(প্রথম অংশ) আল্লাহ তায়ালা বিশ^বাসীকে দুই প্রকার উপাধিতে ভূষিত করেছেন। একটি ইতিবাচক অপরটি নেতিবাচক। ইতিবাচক উপাধিতে যারা ভূষিত হয়েছেন, তারা আল্লাহর দৃষ্টিতে মহান ও মহা সফল অর্থাৎ চিরস্থায়ী জীবনে জান্নাতবাসী।
পিতা-মাতার জন্য সবচেয়ে আপন হলো সন্তান। আর সন্তানের জন্য সবচেয়ে আপন হলো পিতা-মাতা। পিতার-মাতার জন্য সন্তান শ্রেষ্ঠ নিয়ামত, তদ্রƒপ সন্তানের জন্যও পিতা-মাতার শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। সুতরাং সন্তানকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলা, সুশিক্ষায়
দরুদ অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ আমল। দরুদ পড়া রাসূল সা:-এর প্রতি ভালোবাসার নিদর্শন। দরুদ শরিফের ফজিলত সম্পর্কে পবিত্র কুরআন ও হাদিসে অসংখ্য বক্তব্য রয়েছে। আল্লাহ তায়ালা রাসূল সা:-এর প্রতি দরুদ
মসজিদ আল্লাহর ঘর। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ স্থান। মসজিদে ইবাদত-বন্দেগি ও আমল-আজকার করা হয়। একে মুসলিম সমাজের মূলকেন্দ্র হিসেবে গণ্য করা হয়। দিনে পাঁচবার আল্লাহর দরবারে উপস্থিত হতে মসজিদে আসেন মুসলমানরা। মসজিদে
আপনি পরিণত বয়সে উপনীত হয়েছেন। বিয়ে করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন। মেয়ে দেখার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ছোটাছুটি করছেন। আপনাকে মোবারকবাদ! বিয়ে ভুবনে আপনাকে স্বাগতম! আপনি সফলতার সাথে কিভাবে মেয়ে দেখবেন, আজকে
আল্লাহতায়ালা মুসলমানের ওপর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য মুসলিমরা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে থাকে। নামাজ পড়ার নিয়ম-কানুন যেন ব্যক্তির সুস্থ-সবল থাকার জন্য উপযুক্ত ব্যায়াম।
গত তিন মাসে ওমরাহ পালনে আগ্রহী ১৭৬টি দেশের ২০ লাখের বেশি লোকের ভিসা ইস্যু করা হয়েছে। গত ১ মহররম (৩১ জুলাই) থেকে পরবর্তী তিন মাসে পবিত্র ওমরাহ পালনে এসব ভিসা
রাসূলে আকরাম সা: শিশুদের খুব ভালোবাসতেন, আদর করতেন, চুমু খেতেন- এমনকি সালামও দিতেন। সত্য কৌতুক করতেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে রসিকতাও করতেন। তিনি তাঁর আদরের নাতিদ্বয় হজরত হাসাহ ও হোসাইন রা:কে
সৃষ্টির সেরা জীব তথা আশরাফুল মাখলুকাত। পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতেই ইসলামের আবির্ভাব। অশান্তি, অন্যায়, অত্যাচার, দ্বিধা-দ্বন্দ্ব, জুলুম, নির্যাতন ইসলাম কখনো সমর্থন করে না। ইসলাম অন্যায়, অবিচারকে কখনো আশ্রয় দেয় না
বিশ্বনবী সা: ছিলেন ইনসানে কামিল বা পরিপূর্ণ একজন মহামনীষী। তিনি ছিলেন উন্নত চরিত্রের অধিকারী ও সব সুকৃতির আধার। সততা, ন্যায়পরায়ণতা, মানবিকতাসহ সব সৎগুণের সমবেশ ছিল তাঁর মহান চরিত্রে। তিনি ছিলেন