ইরান হরমুজ প্রণালি দ্রুত খুলে দেওয়ার জন্য ওয়াশিংটনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি, তেহরান বর্তমানে ‘ভেঙে পড়ার অবস্থায়’ রয়েছে এবং নেতৃত্ব সংকট মোকাবিলার
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চলমান শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় পড়েছে। কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ পাল্টাপাল্টি প্রয়োগের কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠছে। এরই মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘২ দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধ করতে ইরান যদি আলোচনা করতে চায়, তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।’ রোববার (২৬ এপ্রিল) ফক্স নিউজের ‘দ্য
বর্তমান আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সুফল পাচ্ছে ইরান। আন্তর্জাতিক নানা নিষেধাজ্ঞা ও প্রতিকূলতা সত্ত্বেও গত কয়েক মাসে দেশটি তেল রপ্তানি থেকে আয়ের ক্ষেত্রে বড় ধরনের
যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিতে নৈশভোজের সময় ‘গুলির ঘটনায়’ সন্দেহভাজন এক বন্দুকধারীকে আটক করা হয়েছে। আটকের পর সেই বন্দুকধারীর পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড
ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন রাজনীতির ইতিহাসে তিনি যেমন আলোচিত, তেমনি বারবার হয়েছেন প্রাণঘাতী হামলার লক্ষ্যবস্তু। সর্বশেষ শনিবার ওয়াশিংটন ডিসিতে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের বার্ষিক নৈশভোজ চলাকালীন এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার জন্য পাকিস্তানে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।এদিকে গতকাল শুক্রবারইপাকিস্তানে পৌঁছেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির নেতৃত্বে ইরানের প্রতিনিধিদল। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় যেকোনোও হামলার জবাবে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, ‘দেশটি ঐক্যবদ্ধ এবং কোনো আগ্রাসনের জবাব শক্তভাবে দেওয়া হবে।’ তিনি
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও তিন সপ্তাহ বাড়ানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘোষণা দিয়েছেন। ওয়াশিংটনে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে সাম্প্রতিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন হরমুজ প্রণালির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে। ইরান কোনো চুক্তিতে না আসা পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি ‘কঠোরভাবে অবরুদ্ধ’ (সিলড আপ টাইট) রাখা হবে। ট্রাম্প