সোমবার নিউইয়র্কের এক বাংলাদেশি নারী জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছিলেন না। উচ্চমাত্রার ডায়াবেটিকসে আক্রান্ত ওই নারী কোনো ভাবেই তার ব্যক্তিগত চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি। জানা যায়, তার পিসিপি (প্রাইমারি কেয়ার ফিজিশিয়ান)
যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্ত হয়ে নিশাত আফছা চৌধুরী (২৮) নামের এক বাংলাদেশি নারীর মৃত্যু হয়েছে । তার শ্বশুরবাড়ি মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নে। সোমবার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টায় যুক্তরাষ্ট্রের কুইন্স হাসপাতালে
বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস আধুনিক চিকিৎসার জন্য সুপরিচিত শহরগুলোকে একটা একটা করে বিধ্বস্ত করছে। হাঁটু গেঁড়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কও। বিশ্বের সবথেকে বেশি করোনা আক্রান্ত এখন যুক্তরাষ্ট্রে। তার অর্ধেকের
বিশ্বের ৯টি দেশে মোট ৫৩ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে করোনাভাইরাসে। যুক্তরাষ্ট্রে ৩০: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে সোমবার পর্যন্ত (৩০ মার্চ) ৩০ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বেশিরভাগই নিউইয়র্কে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে মারা গেছেন পাঁচশ ৪০ জন। দেশটিতে করোনা রোগী শনাক্তের পর গতকালই সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ মারা গেল। এতে করে করোনা আক্রান্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের
করোনা ভাইরাসে বিপর্যস্তের তালিকায় প্রথমে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইতোমধ্যেই দেশটিতে আক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক হাসপাতালের বাইরে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ট্রাকে মরদেহ তোলার একটি ভিডিও নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে দেশটিতে।
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো এক বাংলাদেশীর মৃত্যু হয়েছে। তার নাম নিশাত চৌধুরী (২৪)। তিনি স্থানীয় সাংবাদিক আফাজুর রহমান চৌধুরী ফাহাদের স্ত্রী। গ্রামের বাড়ি মেীলভীবাজারের কুলাউড়ার করেরগামে। সোমবার স্থানীয়
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত আট বাংলাদেশির মুত্যু হয়েছে। এ নিয়ে করোনায় নিউইয়র্কে ২১ বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৮ মার্চ মৃত্যু হয়েছে কায়কোবাদ,
১ লাখ ২৪ হাজার করোনাভাইরাস রোগী নিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা এখন যুক্তরাষ্ট্রে। এর মধ্যে দেশটির প্রায় সাড়ে ৫৩ হাজার আক্রান্ত মানুষ রয়েছে কেবল নিউ ইয়র্ক শহরেই।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে একটি শিশু মারা গেছে। ইলিনয় অঙ্গরাজ্যের কর্মকর্তারা শনিবার এ কথা জানিয়েছে। বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া এই মহামারীতে শিশু মারা যাওয়ার এ বিষয়টিকে খুবই উদ্বেগজনক ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা