বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ন

দ্বিমুখী-ত্রিমুখী সমীকরণ

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪৫ বার

সিলেটে আগাম নির্বাচনী উত্তাপ এখন মাঠময়। প্রতীক সামনে রেখে দলীয় পথসভা, প্রচার মিছিল, মতবিনিময় ও সামাজিক আয়োজনে মুখর প্রার্থীরা। ছয়টি আসনেই লড়াই মূলত বিএনপি ও ইসলামি দলগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ। মাঠে নেই আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি। ইসলামি দলগুলো আগেভাগেই মনোনয়ন দিয়ে জোটের হিসাব কষছে, অন্যদিকে বিএনপির চার আসনে প্রার্থী ঠিক হলেও সিলেট-৪ ও সিলেট-৫ আসনের দোলাচল এখনও কাটেনি। অন্তত একটি আসনে ছাড় চাইছে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম; আর নবগঠিত এনসিপি এখনও প্রার্থী নির্ধারণই করতে পারেনি।

সিলেট-১ আসন (সদর ও সিটি করপোরেশন) : তৎপর জামায়াত

বলা হয়, সিলেট-১ আসনে বিজয়ী এমপির দলই সরকার গঠন করে। এখন পর্যন্ত তার ব্যতিক্রম হয়নি। স্বাধীনতার পর আসনটিতে আওয়ামী লীগ ছয়বার, বিএনপি চারবার, জাতীয় পার্টি এক বার ও স্বতন্ত্র প্রার্থী একবার করে জয়ী হন। ১৯৯১ সালের সংসদ নির্বাচনে সিলেটের ১৯টি আসনের মধ্যে বিএনপির হয়ে খন্দকার আব্দুল মালিক শুধু সিলেট-১ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন। সেবার বিএনপিই সরকার গঠন করে।

সিলেট-১ আসনে প্রার্থী হিসেবে এখন পর্যন্ত আলোচনায় আছেন বিএনপির খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা হাবিবুর রহমান, খেলাফত মজলিসের তাজুল ইসলাম হাসান, গণফোরামের অ্যাডভোকেট আনসার খান এবং এনসিপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক এহতেশাম হক।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এর আগেও এই আসনে বিএনপির হয়ে নির্বাচন করেছেন। তাঁরা বাবা খন্দকার আব্দুল মালিকও এই আসনের এমপি ছিলেন। জামায়াত ইসলামীর কোনো প্রার্থী কখনও সিলেট-১ আসনে নির্বাচিত হননি।

তবে এবার মনোনয়ন নিশ্চিতের পর থেকেই ভোটারদের আকৃষ্ট করতে মাঠে নেমেছেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও সিলেট জেলা আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান। এর আগে দলের হয়ে সিলেট-৬ আসনে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। এবার সিলেট-১ আসনে প্রথমবারের মতো প্রার্থী হয়েছেন।

সিলেট নগরীর শাহপরান এলাকায় মতবিনিময় সভায় জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হাবিবুর রহমান বলেন, জামায়াত-শিবির দেশের প্রতিটি সেক্টরে যোগ্য লোক তৈরি করেছে, যার প্রমাণ দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন। দেশের মেধাবী তরুণ-তরুণীরা তাঁদের ভোট ছাত্রশিবিরকে দিয়ে প্রমাণ দিচ্ছে, দেশবাসীও জামায়াতকে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেবেন।

একই দিনে নগরীর কলিঘাটে শ্রমিক সমাবেশে বিএনপি প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন,

সিলেটের সাধারণ ভোটাররা বিএপির সঙ্গে আছেন। তাঁরা বিএনপির কাছে ভালো কিছু প্রত্যাশা করেন। সিলেটে ধানের শীষ জয় পাবে

এবং বিএনপিই এবার সরকার গঠন করবে ইনশা আল্লাহ।

সিলেট-২ আসন (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) : ইলিয়াস আলী ইস্যুতে সুবিধায় বিএনপি

সিলেট-২ আসনে আলোচনায় থাকা প্রার্থীদের মধ্যে আছেন বিএনপির তাহসীনা রুশদীর লুনা, জামায়াতে ইসলামীর অধ্যক্ষ এমএ হান্নান, ইসলামী আন্দোলনের আমির উদ্দিন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের হোসাইন আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুফতি লুৎফুর রহমান কাসেমী, খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাসির আলী এবং গণফোরামের অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক।

আওয়ামী লীগ আমলে ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে গাড়িচালক আনসার আলীসহ নিখোঁজ হন বিএনপির তৎকালীন জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী। তিনি এ আসনের সাবেক এমপি ছিলেন। সদ্য সাবেক এ এমপির সন্ধান দাবিতে টানা এক সপ্তাহ হরতাল পালিত হয় তাঁর উপজেলা বিশ্বনাথে। হরতাল চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে ছাত্রদল ও যুবদলের তিন কর্মী নিহত হন। এ ছাড়া বিএনপি ও ‘ইলিয়াস মুক্তি সংগ্রাম পরিষদ’ একই দাবিতে ১৩ বছর ধরে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে।

শেষের দিকে কিছুটা নাটকীয়তা হলেও শেষ পর্যন্ত সিলেট-২ আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসীনা রুশদীর লুনাকে। নিখোঁজ বিএনপি নেতার পরিবারে প্রতি সাধারণ মানুষের সহমর্মিতার কারণে ভোটের মাঠে অনেকখানিই এগিয়ে থাকছেন তিনি।

এ আসন থেকে এর আগে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি ও গণফোরামের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়ে সংসদ সদস্য হয়েছেন।

সিলেট-৩ আসন (দক্ষিণ সুরমা, ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ) : সবাই আছেন আশায়

সিলেট-৩ আসনে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে দলটির যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এমএ মালিককে। বঞ্চিত হয়েছেন দলের আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক এমএ সালাম, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ স্থানীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী অনেক নেতা। দলের হয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভূমিকা রাখা এমএ মালিক মূল্যায়িত হলেও মনোনয়নে তৃণমূল নেতাদের উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ অনেক নেতাকর্মীর।

ফেসবুকে পেজ খুলে স্থানীয় বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আসনটিতে জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি তুলেছেন। তবে আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, দলের সিদ্ধান্তকেই চূড়ান্ত মেনে নিয়ে বিএনপি ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ রয়েছে।

এ আসনে মনোনয়নের ক্ষেত্রে বিপরীত পথে হেঁটেছে জামায়াত। তারা মনোনয়ন দিয়েছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লোকমান আহমদকে। উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ায় দীর্ঘদিন মাঠে ভোটারদের সঙ্গে কাজ করছেন। ভোটারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগও ভালো।

এ ছাড়া আসনটিতে এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য নুরুল হুদা, ইসলামী আন্দোলনের মাওলানা রেদওয়ানুল হক চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা আবদুল কাইয়ুম হাজীপুরী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের নজরুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের জেলার সাধারণ সম্পাদক দিলওয়ার হোসাইন ও ইসলামী ঐক্যজোটের হাফিজ মাওলানা মইনুল ইসলাম আশরাফী প্রচারে আছেন।

সিলেট-৪ আসন (কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট ও জৈন্তাপুর) : জটিল হিসাবে প্রার্থীরা

জটিল হিসাবে প্রার্থীরা। খনিজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ সিলেটের তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত সিলেট-৪ নির্বাচনী আসন এবার আছে বিশেষ আলোচনায়। ভারত সীমান্তবর্তী এ তিন উপজেলায় রয়েছে জাফলং, বিছানাকান্দি, সাদাপাথর, রাতারগুলের মতো সুখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। এ পর্যন্ত এ আসনে বিএনপির প্রার্থী তিনবার, স্বতন্ত্র প্রার্থী দুইবার এবং আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাতবার বিজয়ী হয়েছেন।

গুরুত্বপূর্ণ এ আসনে এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি বিএনপি। সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী জানান, দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে তাঁকে এ আসনে প্রচারণার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিন উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিতই সভা-সমাবেশ করছেন তিনি।

দল থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না থাকায় আরিফুল হক চৌধুরীর এ প্রচারণাকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না বিএনপির অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা। এর মধ্যে আছেন গোয়াইনঘাট উপজেলা পরিষদের দুইবারের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আবদুল হাকিম চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা হেলাল উদ্দিন আহমদ, সাবেক সংসদ সদস্য দিলদার হোসেন সেলিমের স্ত্রী জেবুন্নাহার সেলিম, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সহ-স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক সামসুজ্জামান।

দলীয় মনোনয়ন নিয়ে এখনও আশায় থাকা নেতারা নিজ নিজ সমর্থকদের নিয়ে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের আমির উবায়দুল্লাহ ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, এ বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা চলছে। তাদের চাওয়া দুটি আসনের মধ্যে এ আসনটিও রয়েছে।

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এ আসনে প্রার্থী করেছে কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ আলীকে। তবে বিএনপির গৃহদাহে আলোচনায় আছেন জামায়াতের প্রার্থী জয়নাল আবেদীন। দলটির জেলা কমিটির সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন জৈন্তাপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান। তৃণমূল ভোটারদের কাছে পরিচিত মুখ জয়নাল আবেদীনকে নিয়ে তাই জোরেশোরে প্রচারণায় আছেন জামায়াতে ইসলামী।

এ ছাড়া ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা নাজিম উদ্দীন কামরান, ইসলামী আন্দোলনের মুফতি সাঈদ আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা আবুল হাসনাত জালালী ও খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় ওলামাবিষয়ক সম্পাদক আলী হাসান উসামা প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় আছেন।

সিলেট-৫ আসন (জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট) : সমঝোতার সম্ভাবনা

সিলেটের এ নির্বাচনী আসনের ভোটারের মধ্যে ইসলামী দলগুলোর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। এই আসন থেকে ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী। এ ছাড়া ১৯৯১ সালে ইসলামী ঐক্যজোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের মাওলানা উবায়দুল হক উজিরপুরী এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আনজুমানে আল ইসলাহর সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরী এ আসন থেকে জয় পান।

এ আসনে বিএনপি এখনও প্রার্থী ঘোষণা না করায় জোট বা প্রার্থী সমঝোতার সম্ভাবনা দেখছেন ইসলামী দলগুলো। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সভাপতি উবায়দুল্লাহ ফারুক আশায় আছেন, বিএনপি জোটের হয়ে এই আসনে ভোট করবেন তিনি। এরই মধ্যে দলীয় প্রার্থী হিসেবে তিনি নিজের নাম ঘোষণা করেছেন।

এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন জেলার নায়েবে আমির আনোয়ার হোসেন খান। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের মুফতি রেজাউল করিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা রেজাউল করিম জালালী, খেলাফত মজলিসের সিলেট জেলার উপদেষ্টা আবুল হাসান ও ইসলামী ঐক্যজোটের মুফতি ফয়জুল হক জালালাবাদী আলোচনায় আছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে পারেন মাওলানা মোহাম্মদ হুছামুদ্দীন চৌধুরীও।

অন্যদিকে এখনও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশায় প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা আশিক উদ্দিন চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাহবুবুল হক চৌধুরী, সংযুক্ত আরব আমিরাত বিএনপির আহ্বায়ক মো. জাকির হোসাইন, যুক্তরাজ্যপ্রবাসী ফাহিম আলম ইসহাক ও যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সহ-সভাপতি শরীফ আহমদ লস্কর।

সিলেট-৬ আসন (গোলাপগঞ্জ ও বিয়ানীবাজার) : জামায়াত-বিএনপি মুখোমুখি

সিলেট-৬ আসনে জামায়াত মনোনয়ন দিয়েছে ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিনকে। তাঁর নিজ বাড়ি এই নির্বাচনী এলাকায়। অন্যদিকে এই আসনে অপেক্ষাকৃত তরুণ প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এনামুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী, বিএনপি নেতা ফয়সল আহমদ চৌধুরী ও সৈয়দা আদিবা হোসেনকে পাশ কাটিয়ে মনোয়ন পেয়েছেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমরান আহমদ চৌধুরী। দলের নেতাকর্মীদের নিজের পাশে টানাই এখন তাঁর বড় চ্যালেঞ্জ।

এ ছাড়া এই আসনে আলোচনায় আছেন ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ আজমল হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাওলানা আবদুল আজিজ, খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য দক্ষিণ শাখার সভাপতি সাদিকুর রহমান, ইসলামী ঐক্যজো

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com