জামায়াত নেতৃত্বাধীন ৮ দল ও এনসিপির আসন সমঝোতার জোট প্রায় চূড়ান্ত। এখন চলছে সর্বশেষ হিসাব-নিকাশ। দ্রুতই এ বিষয়ে ঘোষণা আসছে বলে বলছে উভয় দলটির একাধিক সূত্র। জামায়াতের সঙ্গে আসন সমঝোতার বিরোধিতা করে ইতোমধ্যেই পদত্যাগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা। ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস দিয়েছেন আরও কয়েক নেত্রীও। তারাও যেকোনো সময় পদত্যাগ করবেন দলের একাধিক নেতা সূত্রে জানা যাচ্ছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলীয় জোটের সঙ্গে আসন সমঝোতা নিয়ে ইতোমধ্যে দলটির অভ্যন্তরে তীব্র মতবিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। জোট সমঝোতার বিরুদ্ধে দলের ৩০ নেতা দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে চিঠি দেওয়ার পরই, বিপরীত পক্ষ থেকে এবার ১৭০ এর বেশি নেতা জোটের পক্ষে সমর্থন দিয়ে আরেকটি চিঠি দিয়েছে।
জানা গেছে, জোটে আপত্তি জানিয়ে ৩০ নেতার চিঠির বিষয়টি গোপন রাখার কথা থাকলেও তা প্রকাশ পেলে দলের অভ্যন্তরে বিভক্তি তৈরি হয়। এই পরিস্থিতিতে জামায়াতের সঙ্গে জোটের পক্ষে অবস্থান নেওয়া নেতারা পাল্টা স্বাক্ষর সংগ্রহ করে চিঠি দেওয়া শুরু করেন।
জোটের পক্ষে সমর্থন দেওয়া নেতারা তাদের চিঠিতে আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, আপনার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রজ্ঞার মাধ্যমে এনসিপি একটি সময়োপযোগী, গ্রহণযোগ্য ও ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্তে উপনীত হবে, যা দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করবে এবং জনগণের আস্থা আরো সুদৃঢ় করবে। এ বিষয়ে আপনি প্রয়োজনীয় ও যথোপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।’
কেন্দ্রীয় এক যুগ্ম সদস্য সচিব বলেন, জামায়াতের সঙ্গে আসন সমঝোতার বিষয়ে যে ত্রিশ জন দ্বিমত পোষণ করেছেন, তার বাইরে যারা আছেন, সবাই সমঝোতার পক্ষে। আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটিতে মোট ২১৬ জন সদস্য রয়েছেন।
জোটের পক্ষে সমর্থন জানানো নেতাদের মধ্যে রয়েছেন সারোয়ার তুষার, ড. আতিক মুজাহিদ, আরিফুল ইসলাম আদীব, জাভেদ রাসীন, আরিফুর রহমান তুহিন, সাইফুল্লাহ হায়দার, আতাউল্লাহ, মাহমুদা মিতু, মাহিন সরকার, এহতেশাম হক, আশিকিন আলম, ডা. আবদুল আহাদ, সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, আলী নাসের খান, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ, দিলশানা পারুল, মাহবুব আলম, হাফসা জাহান, ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, জুবায়রুল হাসান আরিফ, ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনায়েদ ও কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস প্রমুখ।
এ জাতীয় আরো খবর..