অদৃশ্য বিশ্বাসের কথা শুনলে নাস্তিকরা সর্বদা ঠাট্টাবিদ্রুপ করে থাকে। আল্লাহ, ফেরেশতা, ওহি, নবী-রাসূল, আখিরাত, কিয়ামত, জান্নাত-জাহান্নাম, তাকদির ইত্যাদির কথা বলা হলে তারা কেবল ঠাট্টাবিদ্রুপ করে উড়িয়ে-ই দেয় না; বরং কু-মতলবে
বান্দাহ আল্লাহ তায়ালার অনুগ্রহের কথা স্মরণ করে তার শুকরিয়া তথা প্রশংসা করে। আর আল্লাহ তায়ালা বান্দাহর অনুগ্রহ ও আনুগত্য কবুল করে তার প্রশংসা তথা শুকরিয়া করেন। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে ইরশাদ
আল্লাহ আমাদের প্রভু। সৃষ্টিকর্তা। বান্দা হিসেবে আমাদের করণীয় হচ্ছে, মনিব যা যা আদেশ করবেন, যা যা হতে বারণ করবেন সেসব অবনত মস্তকে মেনে নেয়া। কোনোরূপ প্রশ্ন ছাড়াই তাঁর প্রতি অনুগত
মানুষ পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকে না। আগমন ও বিদায়ের এই সংস্কৃতিকে নিবিড়ভাবে আঁকড়ে রেখে নির্দিষ্ট একটি সময় পর্যন্ত মানুষ এই পৃথিবীর আলো-বাতাস ও প্রাকৃতিক সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে থাকে। তাই চাইলেও
অবতরণের দিক থেকে পবিত্র কুরআনুল কারিমের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সূরা হচ্ছে সূরা ফাতিহা। অবশ্য এর আগে সূরা ইকরা, সূরা মুজাম্মিল ও সূরা মুদ্দাসসিরের কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ হলেও পরিপূর্ণ সূরা রূপে এর
পৃথিবীতে এবং তোমাদের নিজেদের ওপর যেসব মুসিবত আসে তার একটিও এমন নয় যে, তাকে আমি সৃষ্টি করার আগে একটি গ্রন্থে লিখে রাখিনি। এমনটি করা আল্লাহর জন্য খুবই সহজ কাজ। (এসবই
বর্তমান সমাজে বেশির ভাগ পরিবারে অর্থ-ঐশ্বর্য থাকা সত্ত্বেও শান্তির বড় অভাব। নেই সুখ-সৌহার্দ্য, নেই হৃদ্যতা ও ভালোবাসা। কোমলতা এবং সহৃদয়তা। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক মুহাব্বতের অতলস্পর্শী ছোঁয়া ও পরশ যেন বিলাস-ব্যসন
পরিশুদ্ধ নিয়ত না থাকার কারণে আমরা খুব বিপদে পড়ে যাই। দুনিয়াতে ক্ষতিগ্রস্ত হই ও পরকালেও ক্ষতিগ্রস্ত হই। যেমন অনেকে ঘুষ দিয়ে চাকরি নেয়, চাকরি নেয়ার পর ঘুষ নেয়া আরম্ভ করে।
ঈমানের পর মুসলিম নর-নারীর ওপর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত হলো সালাত। অর্থাৎ যথাসময়ে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা। গুরুত্বের বিচারে কুরআন ও হাদিসে সর্বাপেক্ষা উল্লিখিত বিধানের নাম সালাত। কুরআনে
জিকির আরবি শব্দ। অর্থ স্মরণ, স্মৃতি, উল্লেখ, খ্যাতি, বর্ণনা, উপদেশ, সুনাম, উদ্ধৃতি ইত্যাদি। পরিভাষায় মুখ ও মন দিয়ে আল্লাহ তায়ালার মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা, তাঁর প্রশংসা, তাঁর পূর্ণতাসূচক গুণাবলি স্মরণ