

নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনে বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ মোট ১ হাজার অতিথি উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। আজ শনিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, জাতীয় সংসদের যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। আইন অনুযায়ী, তিন দিনের মধ্যে তাদের শপথগ্রহণ হয়, সংসদ সদস্য হিসেবে। এই তিন দিন সময় আগামীকাল থেকে শুরু করে… পরশু… আজকে ১৪… ১৫, ১৬ বা ১৭ পর্যন্ত আমরা ধরতে পারি, কারণ কর্মদিবস আগামীকাল থেকে। এই ১৭ তারিখের মধ্যে তাদের শপথগ্রহণ হবে।
তিনি বলেন, এই শপথগ্রহণের পরে নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল তাদের নিজস্ব সংসদ সদস্যদের নেতা নির্বাচন করবেন এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের নেতা হিসেবে যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে তার এই ঘটনাটি জানিয়ে দেবেন যে, তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের নেতা। রাষ্ট্রপতি তখন তাকে নিয়ম অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী পদে নিয়োগের জন্য অফার করবেন বা নিয়োগ দান করবেন। এরপরে একটা সুবিধাজনক সময় নির্ধারণ করে সে সময় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা আশা করছি তিন দিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে শপথ হয়ে যাবে। ’
শপথের জন্য প্রস্তুতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রস্তুতি আছে, আবার যদি বলা হয়, না আমরা ওই তিন দিন পর হবে সেটারও প্রস্তুতি আছে।’
সংসদ সদস্যদের শপথ কে পড়াবেন তার কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না, জানতে চাইলে শেখ আব্দুর রশীদ বলেন, ‘এটা দেখেন সংসদ সচিবালয়।’ আপনি জানতে পেরেছেন কী এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি যেটা জানতে পেরেছি ইনফরমাল, সেজন্য এটা আমি বলতে চাইছি না। এখানে নানান রকমের অপশন আছে, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার বা তাদের মনোনীত কেউ দিতে পারেন। তারা যদি কোনো মনোনয়ন না দিতে পারেন, তাহলে সরকার থেকে আর কাউকে মনোনয়নের ব্যবস্থা করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি অথবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার তিনিও এই শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারেন বা শপথ পাঠ করাতে পারেন।’
মন্ত্রিসভার সদস্যদের কে শপথ পাঠ করাবেন জানতে চাইলে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পড়ান, তিনিই মন্ত্রিপরিষদের শপথ পড়াবেন।’