সুদহার কমিয়ে ও নানা কড়াকড়ির পর নিরাপদ বিনিয়োগের ক্ষেত্র সঞ্চয়পত্র থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে মানুষ। ফলে প্রতিমাসে কমে যাচ্ছে নিট বিক্রির পরিমাণ। জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের নভেম্বরে
শীর্ষ খেলাপিদের কাছে এক রকম জিম্মি হয়ে আছে রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংক। এসব ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণের প্রায় অর্ধেক আটকে আছে শীর্ষ ২০ খেলাপি গ্রাহকের কাছে। আটকে থাকা অর্থের পরিমাণ ২১
দেশের পুঁজিবাজারে গেলো সপ্তাহে সূচকের ইতিবাচক ধারায় লেনদেন শেষ হয়েছে। আলোচ্য সময়ে দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বাজার মূলধন বেড়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকা। তবে কমেছে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর। শনিবার (১৫
টাকার তুলনায় ডলারের মান বেশি বাড়ার আশঙ্কা নেই বলেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, রফতানি ও আমদানি বাড়ছে। আমদানির জন্য প্রয়োজন অর্থায়ন। ডলারের বাজার তাই ওঠানামা করবেই।
আবার অস্থিরতা দেখা দিয়েছে ডলারের বাজারে। প্রায় দুই মাস স্থির থাকার পর আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে একদিনের ব্যবধানে ডলারের দাম বেড়ে গেছে প্রায় ২০ পয়সা। গতকাল আন্তঃব্যাংকে ডলারের দাম ওঠে ৮৬ টাকায়।
আর্থিক খাতে করোনার সংক্রমণে সৃষ্ট টানাপড়েনের মধ্যে চলতি বাজেট কাটছাঁট হচ্ছে। এরমধ্যে কমপক্ষে ১০ হাজার কোটি টাকা কাটছাঁটের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ব্যয়ে। সাশ্রয় হওয়া এ অর্থ ব্যয়
যেকোনো ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলতে গেলে গ্রাহককে ৮ থেকে ১০ পাতার একটি ফরমে ডজন খানেকের বেশি স্বাক্ষর করতে হয়। কিন্তু বেশির ভাগ গ্রাহক কখনো ওই ফরমে কী লেখা রয়েছে, হিসাব পরিচালনার
ব্যাংকিং সেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে নানা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। নেওয়া হচ্ছে নানা কর্মসূচি। ইতোমধ্যে অনলাইনে ব্যাংক হিসাব খোলা, সিএমএসএমইতে অর্থায়ন, জামানত গ্রহণের নীতিমালা সহজীকরণ, নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ বিতরণে বিকল্প
করোনা পরিস্থিতির উন্নতিতে বৈদেশিক ব্যবসা বৃদ্ধি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ ছাড়ে এবার পরিচালন মুনাফায় চমক দেখিয়েছে দেশের ব্যাংক খাত। করোনার কারণে ২০২০ সালে অধিকাংশ ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা কমলেও সদ্য বিদায়ী
করোনা সংকট কাটিয়ে উঠে স্বস্তিদায়ক জায়গায় পৌঁছেছে দেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখা রপ্তানি খাত। বছরজুড়েই সন্তোষজনকভাবে এগিয়েছে রপ্তানি আয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসেই