মানুষ পৃথিবীতে চিরকাল বেঁচে থাকে না। আগমন ও বিদায়ের এই সংস্কৃতিকে নিবিড়ভাবে আঁকড়ে রেখে নির্দিষ্ট একটি সময় পর্যন্ত মানুষ এই পৃথিবীর আলো-বাতাস ও প্রাকৃতিক সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করে থাকে। তাই চাইলেও
অবতরণের দিক থেকে পবিত্র কুরআনুল কারিমের প্রথম পূর্ণাঙ্গ সূরা হচ্ছে সূরা ফাতিহা। অবশ্য এর আগে সূরা ইকরা, সূরা মুজাম্মিল ও সূরা মুদ্দাসসিরের কয়েকটি আয়াত অবতীর্ণ হলেও পরিপূর্ণ সূরা রূপে এর
পৃথিবীতে এবং তোমাদের নিজেদের ওপর যেসব মুসিবত আসে তার একটিও এমন নয় যে, তাকে আমি সৃষ্টি করার আগে একটি গ্রন্থে লিখে রাখিনি। এমনটি করা আল্লাহর জন্য খুবই সহজ কাজ। (এসবই
বর্তমান সমাজে বেশির ভাগ পরিবারে অর্থ-ঐশ্বর্য থাকা সত্ত্বেও শান্তির বড় অভাব। নেই সুখ-সৌহার্দ্য, নেই হৃদ্যতা ও ভালোবাসা। কোমলতা এবং সহৃদয়তা। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক মুহাব্বতের অতলস্পর্শী ছোঁয়া ও পরশ যেন বিলাস-ব্যসন
পরিশুদ্ধ নিয়ত না থাকার কারণে আমরা খুব বিপদে পড়ে যাই। দুনিয়াতে ক্ষতিগ্রস্ত হই ও পরকালেও ক্ষতিগ্রস্ত হই। যেমন অনেকে ঘুষ দিয়ে চাকরি নেয়, চাকরি নেয়ার পর ঘুষ নেয়া আরম্ভ করে।
ঈমানের পর মুসলিম নর-নারীর ওপর সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত হলো সালাত। অর্থাৎ যথাসময়ে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা। গুরুত্বের বিচারে কুরআন ও হাদিসে সর্বাপেক্ষা উল্লিখিত বিধানের নাম সালাত। কুরআনে
জিকির আরবি শব্দ। অর্থ স্মরণ, স্মৃতি, উল্লেখ, খ্যাতি, বর্ণনা, উপদেশ, সুনাম, উদ্ধৃতি ইত্যাদি। পরিভাষায় মুখ ও মন দিয়ে আল্লাহ তায়ালার মহিমা ও পবিত্রতা ঘোষণা, তাঁর প্রশংসা, তাঁর পূর্ণতাসূচক গুণাবলি স্মরণ
মানুষের আমলখেকো বদভ্যাস; গিবত করা ইসলামে কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। অথচ আমাদের সমাজে একটি মারাত্মক ব্যাধি এটি। হাজারো আলোচনার মাধ্যমেও এ থেকে মানুষকে ফেরানো যাচ্ছে না। আজকাল এর বিস্তার চরম আকার
সর্বস্তরে ও সদাসর্বদা সুখ-শান্তির জন্য আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সা:-এর আদেশ ও নিষেধাজ্ঞা আমাদেরকে অবশ্যই পালন করতে হবে। ‘হে মুমিনগণ, তোমরা অধিক সংখ্যক অনুমান থেকে দূরে থাক। নিশ্চয়ই কোনো কোনো
পয়গম্বরদের বিশেষ আচরণের মধ্যে সাধারণ মানুষের জন্যও একটি নির্দেশ রয়েছে। তা এই যে, তারা যেভাবে সন্তানদের লালন-পালন ও পার্থিব আরাম-আয়েশের ব্যবস্থা করেন, সেভাবে বরং তার চেয়েও বেশি তাদের কার্যকলাপ ও