বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৯ অপরাহ্ন

কিসের দেশ, নিজেরটা আগে

বিডি ডেইলি অনলাইন ডেস্ক :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪ বার
প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্দোলনের নেতাদের ডাকে সাড়া দেন ‘মুরুব্বি’ প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ‘দেশ উদ্ধারের স্বার্থে’র কথা বলে অন্তর্বর্তী সরকারের হাল ধরেন তিনি। সে সময় তাঁকে ঘিরে আশার বীজ বুনেছিল জাতি। অনেকেই বিশ্বাস করেছিলেন-তাঁর ‘জাদুর ছোঁয়ায়’ বিশ্বের দুয়ারে আরো উজ্জ্বল হবে বাংলাদেশের মুখ, বাড়বে মানুষের মর্যাদা, খুলে যাবে দীর্ঘদিনের অবরুদ্ধ সম্ভাবনার দুয়ার।

কিন্তু ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগ পর্যন্ত প্রায় দেড় বছরে জনগণের স্বপ্ন কতটা পূরণ করতে পেরেছেন নোবেলজয়ী? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই অনুসন্ধানে নামে কালের কণ্ঠ। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দেশের বারোটা বাজলেও কীভাবে নিজের স্বার্থ ষোলআনা হাসিল করেছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী।

ষোলআনার অন্যতম হলো গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়। সদ্যবিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দেড় বছরের মেয়াদে দেশে এই একটিমাত্র বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়টি গ্রামীণ ট্রাস্টের একটি উদ্যোগ। আর এই গ্রামীণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আগে থেকে ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন বছর বছর ধরে ঝুলে থাকলেও গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় আবেদন করার ৩ মাসের মধ্যেই পেয়ে যায় অনুমোদন। এই রকেট গতি এখন আর কারো কাছে বিস্ময় নয়; কারণ, ওই সময়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ছিলেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নিজের ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আরো অনেক সুবিধা আদায় করে নিয়েছেন ড. ইউনূস। বিশেষ করে গ্রামীণ ব্যাংককে ৫ বছরের জন্য আয়কর অব্যাহতি দেন, যাতে সরকার অন্তত এক হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হবে। গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের এক হাজার ৪৩ কোটি টাকা ফাঁকির পাশাপাশি ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকূফের মতো ব্যাপক সুবিধাও নিয়েছেন তিনি।

শুধু তাই নয়, ক্ষমতার চেয়ারে বসে গুণে গুণে সাতটি মামলা থেকে মুক্তি দিয়েছেন নিজেকে, যার মধ্যে আলোচিত দুর্নীতি মামলাও রয়েছে। এর পাশাপাশি অস্বাভাবিক দ্রুততায় বাগিয়ে নিয়েছেন রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স।

সমাধান করে ফেলেছেন ‘সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড’ নামক ই-ওয়ালেটের লাইসেন্স না পাওয়ার জটিলতারও। এর সবই ঘটে তাঁর ক্ষমতা গ্রহণের পর।জানা গেছে, এই প্রতিষ্ঠানগুলো ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ট্রাষ্টের অধীনে পরিচালিত। আইনগত বাধ্যবাধকতার কারণে প্রধান উপদেষ্টার শপথ গ্রহণের আগে প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সরে দাঁড়ালেও দায়িত্ব ছাড়ার পর আবার সেসব প্রতিষ্ঠানে সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। ফলে ক্ষমতার আলোয় আসার সঙ্গে সঙ্গে এই সুবিধাগুলো নেওয়ার মধ্য দিয়ে কার্যত তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলেই মত দিয়েছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।

জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করবেন, তাদের সঙ্গে যাতে জনগণ, দেশের স্বার্থের সংঘাত না ঘটে সে জন্য শপথ নিতে হয়। শুধু সরকার না, সরকারি অনেক পদে বসার শর্তই থাকে যে, কোনো লাভজনক পদে থাকলে তা ছেড়ে দিতে হবে।

মনজিল মোরসেদ আরো বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদে ছিলেন। সেখানে বসে তিনি তাঁর স্বার্থে যেসব কর্মকাণ্ড করেছেন, সেগুলো নিয়ে রাজনৈতিকভাবে বেশ সমালোচনা হয়েছে, এখনো হচ্ছে। উনি ব্যক্তিগত স্বার্থে এই পদকে (প্রধান উপদেষ্টা) ব্যবহার করেছেন। শুধু তাই না, কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টে তিনি দায়ী হয়ে গেছেন। এর মধ্য দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে

তিনি শপথ ভঙ্গ করেছেন। আর সবকিছু মিলে তিনি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।’

পাঁচ কোটির আইনে দেড় কোটির বৃদ্ধাঙ্গুলি : 
গ্রামীণ ট্রাস্টের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত ‘গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়’ মাত্র তিন মাসের মধ্যে অনুমোদন পায়—যেখানে দেশে আগে থেকেই আবেদন করা অন্তত ২২টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বছরের পর বছর ধরে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। এই দ্রুত অনুমোদন নিয়ে শুরু থেকেই প্রশ্ন উঠেছে।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য কমপক্ষে ৫ কোটি টাকা সংরক্ষিত তহবিল থাকার কথা। কিন্তু গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদনপত্রে দেড় কোটি টাকার শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে, যা আইনের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদের কেউই স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি—কেউ দায়িত্বে না থাকার কথা বলেছেন, আবার কেউ বিষয়টি মনে নেই বলে এড়িয়ে গেছেন। অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, তারা সরকারি নির্দেশনা মেনেই প্রয়োজনীয় অর্থ জমা দিয়েছে এবং এটি একটি সামাজিক উদ্যোগ, লাভের উদ্দেশ্যে নয়।
সাধারণত দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক দ্রুততা, আইনি শর্তে বিভ্রান্তি এবং অন্যান্য আবেদন ঝুলে থাকার প্রেক্ষাপটে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ক্ষমতার গরমে রাজস্ব উধাও :

২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর জারি করা গেজেট অনুযায়ী গ্রামীণ ব্যাংককে ২০২৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫ বছরের জন্য আয়কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ফলে এই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির সব ধরনের আয় করমুক্ত থাকবে। পূর্ববর্তী কর তথ্য অনুযায়ী, বছরে গড়ে প্রায় ২০০ কোটি টাকা কর দিত গ্রামীণ ব্যাংক। সেই হিসাবে আগামী পাঁচ বছরে সরকারের রাজস্ব ক্ষতি অন্তত ১ হাজার কোটি টাকার বেশি হতে পারে—যা বড় রাজস্ব ঘাটতির সময়ে বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর-জিডিপি অনুপাত কম থাকা অবস্থায় এমন অব্যাহতি পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। এছাড়া আইএমএফের শর্ত ছিল কর অব্যাহতি কমানো, কিন্তু বাস্তবে নতুন করে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। পরে আইন পরিবর্তন করে বলা হয়, ভবিষ্যতে কর অব্যাহতির জন্য সংসদের অনুমোদন লাগবে—তবে গ্রামীণ ব্যাংক এই সুবিধা পেয়েছে তার আগেই।

অন্যদিকে, গ্রামীণ ডিস্ট্রিবিউশন ভ্যাট সুবিধা পেলেও শর্ত অনুযায়ী উৎপাদন না করে আমদানিনির্ভর থেকেছে—এ নিয়ে তদন্তে অসঙ্গতি ধরা পড়লেও কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যায়নি।

এছাড়া গ্রামীণ কল্যাণ ট্রাস্টের বিরুদ্ধে প্রায় ১,০৪৩ কোটি টাকার কর ফাঁকির অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে মামলা এখনও চলমান। একই সঙ্গে ঋণের সুদকে লভ্যাংশ হিসেবে দেখিয়ে কম কর দেওয়ার ঘটনায় ৬৬৬ কোটি টাকার কর নির্ধারণ হলেও পরবর্তীতে আদালতের রায়ে তা বাতিল হয়ে যায়।

সব মিলিয়ে কর অব্যাহতি, শর্ত লঙ্ঘন ও কর সংক্রান্ত বিরোধকে ঘিরে গ্রামীণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে আর্থিক স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত সুবিধা প্রদান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

সাত মামলা নিষ্পত্তিসহ আরো সুবিধা আদায় :

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সুবিধা পেয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা অন্তত ৭টি মামলা থেকে অব্যাহতি, ই-ওয়ালেট লাইসেন্স অনুমোদন এবং জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স প্রাপ্তি—যেগুলো অস্বাভাবিক দ্রুততায় সম্পন্ন হয়েছে বলে অভিযোগ।

গ্রামীণ এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস লিমিটেড ১৬ বছর ঝুলে থাকার পর ২০২৫ সালে জনশক্তি রপ্তানির লাইসেন্স ও বায়রার সদস্যপদ পায়। একইভাবে, দীর্ঘদিন আটকে থাকা ‘সমাধান সার্ভিসেস লিমিটেড’ মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ই-ওয়ালেট লাইসেন্স পায়। এসব প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ট্রাস্টের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

অন্যদিকে, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে দায়ের করা মামলাগুলো রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দ্রুত নিষ্পত্তি বা প্রত্যাহার হয়ে যায়। এর মধ্যে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় সাজা বাতিল এবং দুদকের অর্থ আত্মসাতের মামলা প্রত্যাহার উল্লেখযোগ্য।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে থেকে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সুবিধা আদায় করা স্বার্থের সংঘাত তৈরি করে এবং এটি শপথের পরিপন্থী হতে পারে। যদিও সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, সব প্রক্রিয়া আইন মেনেই সম্পন্ন হয়েছে।

সব মিলিয়ে, ক্ষমতায় থাকার সময় দ্রুত লাইসেন্স অনুমোদন, মামলা নিষ্পত্তি এবং নীতিগত সুবিধা প্রাপ্তির ঘটনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অন্তর্বর্তী আমলে দেশে শনির দশা :

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় ১৮ মাসে দেশে আইনশৃঙ্খলা, অর্থনীতি, বিনিয়োগ ও জনজীবনে বড় ধরনের অবনতি ঘটে। লেখকের ভাষ্য অনুযায়ী, এ সময়ে মব সন্ত্রাস, রাজনৈতিক সহিংসতা, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট বেড়ে যায়; একই সঙ্গে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনাও উদ্বেগজনক মাত্রায় পৌঁছায়।

খেলাপি ঋণ, বৈদেশিক ঋণ, সুদের হার ও বিনিয়োগ-স্থবিরতা বেড়েছে। বহু কারখানা বন্ধ হয়ে শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি হয়েছে, আর উচ্চ মূল্যস্ফীতি সাধারণ মানুষের জীবনকে আরও কঠিন করেছে।

বড় উন্নয়ন প্রকল্পগুলো থমকে যায়, বিদেশি চুক্তিগুলো বিতর্ক তৈরি করে এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি। সব মিলিয়ে লেখাটির বক্তব্য হলো, অন্তর্বর্তী সময়টি দেশে স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক গতি ও জননিরাপত্তা—সব ক্ষেত্রেই নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

সবগুলো কাজ বেআইনি :

সুপ্রিম কোর্টের দুজর জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে স্বার্থের সংঘাত ও সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে মতামত দিয়েছেন। তাঁদের মতে, রাষ্ট্রীয় পদে থেকে কোনো ব্যক্তি নিজের বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য সুবিধা নেওয়া শপথের পরিপন্থী এবং ক্ষমতার অপব্যবহার।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ব্যক্তিগত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া “কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট” তৈরি করে এবং তা শপথ ভঙ্গের শামিল। তিনি এসব কার্যক্রমকে বেআইনি দাবি করে সেগুলো বাতিল এবং প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

অন্যদিকে, আইনজীবী ড. শাহদীন মালিক বলেন, সংবিধানের ১৪৭ ধারা অনুযায়ী সাংবিধানিক পদে থেকে লাভজনক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া নিষিদ্ধ। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো সুবিধা পাওয়ার ঘটনায় সেই বিধান লঙ্ঘনের প্রশ্ন উঠেছে।

সব মিলিয়ে, আইন বিশেষজ্ঞদের মতে এসব কর্মকাণ্ডে নৈতিকতা, জবাবদিহি ও সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..
© All rights reserved © 2019 bangladeshdailyonline.com
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com