সরকার পতন ও নির্বাচনকালীন নিরেপক্ষ সরকারের দাবিতে যুগপৎ আন্দোলনে যাওয়ার লক্ষ্যে শরীকদের সঙ্গে আবারও সংলাপে বসতে যাচ্ছে বিএনপি। আজ রোববার দুপুর ২টা থেকে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দ্বিতীয় দফা এই
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, চলমান সহিংস রাজনীতি আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য অশনি সংকেত। সহিংসতার মাধ্যমে জোর জবরদস্তির একটি নির্বাচন হবে, সরকারি দল থেকে এমন ম্যাসেজ (বার্তা)
রাজনৈতিকভাবে ২০২৩ সাল বিবেচিত হচ্ছে নির্বাচনী বছর হিসেবে। ধারণা করা হচ্ছে, তিন মাস পরে শুরু হতে যাওয়া এই বছরটির বাঁকে বাঁকে ধূমায়িত হতে পারে রাজনৈতিক টানাপড়েনের ঘনঘটা। রাজনীতির মাঠে কর্মসূচিমুখর
বিএনপি বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে এমন অভিযোগ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, ক্ষমতায় থাকতে তারা দেশের কল্যাণে একটি কাজ করতে পারেনি।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলার মাটিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ছাড়া কোনো নির্বাচন হতে দেয়া হবে না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া বিএনপি কোনো নির্বাচনে যাবে না।’ তিনি বলেন, ‘দলীয়
শাসকদল আওয়ামী লীগ বিএনপির আন্দোলনকে পাত্তা না দেয়ার কৌশল নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিএনপি নেতারা যেসব কাথাবার্তা বলছেন, সেটিকে হালকা করার জন্য নানা মন্তব্য ছুড়ে দিচ্ছেন। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল
বিএনপির শতাধিক নেতার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হচ্ছে। তৃণমূলকে শক্তিশালী এবং চলমান আন্দোলনের স্বার্থে এসব নেতাকে দলে ফেরাচ্ছে দলটি। যাদের বেশির ভাগই দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়ে
বিএনপির সঙ্গে বিচ্ছেদের খবরের পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ঘোষিত ‘ক্রিমিনাল দল’ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ। ৯ বছর আগে হাইকোর্ট কর্তৃক নিবন্ধন বাতিল হলেও চূড়ান্ত নিষ্পত্তির বিষয়টি এখনো
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত দেশকে ব্যর্থ বানাতে সবসময় ষড়যন্ত্র করছে। তাদের দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মঙ্গলবার বলেছেন, আওয়ামী লীগ
মুন্সিগঞ্জে বিএনপি-পুলিশ সংঘর্ষে দায়ের করা মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদসহ ১৫৩ নেতাকর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মোঃ খায়রুল