

নির্বাচনের আর কয়েকদিন বাকী, ফলাফল ঘরে তুলতে প্রচারনার শেষ দিনগুলিতে বিরামহীনভাবে ভোটাদের দুয়ারে দুয়ারে যাচ্ছেন প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকরা। তারই ধারাবাহিকতায় তারেক রহমানের ২ আসনে ব্যাপক গনসংযোগে নেমেছেন নারী কর্মীরা।
ঢাকা ১৭ আসনে ধানের শীষে ভোট দিন, স্লোগান লেখা পোস্টার বাড়ি বাড়ি গিয়ে দারোয়ান, রিকশাওয়ালা, মুদি দোকানির হাতে তুলে দিচ্ছেন বীথিকা বিনতে হোসাইন ও ঢাবি শিক্ষার্থী অবন্তি খান। বিএনপি মিডিয়া সেলে প্রকাশ করা হচ্ছে সেসব ছবি। এর আগে এখানে তারেক রহমানের হয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় লিফলেট বিতরণ করতে দেখা গেছে তারেক রহমানের ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শর্মিলা রহমান সিথীকে।
এবারের নির্বাচনে জামায়তে ইসলামির নারী কর্মীদের তরফে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়া এবং অনেক ক্ষেত্রে ভোটারের আইডি কার্ড সগর করা, মোবাইল নম্বর নথিবদ্ধ করা এমনকি মৃত ভোটারের এনআইডি সংগ্রহ করার বিস্তর অভিযোগ আছে, যেটাকেই আবার নির্বাচনে নারী ভোট টানতে বড় গেম চেঞ্জার বলে অবহিত করছেন অনেকেই।
ঢাকা-১৭ আসন যেটি গুলশান (ডিএনসিসি ওয়ার্ড ১৮-২০), ক্যান্টনমেন্ট (ডিএনসিসি ওয়ার্ড ১৫) উপজেলা নিয়ে গঠিত। এখানে মোট ভোটার ৩ লাখ ৩৩,৭৭৭ যার মধ্যে ১ লাখ ৫৯,০৬০ জন নারী ভোটার, বাকি ১ লাখ ৭৪,৭০৯ জন পুরুষ ভোটার।
এ আসনে তারেক রহমানের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে স. ম. খালিদুজ্জামান বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তরের নায়েবে আমির। পেশায় একজন চিকিৎসক ও এমবিবিএস ডিগ্রিধারী খালিদুজ্জামান বর্তমানে বনানীর বাসিন্দা। রাজনৈতিকভাবে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে দীর্ঘকাল সম্পৃক্ত থাকলেও সংসদ নির্বাচনে এটিই তার প্রথম অংশগ্রহণ।
তারেক রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) বর্তমান চেয়ারম্যান। তিনি সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ পুত্র। তার রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৮৮ সালে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা বিএনপির সদস্য হওয়ার মাধ্যমে।২০২৬ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি ঢাকা ছাড়াও তার নিজের পিতৃভিটা বগুড়া সদর থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী বগুড়ার জেলা জামায়াতের সাবেক আমির এবং বর্তমানে জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতা মো. আবিদুর রহমান। এই আসনে , মোট ৪,৫৪,০৪৩ ভোটার যার মধ্যে পুরুষ ২,২২,৭৯৬ জন এবং নারী ভোটার ২,৩১,২৩৭। এসব ভোটারদের মন জয় করতেই ভোট প্রচারণায় সর্ব হচ্ছে বিএনপি নারী কর্মীরা।