

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে সম্পাদক, বার্তাপ্রধান ও গণমাধ্যম ব্যক্তিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে বিএনপি। এতে সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা বলেছেন, দেশের বড় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আছে। এ বিষয়ে দলটির শীর্ষ নেতারা আশ্বাস দিয়েছেন, বিএনপি অতীতের সব তিক্ততা ভুলে আগামীতে রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়নের কথা মাথায় রেখে গণমাধ্যমকে পূর্ণ সহযোগিতা দেবে। এ সময় গণমাধ্যমের কাছে গঠনমূলক সমালোচনার প্রত্যাশা করেন বিএনপি নেতারা।
গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে বিএনপির উদ্যোগে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে গণমাধ্যমের সম্পাদক ও নির্বাহী প্রধান, বার্তা সম্পাদকদের সঙ্গে এই মতবিনিময় হয়। সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি আগামীতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় গেলে গণমাধ্যমকে পূর্ণ সহযোগিতা দেবে। অতীতের ফ্যাসিবাদী সরকারের দমন-পীড়নের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই এই সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, যে অপশক্তির উত্থান সবাই এখানে আজকে বলেছেন, মতি ভাই (মতিউর রহমান) প্রকাশ্যে বলেছেন। সেই অপশক্তিরের উত্থানটা আমরা লক্ষ করেছি, বিশেষ করে ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময় থেকে এখন পর্যন্ত। সেটার একটা স্বরূপ, চেহারা এবং কর্ম গত কয়েকদিন আমরা লক্ষ করেছি, প্রকাশিত হয়েছে। সুতরাং জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে হবে এবং জাতীয়ভাবে আমাদের সবাই এ বিষয়টাতে যাতে সচেতন হতে পারি, সে বিষয়ে আপনাদের সংবাদপত্র এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এখন জাতীয় ঐক্য জাতীয় স্বার্থে ধরে রাখার জন্য আপনাদের সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন। এ সময় সালাহউদ্দিন আহমদ গণমাধ্যমের কাছে গঠনমূলক সমালোচনা প্রত্যাশা করেন। পরে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ও মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মওদদু আলমগীর পাভেল বক্তব্য দেন।
এ সময় রুহুল কবির রিজভী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দেশ একটি ঘনকালো অন্ধকার সময় পার করেছে, যেখানে সাংবাদিক থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কর্মী প্রত্যেকেই কমবেশি আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি আরও বলেন, মতামত ও বক্তব্যের কারণে কারও ওপর হামলা হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ফ্যাসিবাদোত্তর সময়েও এমন ঘটনা গভীর উদ্বেগের জন্ম দেয়।
মতবিনিময় সভায় যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান বলেন, ‘সাংবাদিকদের দায়িত্ব সমালোচনা করা ঠিক আছে, কিন্তু প্রশংসা করাও তাদের দায়িত্ব—এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। আমি যায়যায়দিন ফিরে পাওয়ার পর সম্পাদকীয় বিভাগকে বলেছি, একটা ছোটখাটো প্রশংসার কাজও হয় যদি ব্যক্তিগতভাবে, সরকারিভাবে হয়, ওই কথাটা সম্পাদকীয়তে লিখবে। খালি সমালোচনা করো না। সাংবাদিকদের দায়িত্ব প্রশংসা এবং সমালোচনা দুটোই করা উচিত। সাংবাদিক হয়ে যাওয়া মানে ফ্রি লাইসেন্স পেয়ে যাওয়া, সরকারের সমালোচনা করা, ইউনূস সাহেবের (বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধান ড. ইউনূস) সমালোচনা, এটা কিন্তু নয়। আমি কিন্তু সরকারকে টেনেই বলছি।’
শফিক রেহমান বলেন, ‘এখানে আমি মাহফুজ সাহেবের (ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম) একটা কথা বলতে চাই, উনি চলে গেছেন। আশা করি তার সহযোগী মতিউর রহমান (প্রথম আলো সম্পাদক) আমার কথাটা তার কাছে পৌঁছে দেবেন। তিনি বলেছেন যে, সাংবাদিক ভুল করতে পারে। ধন্যবাদ এই কথাটা বলার জন্য। সরকারও ভুল করতে পারে, সাংবাদিকও ভুল করতে পারে। তার চেয়ে বড় কথা হচ্ছে, এই ভুলটা স্বীকার করার সাহস থাকতে হবে। মতিউর রহমানকে জানিয়ে দিতে চাই, তিনি যেন মাহফুজকে বলেন আমি তাকে অতি বিনয়ী আখ্যা দিচ্ছি। কেননা, তিনি বিশাল ভুল করেছিলেন ওয়ান-ইলেভেন হওয়ার পর। সেই ভুল তিনি কিন্তু টেলিভিশনে সবার সামনে স্বীকার করেছিলেন। থ্যাংক ইউ মিস্টার মাহফুজ আনাম।’
প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, ‘দেশে একটা রাজনৈতিক শূন্যতা রয়েছে। এটা বিপজ্জনক এবং বিএনপির জন্যও কিছুটা কঠিন অবস্থা। আমি মনে করি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আরও আগে দেশে আসতে পারলে বিএনপি একটা সুবিধাজনক অবস্থা তৈরি হতে পারত। উনার (তারেক রহমান) অনুপস্থিতি কিছুটা আপনাদের জন্য প্রশ্ন তৈরি করেছে, নানা রকম বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার সুযোগ হয়েছে। সেটা আপনাদের জন্য নেতিবাচক হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে। একই সঙ্গে যদি বলি এই একটা বছর বা ১৫টা মাস—বিএনপির সব কর্মকাণ্ড নানা স্তরে, নানাভাবে, নানা ক্ষেত্রে যেভাবে হয়েছে, সেটা কিন্তু বিএনপির জন্য খুব ভালো হয়নি। সেগুলো এখনো সংশোধন করার, ভালো করার সুযোগ বা সম্ভাবনা আছে।’
মতিউর রহমান বলেন, ‘আমি মনে করি এখন পর্যন্ত বিএনপি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দল, এটা স্বীকৃত। আমাদের জরিপ যেটা আমরা করেছি। জরিপটা মোটামুটি সত্যের কাছাকাছি বা মানুষের চিন্তা জগতের কাছাকাছি, সেখানে বিএনপি কিন্তু বৃহত্তম দল হিসেবে এসেছে এবং নির্বাচনে অনেক বেশি ভোট পেয়ে তারা বিজয়ী হবে। আমরা বিশ্বাস করতে চাই, আপনারা ক্ষমতায় আসছেন। ক্ষমতায় আসবে যে দল, সে দলের নেতৃত্ব, কর্মী বাহিনীর সব কর্মকাণ্ডের মধ্যে বিনয়ী আচরণ, সৌজন্য, ভদ্রতা অনেক বেশি করে প্রতিফলিত হওয়া দরকার।’ প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের হামলা-অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সব রাজনৈতিক দল, শ্রেণি-পেশার মানুষ পাশে দাঁড়ানোর জন্য তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেন মতিউর রহমান।
ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম বলেন, ‘আপনারা প্লিজ মনে রাখবেন, বাংলাদেশের ৫৩ বছর বয়সে কোনো মিডিয়ার অফিসে আগুনে জ্বালানো হয় নাই। প্রথমবারের মতো প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারের অফিসে আগুন জ্বালাল। কেন? আমরা কি অপরাধ করলাম? আমি এটা অনুরোধ করব সমস্ত মিডিয়াকে, সত্যিকার অর্থে আপনারা এই প্রশ্নটা করবেন। তবে ভবিষ্যতের দিকে আমি তাকাতে চাই; আমার অনুরোধ থাকবে (বিএনপির কাছে), মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হচ্ছে প্রথম পদক্ষেপ (স্টেপ ওয়ান)। এটা রাজনীতির দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান হবে। মানে ক্রিটিক্যাল মতপ্রকাশের স্বাধীনতা। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে, কিন্তু আপনার আমি সমালোচনা করব, সেইটা স্বাধীনতা।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের ৫৩ বছরের রাজনীতিতে বড় অভিজ্ঞতা হলো, কোনো সরকার কোনোদিন ক্রিটিক্যাল জার্নালিজম এক্সেপ্ট করে নাই। আমি আশা করব, নতুন বাংলাদেশে এই ক্রিটিক্যাল জার্নালিজম আপনারা নেবেন। আমি বলব, ক্রিটিক্যাল নট অনলি ফর ফ্রিডম অব জার্নালিজম, ইট ইজ অ্যা চান্স ফর গুড গভর্ন্যান্স। আপনি স্বাধীন সাংবাদিকতাকে নারচার করবেন। অনুরোধ থাকবে, নতুন বাংলাদেশ আমরা চাচ্ছি, আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে যেটা ভবিষ্যৎ দেখছি সেখানে যেন ক্রিটিক্যাল জার্নালিজম, ইন্ডিপেন্ডেন্ট মিডিয়া থাকে।
মানবজমিন প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘আগামী দিনে চ্যালেঞ্জ যেটা আসছে, তা মোকাবিলা করতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ না হই, রাষ্ট্র বিপন্ন হয়ে যাবে। সেই রাষ্ট্রের যদি অস্তিত্ব বিপন্ন হয়ে যায়, তাহলে আমরা কেউই থাকব না।’
বর্তমান পরিস্থিতিকে অস্থির ও কঠিন সময় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশটা দুই ভাগে বিভক্ত। বিভাজনের মধ্যে কথা বলাও খুব কঠিন (ডিফিকাল্ট)। সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে গণমাধ্যমের সামনে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে এবং এই সময়ে দেশের সবচেয়ে বড় সংকট হয়ে উঠেছে নিরাপত্তা।’
সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াবের সভাপতি ও সমকালের প্রকাশক এ. কে. আজাদ বলেন, ‘দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না হলে সামনে ‘মহাবিপদ’ অপেক্ষা করছে। বিদেশিরা বাংলাদেশের নির্বাচনের দিকে উদগ্রীব হয়ে তাকিয়ে আছে। নির্বাচন কতটা সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়, তার ওপর দেশের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করবে।’
যুগান্তর সম্পাদক কবি আবদুল হাই শিকদার বলেন, ‘দেশ এখন একটা মৃত্যু উপত্যকা থেকে বের হতে চায়। সেজন্য একটা নেতৃত্ব দরকার। বাংলাদেশে নেতৃত্ব শূন্যতা প্রকট। তারেক রহমান আসছেন। ইনশাআল্লাহ স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের সংবাদপত্রের ওপর যা কিছু হয়েছে তার অবসান ঘটবে। সত্যিকারের সুন্দর, ভালো বাংলাদেশ আমরা পাবো।’
গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব কামাল আহমেদ বলেন, ‘কৌতুক করার অধিকার মানুষকে দিতে হবে। তারেক রহমানকে আমি প্রশংসা করি এই কারণে যে, তিনি একটি দিকে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, প্রথমে একটি কার্টুন শেয়ার করেছিলেন, নিজের ছবি নিয়ে কার্টুন; যেটা উনি শেয়ার করেছিলেন স্বৈরাচারের পতনের পর। ভবিষ্যতে যাতে আরও কার্টুন হয় এবং সেই কার্টুন হওয়ার কৌতুক করার সুযোগটা যাতে থাকে, আপনাদের মাঠ পর্যায়ের সমর্থকরা কিংবা মধ্যম সারি, নিম্ন সারির নেতারা যেন তেড়ে না আসেন, সেটাও আপনাদের তাদের শেখাতে হবে।’
কামাল আহমেদ বলেন, ‘নিরাপত্তা সংস্থার থেকে ফোন করে বলা হবে কোন টকশোতে কাকে ডাকা হবে, এই চর্চাটা যেন বন্ধ হয়। আশার কথা, ১৭ বছর বা ১৮ বছরের প্রবাসী জীবন থেকে বা নির্বাসিত জীবন থেকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেখেছেন, ব্রিটেনের গণতন্ত্র কেমন করে কাজ করে। সেটা তার খুব কাছে থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। সেখানে গণতন্ত্র কীভাবে কাজ করে, বিশেষ করে পত্রিকা, সেটাও তার দেখার সুযোগ হয়েছে। আমরা আশা করব, তিনি সেটা এখানে প্রয়োগের সুযোগটা করে দেবেন। আমরা সেটা চর্চা করতে চাই।’
মতবিনিময় সভায় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, বণিক বার্তা সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদ, ইউএনবি সম্পাদক মাহফুজুর রহমান, ইনকিলাব সম্পাদক এএমএম বাহাউদ্দিন, নয়া দিগন্তের নির্বাহী সম্পাদক মাসুমুর রহমান খলিলী, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক মনজুরুল ইসলাম, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের নির্বাহী পরিচালক জহিরুল আলম, যমুনা টিভির প্রধান নির্বাহী ফাহিম আহমেদ, বিবিসির জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি কাদির কল্লোল, এটিএন বাংলার পরিচালক (বার্তা) হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরন, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব কাজী জেসিন, আশরাফ কায়সার, আবদুন নূর তুষার, নিউজ টোয়েন্টিফোরের হেড অব নিউজ শরীফুল ইসলাম খান।
সম্পাদকদের মধ্যে নয়া দিগন্তের সালাহ উদ্দিন বাবর, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের শামসুল হক জাহিদ, খবরের কাগজের মোস্তফা কামাল, কালবেলার সন্তোষ শর্মা, দেশ রূপান্তরের কামাল উদ্দিন সবুজ, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) চেয়ারম্যান আনোয়ার আলদীন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহবুব মোর্শেদ, দ্য সানের রেজাউল করিম লোটাস, সমকালের শাহেদ মোহাম্মদ আলী, আমার দেশ-এর নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমেদ, জনকণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক খুরশীদ আলম, প্রতিদিনের বাংলাদেশের মারুফ কামাল খান, বাংলা নিউজের তৌহিদুর রহমান মিন্টু, ইটিভির আবদুস সালাম, ডিবিসির লোটন একরাম, বাংলা ভিশনের আবদুল হাই সিদ্দিকী, এসএ টিভির মাহমুদ আল ফয়সাল, এনটিভির ফখরুল ইসলাম কাঞ্চন, বৈশাখী টিভির জিয়াউল কবির সুমন, একাত্তর টিভির শফিক আহমেদ, ইন্ডিপেন্ডেন্টের মোস্তফা আকমল, মাছরাঙার রেজানুল হক রাজা, নাগরিক টিভির এরফানুল হক নাহিদ, জিটিভির গাউসুল আজম বিপু, এটিএন নিউজের শহীদুল আজম, দেশটিভির মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, এখন টিভির তুষার আবদুল্লাহ, নিউ এজের শহীদুজ্জামান, যুগান্তরের নির্বাহী সম্পাদক এনাম আবেদীন, আমাদের সময়ের নজরুল ইসলাম, স্টার নিউজের ওয়ালিউল মিরাজ, মোহনা টিভির এম এ মালেক, গ্রিন টিভির মাহমুদ হাসান, দীপ্ত টিভির এএম আকাশ, ঢাকা পোস্টের কামরুল ইসলাম, ঢাকা মেইলের হারুন জামিল, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক এমএ আজিজ, মহিউদ্দিন খান মোহন, জাহিদুর রহমান রনি, নিউজ টোয়েন্টিফোরের ডিএমডি গিয়াস উদ্দিন রিমন, শীর্ষ নিউজের একরামুল হকসহ বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সংবাদ সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান ইসমাইল জবিহউল্লাহ, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জিয়া উদ্দিন হায়দার, যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, কেন্দ্রীয় নেতা ড. মাহাদী আমীন, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আতিকুর রহমান রুমন, মীর হেলাল, অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, শাম্মী আখতার, শায়রুল কবীর খান, মাহমুদা হাবিবা, ফারজানা শারমিন পুতুল, শামসুদ্দিন দিদার, খালেদা জিয়া-তারেক রহমানের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এটিএম শামসুল ইসলাম প্রমুখ।