রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সারা দেশে নিরাপদ পর্যটন নিশ্চিতে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান পর্যটনমন্ত্রীর পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ, ডিএনসিসি প্রশাসক ও এমপির ওপর হামলার অভিযোগ সৌদি জোটে যোগদান ইরানকে আঘাত করা নয়: প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী মহাসড়কে দিনেদুপুরে বাসে ডাকাতি, গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩ রাজধানীতে পরিদর্শনে গিয়ে ‘হামলার শিকার’ ডিএনসিসি প্রশাসক ও এমপি গার্মেন্টস কর্মীকে হত্যা মামলায় প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড রিজেন্টের সাহেদকে এক বছরের সাজার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন , স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে সরকার

ট্রাম্পের হুমকির কাছে মাথা নত করবে না ইরান

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৭ বার

ইরানের অভ্যন্তরীণ বিক্ষোভ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সরাসরি হস্তক্ষেপের হুমকির কড়া জবাব দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। শনিবার এক ভাষণে তিনি বলেছেন, ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান কখনোই শত্রুর কাছে নতিস্বীকার করবে না।’ একই সঙ্গে তিনি বিক্ষোভের নামে সহিংসতা সৃষ্টিকারীদের ‘উপযুক্ত শিক্ষা’ দেওয়ার হুশিয়ারিও দিয়েছেন। খবর রয়টার্সের।

গত সপ্তাহের রবিবার থেকে ইরানি মুদ্রার চরম দরপতন ও আকাশছোঁয়া মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদে দেশজুড়ে যে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, তা এখন রাজনৈতিক রূপ নিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ জন নিহত হয়েছেন এবং গ্রেপ্তার করা হয়েছে দুই শতাধিক মানুষকে।

শুক্রবার নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যদি ইরান সরকার শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র তাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসবে। তিনি লেখেন, ‘সাঁজোয়া সজ্জায় প্রস্তুত এবং ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি।’

ট্রাম্পের এই বার্তার পর ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফ পাল্টা হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, যে কোনো মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের সব মার্কিন ঘাঁটি ইরানের বৈধ লক্ষ্যে পরিণত হবে।

খামেনি তার ভাষণে ব্যবসায়ীদের অর্থনৈতিক দুরবস্থার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা ঠিকই বলছেন, এই পরিস্থিতিতে ব্যবসা করা অসম্ভব। আমরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি, কিন্তু দাঙ্গাবাজদের সঙ্গে কোনো আপস হবে না। দাঙ্গাবাজদের কঠোরভাবে দমন করা হবে।’

ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে বিশেষ করে লরেস্তান ও কুর্দিস্তানে সংঘর্ষের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। ২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর এটিই ইরানের জন্য সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক হুমকি, অন্যদিকে সিরিয়ায় মিত্র বাশার আল আসাদের পতন এবং হিজবুল্লাহর ওপর ইসরায়েলি হামলা- সব মিলিয়ে তেহরান এখন কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন সময় পার করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com