ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানোয় ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে নিষিদ্ধ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না দলটি। আসন্ন নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করতে
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বিকেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সেল সম্পাদক (দফতর সেল) জাহিদ আহসানের সই করা এক সংবাদ
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক বলেছেন, ‘প্রয়োজনে তুরাগ নদীতে আমাদের রক্তে লাল করে দেব, তবুও ইজতেমা ময়দানের মাঠ ছাড়ব না।’ আজ রবিবার বিকেল ৩টায় ওলামা মাশায়েখ ও
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্রায় সাত বছর পর আগামী ২১ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সমাবেশে অংশ নিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র সমাবেশটি আয়োজন করছে মুক্তিযোদ্ধা দল।
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলম বলেছেন, শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার বিচারের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলনের প্রয়োজন না হলে জুলাই-আগস্টের শহীদদের লাশ কেন কবর থেকে তুলতে হবে?
‘প্রতিবন্ধীরা একা নন’ উল্লেখ করে তাদেরকে সাথে নিয়েই আগামীর গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রতিবন্ধী নাগরিকদের এক মতবিনিময় সভায় তিনি
একাত্তরের হানাদার বাহিনীর জুলুমের পুনরাবৃত্তি ২৪ -এ আওয়ামী লীগ করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে
বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ভারতের সাথে আমাদের সম্পর্কের ওপর যে ছায়া পড়েছে, দুই দেশের স্বার্থেই তা দূর করতে হবে।‘ শুক্রবার রাজধানীতে শব্দদূষণ
রক্ত দিয়ে কেনা স্বাধীনতা পিন্ডির কাছ থেকে ছিনিয়ে এনেছি, দিল্লির কাছে আত্মসমর্পণ করার জন্য না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, ‘ভারতে সাথে আর কোনো নতজানু সম্পর্ক নয়। এখন থেকে কথা হবে চোখে চোখ রেখে। ভারত চেয়েছে সংখ্যলঘুদের উসকে দিয়ে দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি