বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা সোমবার সকালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৪ হাজার ২৪৭ জনে। অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার মানুষ।
অন্যান্য বছরের তুলনায় দেশে এবার মার্চ-এপ্রিলে সর্দি, জ্বর, হাঁচি, কাশি, গলাব্যথাসহ শ্বাসতন্ত্রের রোগীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেশি। অন্য বছরগুলোয় এই সময়ে গড়ে ২৫ হাজার মানুষ এসব রোগে চিকিৎসা নিলেও এবার
দেশে ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে করোনা ভাইরাস। দুদিন ধরে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত শত রোগী গড়ে শনাক্ত হচ্ছে। এরই মধ্যে চারটি জেলায় একাধিক ক্লাস্টারে কমিউনিটি সংক্রমণ রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি
জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক লাখ ২ হাজার ৭৫৩জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ইতালিতে। সেখানে মারা গেছেন ১৮ হাজার
“আমাদের শ্রমিকরা যদি করোনাভাইরাসে না মরে, তারা মরবে অনাহারে, না খেতে পেয়ে।” একটি পোশাক কারখানার মালিক ভিজয় মাহতানি এরকমটাই আশঙ্কা করছেন। ‘অ্যামবাটুর ফ্যাশন ইন্ডিয়া’র চেয়ারম্যান তিনি। করোনাভাইরাসের বিশ্ব মহামারি পোশাক
হঠাৎই সরকারের কাছে কিট হস্তান্তর অনুষ্ঠান স্থগিত করলো গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক সমস্যার কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্ট্রি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি আজ
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে আত্মস্বীকৃত খুনী ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি আজ শুক্রবার কার্যকর করা হবে না। কারা কতৃপক্ষ প্রস্তুত থাকলেও নির্দেশ পায়নি বলে জানা গেছে। তাই
কর্মহীন জনপদে পরিণত হয়েছে ব্যস্ততম নগরী ঢাকা। সব কলকারখানা বন্ধ, বন্ধ দোকানপাট শপিংমলও। জরুরি জিনিসপত্রের দোকান আর কাঁচাবাজার ছাড়া খোলা নেই কিছুই। অলিগলিতে দু-চারটে রিকশা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাবিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা এখন এক লাখ ছাড়িয়েছে। ক্রমেই বাড়ছে মৃত্যুর হার। রোজ মানুষ পরিণত হচ্ছে এক একটি সংখ্যায়। চীনের উহান শহরে প্রাদুর্ভাব ঘটার পর গত ৩১ ডিসেম্বর
করোনাভাইরাস সঙ্কটে প্রবাসে অবৈধ ও কর্মহীন বাংলাদেশিরা বেশি কষ্টে আছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন৷ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস, আর্থিক দূরস্থার কারণে নিউ ইয়র্কে বাংলাদেশীদের মৃত্যুহার বেশি বলে মনে