শাব্দিক অর্থে জাকাতের অনেক অর্থের মধ্যে পবিত্রতা ও ক্রমবৃদ্ধি অন্যতম। পারিভাষিক অর্থে জাকাত হলো- ধনীদের ধন-মাল থেকে আল্লাহর নির্ধারিত হারে উপযুক্ত ব্যক্তিকে প্রদান করা। আল্লাহ বলেন, ‘…এবং তোমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির
কারাগার প্রতিষ্ঠার সময় একে সংশোধনাগার হিসেবে দাঁড় করানোর প্রয়াস ছিল। সে লক্ষ্য মাথায় রেখে কোড অব কন্ডাক্ট তৈরি করা হয়। অপরাধীদের সংশোধন করার জন্য মাত্রানুযায়ী বিভিন্ন মেয়াদে কারাগারে রেখে, কিছু
মাহে রমজান, সিয়াম সাধনা ও কিয়াম অনুশীলনের সর্বশ্রেষ্ঠ মাস। এ মাস কেবল উপবাস ব্রত বা সংযমের নয়; বরং এ মাস আত্মসংশোধনেরও। এ মাস সহমর্মিতার, সহযোগিতার। এ মাস আল্লাহর ধ্যানের, এ
‘একদা একটি মেষশাবক ঝরনায় পানি পান করছিল। ঝরনার অপর প্রান্তে একটি নেকড়ে বাঘও পানি পান করছিল। মেষশাবকটি দেখতে বেশ নাদুসনুদুস। এ দেখে নেকড়ে বাঘের লোভ হলো। সে মেষশাবককে খাদ্য হিসেবে
ডলার সঙ্কটে আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে না পারায় বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে দ্বারস্থ হয় ব্যাংকগুলো। কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার রিজার্ভ থেকে সঙ্কটে পড়া ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করে থাকে। রিজার্ভের ওপর চাপ
রমজান মুসলিম উম্মাহর দরবারে সংযম, আত্মত্যাগ, আত্মশুদ্ধির বার্তা বয়ে আনে। সারা দিনের সাওম পালন শেষে সূর্যাস্তের আগে ইফতার নিয়ে অপেক্ষমাণ মু’মিন বান্দা আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ আনুগত্যের বলিষ্ঠ দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
কথায় বলে, হুজুগে বাঙালি। সামনে যা পায় তা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়ে। সংবাদের শিরোনাম হিসেবে কখনো আসে ‘হিরো আলম’ কখনো বা আরাভ খানরা। বাংলাদেশের যেকোনো সংবাদ মাধ্যম তো আছেই উপরন্তু
পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের পর নফল সালাতের মধ্যে সর্বোত্তম মর্যাদাপূর্ণ এবং বরকতময় সালাত হলো সালাতুত তাহাজ্জুদ। মাহে রমজানে সালাতুত তাহাজ্জুদের সাওয়াব এবং ফজিলত অন্যান্য মাসের নফল সালাতের চেয়ে বহুগুণ বেশি এবং
রমজানুল মোবারক হিজরি বর্ষের নবম মাস। এ মাসের মর্যাদা ও মাহাত্ম্য অপরিসীম। এ মাসে বৃষ্টির মতো বর্ষিত হয় প্রভুর রহমধারা। মাগফিরাতের বন্যায় ভেসে যায় গুনাহের আবর্জনা। মুক্তি মেলে জাহান্নামের কঠিন
আমরা যদি আত্মসমালোচনাপূর্বক নিজেদের প্রশ্ন করি, প্রকৃত অর্থেই আমাদের মূল্যবোধ, শিষ্টাচার- সৌজন্য, আচার-আচরণ, চিন্তাচেতনা ও আদর্শিক দিক দিয়ে সজাগ-সচেতনভাবে পবিত্র রমজান মাসকে রহমত, বরকত ও মাগফিরাত অর্জনের লক্ষ্যে আমরা কি