বড় তিন রাজনৈতিক দলের পাল্টাপাল্টি সমাবেশকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তাপের আঁচ লেগেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও। সকাল থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে বেরিয়ে এসে ক্যাম্পাস নিজেদের দখলে নিয়েছে ঢাবি
আওয়ামী লীগকে ভয়ভীতি দেখিয়ে লাভ নেই বলে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের পতন ঘটাতে নানা ধরনের আন্দোলনের হুমকি দেয়। এ কথা স্পষ্ট বলে দিতে চাই
মহাসমাবেশে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের হামলার প্রতিবাদে সারা দেশে আগামীকাল সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে বিএনপি। বেলা ৩টার দিকে নয়াপল্টনের মহাসমাবেশস্থলের মঞ্চ থেকে হরতালের ঘোষণা দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
বিএনপি’র মহাসমাবেশস্থলের কাছাকাছি বিজয়নগর এলাকায় দলটির নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলছে। ঠিক কী কারণে সংঘর্ষের সূত্রপাত তা জানা যায়নি। ঘটনাস্থল থেকে আমাদের রিপোর্টার কাজী সুমন ও কিরণ শেখ জানান, পল্টন
শনিবার দুপুরে রাজধানীর কাকরাইল মোড়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মগবাজার থেকে আওয়ামী লীগের একটি পিকআপ গুলিস্তানের দিকে
আজ মতিঝিল শাপলা চত্বর এলাকায় মহাসমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী। পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো অনুমতি পায়নি দলটি। এজন্য আরামবাগের নটরডেম কলেজের সামনের জড়ো হয়েছে হাজার হাজার জামায়াত নেতা-কর্মী।
রাজধানীর মতিঝিলে জামায়াত-শিবিরের হাজার হাজার নেতাকর্মী জড়ো হয়েছেন। তারা শাপলা চত্বরে সমবেত হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। এ সময় একজনকে আটক করা হয়। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আজ শনিবার সকাল
রাজধানীতে আওয়ামী লীগকে ২০টি শর্তে শান্তি সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। দুপুরে শুরু হবে এ সমাবেশ এখন মঞ্চ প্রস্তুত হচ্ছে বলে জানা গেছে। মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে দুপুর
সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবিতে বিএনপির মহাসমাবেশ আজ। নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে এই মহাসমাবেশ সফল করতে ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দলটি। সমাবেশে যোগ দিতে গত কয়েক
বিএনপির মহাসমাবেশ আজ। এতে যোগ দিতে ভোর থেকেই ছুটে আসছে নেতাকর্মীরা। নয়াপল্টনে জনতার স্রোত লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাতেই লোকে লোকারণ্য ছিল নয়াপল্টন এলাকা। আজ শনিবার দুপুরে নয়াপল্টন দলটির কেন্দ্রীয় অফিস