

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় পুরো শহরজুড়ে জরুরি দুর্যোগ পরিস্থিতি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে ৩০০ মিলিমিটারের (১২ ইঞ্চি) বেশি বৃষ্টিপাতের পর শহরের বিভিন্ন সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। খবর বিবিসির।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ব্যাংকক মেট্রোপলিটন অথরিটি জানিয়েছে, বৃষ্টি কিছুটা কমেছে। তবে শহরের খালগুলোর পানির স্তর এখনো অনেক উঁচু। ব্যাংককের গভর্নরও সতর্ক করে বলেছেন, বন্যা পরিস্থিতির এখনো অবসান হয়নি।
অনেক শহরবাসীর দাবি, শহরের বর্তমান পরিস্থিতি ২০১১ সালের বন্যার চেয়েও ভয়াবহ বলে মনে হচ্ছে। ওই বছর দেশজুড়ে ভয়াবহ বন্যায় ব্যাংককও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ২০১১ সালের সেই দুর্যোগ প্রায় তিন মাস স্থায়ী হয়েছিল এবং পুরো থাইল্যান্ডে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তবে এবারের বন্যায় এখন পর্যন্ত ব্যাংককে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
থাই আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহজুড়ে আরও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টির জন্য দায়ী নিম্নচাপটি মধ্য থাইল্যান্ডের দিকে সরে যাওয়ার কথা রয়েছে। ব্যাংককের ৫০টি জেলার সবকটিকেই জরুরি পরিস্থিতির আওতাভুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ব্যাংককের গভর্নর চাদচার্ট সিত্তিপুন জানান, শহরের পূর্বাঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘বৃষ্টি এখনো হচ্ছে এবং আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। পানি পাম্প করে সরানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু খালগুলো পানিতে পূর্ণ… সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছেন খালের আশপাশে বসবাসকারী মানুষ। এখন প্রতিটি খালই পানিতে পরিপূর্ণ।’