতার পাশাপাশি চলছে কেন্দ্রের গোপন মাঠ জরিপ; যার ভিত্তিতে কিছু আসনে আসতে পারে পরিবর্তন। দলের শীর্ষ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য হুমায়ুন কবিরকে দলের যুগ্ম মহাসচিব (আন্তর্জাতিক বিষয়ক) হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। আজ বুধবার (২২ অক্টোবর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেলে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। দলটির মিডিয়া সেলের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যেই দুই শতাধিক আসনে দলীয় প্রার্থিতা চূড়ান্ত করবে বিএনপি। কে কোন আসনে প্রার্থী হবেন—এই সময়ের মধ্যে দল থেকে তা জানিয়ে দেওয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন বলেছেন, জামায়াত গণমানুষের দল নয়। জামায়াত ও আওয়ামী লীগকে মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ হিসেবেই আমরা দেখে এসেছি। সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি
জুলাই অভ্যুত্থানের পর তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং জামায়াতে ইসলামী মাঠের আন্দোলন কিংবা দাবি-দাওয়া আদায়ের আলোচনায় দৃশ্যত হাঁটছিল একই পথে। নির্বাচন ও সংস্কার ইস্যুতে
বহুল আলোচিত ও প্রতীক্ষিত জুলাই সনদে স্বাক্ষর সম্পন্ন হলেও এতে যোগ দেয়নি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম নেতৃত্বদানকারী এই দলটি শুধু স্বাক্ষর থেকে বিরতই থাকেনি, বরং পুরো অনুষ্ঠানেও
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকার নিয়ে অনলাইনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড পলিসি ফোরামের (এসপিএফ) গবেষণায় দেখা গেছে, নেটিজেনদের ৮০.৩২% সাক্ষাৎকারটিকে ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন