মানুষের আমলখেকো বদভ্যাস; গিবত করা ইসলামে কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। অথচ আমাদের সমাজে একটি মারাত্মক ব্যাধি এটি। হাজারো আলোচনার মাধ্যমেও এ থেকে মানুষকে ফেরানো যাচ্ছে না। আজকাল এর বিস্তার চরম আকার
সর্বস্তরে ও সদাসর্বদা সুখ-শান্তির জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সা:-এর আদেশ ও নিষেধাজ্ঞা আমাদেরকে অবশ্যই পালন করতে হবে। ‘হে মুমিনগণ, তোমরা অধিক সংখ্যক অনুমান থেকে দূরে থাক। নিশ্চয়ই কোনো কোনো
পয়গম্বরদের বিশেষ আচরণের মধ্যে সাধারণ মানুষের জন্যও একটি নির্দেশ রয়েছে। তা এই যে, তারা যেভাবে সন্তানদের লালন-পালন ও পার্থিব আরাম-আয়েশের ব্যবস্থা করেন, সেভাবে বরং তার চেয়েও বেশি তাদের কার্যকলাপ ও
আল্লাহ তায়ালার আদেশ মান্য করা ও নিষেধ থেকে নিজেকে দূরে রাখার নামই ‘ইবাদত’। তবে সে ইবাদত হতে হবে খালেস নিয়তে আল্লাহর রাসূল সা:-এর দেখানো পদ্ধতিতে। তবেই তা আল্লাহর কাছে কবুলযোগ্য
আল্লাহ তায়ালা মহাক্ষমতার মালিক। তিনি বিশাল আসমান ও জমিনে এবং উভয়ের মধ্যে যা কিছু রয়েছে, সব কিছুর একক ও একমাত্র স্রষ্টা। তাঁর কর্তৃত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব ও অস্তিত্বের নিদর্শন সৃষ্টিতে বিদ্যমান। তিনি
তাঁর জীবনই সর্বোৎকৃষ্ট পূর্ণাঙ্গ জীবন। আল্লাহ তায়ালা নিজ জ্ঞান ও প্রজ্ঞার ভিত্তিতে মুহাম্মাদ সা:-কে শেষনবী ও কিয়ামত পর্যন্ত আগত সব মানুষের জন্য আদর্শ হিসেবে মনোনীত করেছেন। তাঁকে বানিয়েছেন সর্বশ্রেষ্ঠ মানব।
বাদশাহ জুলানদি। ওমানের বাদশাহ। সত্যানুসন্ধানী বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব। তার কাছে রাসূলুল্লাহ সা: ইসলামের দাওয়াত পাঠান। নবীজী সা:-এর নির্দেশে সাহাবি আমর ইবনুল আস রা: ইসলামের দাওয়াত নিয়ে যান। বিচক্ষণ এই বাদশাহ নবীজী
পবিত্র কুরআর আল্লাহ তায়ালার বাণী। এতে রয়েছে মানুষের জন্য সঠিক পথের দিশা এবং প্রতিপালকের পক্ষ থেকে হেদায়াত। মানুষ যদি সে অনুযায়ী চলে তাহলে তার জন্য রয়েছে উভয় জগতের সফলতা। দুনিয়ার
‘সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য যিনি নিখিল বিশ^-জাহানের রব। যিনি পরম দয়ালু ও করুণাময়। যিনি প্রতিদান দিবসের মালিক’ (সূরা ফাতিহা : ১-৩)। আল্লাহর স্মরণের এটি দ্বিতীয় বাক্য। প্রথম বাক্যটি হলো-
ধৈর্যের আরবি প্রতিশব্দ হলো ‘সবর’। এর আভিধানিক অর্থ হচ্ছে বিরত থাকা, সহিষ্ণুতা, দৃঢ়তা, সহ্য করার ক্ষমতা, আত্মনিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি। মানবজীবনে ধৈর্যশীলতার অপরিসীম কল্যাণ রয়েছে। এটি মানুষকে প্রকৃত মানুষে পরিণত করে। তাকে