এক্সিকিউটিভ ব্রাঞ্চ এবং স্বাধীন-দল নিরপেক্ষ কয়েকটি সংস্থায় ৪ হাজার পদে রাজনৈতিক নিয়োগ দেবে বাইডেন-কমলা প্রশাসন। নতুন প্রশাসনের দ্বারা এসব পদ পূরণ করার এটি প্রচলিত রীতি। এর মধ্যে ১২শ ৫০ জনের
আমেরিকার ৪১ জন সাবেক কূটনীতিক ও সেনা কর্মকর্তা তাদের দেশকে ইরানের পরমাণু সমঝোতায় ফিরিয়ে আনার জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে চিঠি দিয়েছেন। তারা তাদের চিঠিতে বলেছেন, আমেরিকাকে অবিলম্বে ইরানের পরমাণু
ব্রিটেনেই প্রথম দেশ যেখানে করোনার মিউটেশনের পর মারাত্মক সংক্রামক আকার নেয় ভাইরাসটি। কিন্তু এবার এর সুরাহা খুঁজে পেল ব্রিটেনই। অক্সফোর্ডের গবেষকরা যারা এই ChAdOx1-nCoV19 ভ্যাকসিনটি বানিয়েছে তারা জানান যে এই
যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটে অভিশংসনের বিচার প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার আইনজীবী এ কথা জানিয়েছে। খবর সিএনএন। খবরে বলা হয়, কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের
বেলফাস্টে মুখোশধারী লোকদের ‘টহল’ দেয়া এবং ইইউ বিরোধী গ্রাফিতি দেয়াল লেখা পুরো প্রদেশে ছেয়ে গেছে। লয়েলিস্ট গ্রুপ বা অনুগতপন্থীরা বৃটেনের পণ্য চেক করার জন্য বন্দর কর্মীদের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ
ইরানের যে অর্থ দক্ষিণ কোরিয়ায় আটকা পড়েছে তা ছাড়ের ব্যাপারে আমেরিকার সাথে আলোচনা চূড়ান্ত করছে সিউল। দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে দেশটির বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ গতকাল বুধবার
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন হোয়াইট হাউসের ক্ষমতার ব্যবহার এবং কংগ্রেসের সমর্থন ছাড়াই তার পূর্বসূরীর অভিবাসন নীতি বাতিল করার আদেশে দ্বিতীয় দফায় সই করেছেন। এ আদেশের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসার প্রথম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সবসময়ই গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়াবে যেখানেই তা হামলার মুখোমুখি পড়বে।’ মিয়ানমারের সেনা অভ্যুত্থান ও দেশটির স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচির গ্রেফতারির পরিপ্রেক্ষিতে এক বিবৃতিতে এই
মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থানের ঘটনায় দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ নিষেধাজ্ঞা আরোপের হুমকি দেন বলে আজ মঙ্গলবার বিবিসির এক
সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিশংসনে দণ্ডিত করা না গেলে এর বিকল্প নিয়ে ভাবছেন ডেমোক্রেট আইনপ্রণেতারা। আর এক্ষেত্রে সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীকে ব্যবহার করার চিন্তা ভাবনা চলছে। ডেমোক্রেটের পক্ষে এনিয়ে রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের সাথে