

মির্জা আব্বাসের জয়ের চেয়ে হারার রেকর্ডই বেশি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ এবারের নির্বাচনে শাপলা কলি জয়ী হবে।
শনিবার (২ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
যাতে এই ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা না থাকে। ঢাকা-৮ আসনে জনগণের প্রতিনিধি যে হবে ১২ তারিখে সে রায়ে ইনশাআল্লাহ সবাইকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি শাপলা কলিকে বিজয় করার জন্য।
এখনো পরিস্থিতি যেটা দেখছি সেটাতে আমরা মনে করি নিরাপত্তার ঘাটতি রয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে আমরা ঝুঁকিতে রয়েছি। যারা আমাদের সঙ্গে কাজ করছেন তারাও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছেন। প্রশাসনের দিক থেকে যদি উনারা আরও অ্যাকটিভ হন আমরা আশা করি ঢাকা-৮ একটি সুষ্ঠু ইলেকশন করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, মির্জা আব্বাস জয়ের চেয়ে হারার রেকর্ড বেশি।
ইনশাআল্লাহ এবার শাপলা কলির জয় হবে। আমরা এটা বিশ্বাস রাখি, আশা রাখি। সবার উপরে বিশ্বাস রাখি। আর জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন জায়গায় তাদের প্রার্থী দিয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলনও দিয়েছেন। আমাদের আজকের একটি মিটিং রয়েছে কেন্দ্রীয়ভাবে। মনোনয়নের এই যাচাই বাছাইটা কাল পর্যন্ত চলবে, তো সেই ক্ষেত্রে পাঁচ তারিখ পর্যন্ত আমরা আশা করি এই বিষয়গুলো সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। তাদের যে মনোনয়ন ফর্মগুলা টিকবে, আমাদের যেগুলো টিকবে সেগুলো নিয়ে আমরা একটা সুন্দর যাত্রা করে সরকার গঠনের দিকে যেতে পারবো।
নাসীরুদ্দিন পাটওয়ারী বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান যে পরিস্থিতি রয়েছে নির্বাচন কমিশন ইলেকশনের তফসিল দেওয়ার পর নির্বাচন কমিশনকে বাংলাদেশে আর দেখতে পাচ্ছি না।
প্রধান ইলেকশন কমিশনার থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় বাংলাদেশের বড় ধরনের শোডাউন হচ্ছে পলিটিক্যাল পার্টিগুলোর। আমরা সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে আহ্বান জানাবো যদি আপনি দায়িত্ব পালনে কোথাও অপরাগতা দেখেন বা কোথাও থেকে প্রেসার ফিল করেন, জনগণের সামনে আসুন, জনগণকে চেহারা দেখান। এই যে দুইদিন যাচাই বাছাই প্রক্রিয়া চলতে, আমরা এই ধরনের নির্বাচন কমিশন থেকে একটি স্টেটমেন্ট দেখি নাই। গত এক সপ্তাহ যে বাংলাদেশে ছবির মহড়া হলো পোস্টারের মহড়া হলো সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো পদক্ষেপ আমরা দেখি নাই। বরং একজন কমিশনার নিজ থেকে আগ বাড়িয়ে কথা বলেছেন যে, নির্বাচন কমিশনের যে বিধিবিধান দিয়েছে সেগুলোর ভায়োলেশন হচ্ছে না। আমরা মনে করি, এই ধরনের দলকানা নির্বাচন কমিশনার তাদের লজ্জা শরম থাকা উচিত এবং অতি দ্রুত তাদের পদত্যাগ করা উচিত।