রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী একটি চক্র জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী জলসীমা অতিক্রম করে ৩ জেলেকে ধরে নিয়ে গেল আরাকান আর্মি জ্বালানি তেল আমদানি নীতিমালা নিয়ে বিভ্রান্তি, যা বলছে মন্ত্রণালয় নিজ দলের নেতাকে মারধর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, বিএনপি নেতা আজাদের সব পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থগিত জুলাই জাদুঘর থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু জিনিস বিএনপি সরিয়ে ফেলেছে: আসিফ মাহমুদ জুলাইযোদ্ধাদের সিএনজি অটোরিকশা ও রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও আয়নাঘরে রেখে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর প্রতিটি বাড়িঘর পাহারায় রাখা সম্ভব নয়: রাজউক চেয়ারম্যান

কানাডার নির্বাচনে ভারত ও পাকিস্তানের হস্তক্ষেপের অভিযোগ, ‘ভিত্তিহীন’ বললো ভারত

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৪
  • ১১৬ বার

ভারত ও পাকিস্তান ২০১৯ এবং ২০২১ সালে কানাডার ফেডারেল নির্বাচনে “হস্তক্ষেপ” করার চেষ্টা করেছিল। এমনি চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছে কানাডার গুপ্তচর সংস্থা কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (CSIS)।   CSIS ২০১৯ এবং ২০২১ সালের নির্বাচনে চীন, ভারত, রাশিয়া  সহ বিভিন্ন দেশের সম্ভাব্য হস্তক্ষেপের তদন্তকারী ফেডারেল কমিশন অফ ইনকোয়ারির অংশ হিসাবে এই হস্তক্ষেপের দাবি করে একটি সারাংশ প্রদান করেছে।নথি অনুসারে, কানাডার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার জন্য ভারত ও পাকিস্তানের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হয়েছিল। কানাডার রিপোর্ট মোতাবেক, ২০২১ সালে সেদেশে নির্বাচনের সময় কানাডার কয়েকটি প্রদেশকে টার্গেট করে নয়াদিল্লি। এই প্রদেশগুলোতেই বসবাস করেন ভারতীয় বংশোদ্ভূতরা। নয়াদিল্লির মনে হয়েছিল এই প্রদেশের ভোটাররা খলিস্তানিদের সমর্থক এবং পাকিস্তানপন্থী। সেই জন্যই ভারত সরকারের প্রক্সি এজেন্ট বেআইনিভাবে আর্থিক লেনদেন করেছেন এই প্রদেশগুলোতে। যেন কানাডার নির্বাচনে দিল্লিপন্থী প্রার্থীরা জিতে যান।

একইভাবে দুই বছর আগে, ২০১৯ সালে, “কানাডায় পাকিস্তান সরকারের কর্মকর্তারা সেদেশের  সরকারের স্বার্থকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে কানাডার ফেডারেল রাজনীতিকে গোপনে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করেছে CSIS । যদিও কানাডার এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে ভারত। রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পরে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতের বিরুদ্ধে এমন ভিত্তিহীন অভিযোগ আমরা নাকচ করছি।

অন্য দেশের নির্বাচনে নাক গলানো ভারত সরকারের নীতি নয়।’ যদিও ভারত এই দাবিগুলি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং অন্যান্য দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াগুলিতে হস্তক্ষেপ না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, বিদেশী হস্তক্ষেপের বিষয়ে কানাডার তদন্ত দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উত্তেজনা আরো কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছে।

 

গত বছর কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর ২০২৩ সালের জুনে খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যায় ভারতীয় এজেন্টদের “সম্ভাব্য” জড়িত থাকার অভিযোগের পরে ভারত ও কানাডার মধ্যে চাপানউতোর শুরু  হয়। ভারতের এই অভিযোগগুলিকে অযৌক্তিক বলে প্রত্যাখ্যান করা সত্ত্বেও,  কানাডিয়ানদের জন্য ভিসা সাময়িক স্থগিত করা এবং কূটনৈতিক উপস্থিতি হ্রাস সহ  একাধিক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ফেব্রুয়ারি মাসে চীন ও রাশিয়ার পাশাপাশি কানাডিয়ান গোয়েন্দাদের   “বিদেশী হুমকি” হিসাবে আখ্যায়িত করার পর দুদেশের  কূটনৈতিক ফাটল আরও তীব্র হয়।

সূত্র : এনডিটিভি

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com