আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় জোটের আসন বণ্টন নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়। ইসলামী আন্দোলনকে ছাড়াই ১০ দল বৃহস্পতিবার ২৫৩ আসন নিজেদের মধ্যে বণ্টন
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ইসলামী আন্দোলন বেরিয়ে যাওয়ায় দলটিকে দেওয়া ৪৪ আসন থেকে ভাগ চাইছে এনসিপি এবং মামুনুল হকের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এনসিপিকে ৩০ এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসকে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। দফায় দফায় আলোচনার পরও আসন সমঝোতার পরিবর্তে জোটে ‘জট’ তৈরি হয়েছে। টানাপোড়েন এক
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলের আসন সমঝোতা বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়ার কথাছিল আজ বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৪টা। এ উপলক্ষে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ডাকা সংবাদ সম্মেলন অনিবার্য
আসন সমঝোতা নিয়ে আজ বুধবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে ১১ দল। দুপুরে ১১ দলের শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসবেন। এর পর সন্ধ্যায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টায়
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সামনে আর কোনো গণতান্ত্রিক সরকার লাইনচ্যুত হতে পারবে না। আমরা এমন একটি সংসদ বির্নিমান করতে চাই, যে সংসদে আর শুধু নৃত্যগীত হবে না,
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দলীয় জোটের আসন সমঝোতার জট এখনো কাটেনি। কোন দল কতটি আসন নিয়ে নির্বাচন করবে তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। মূলত জামায়াত ও
শরিকদের সঙ্গে ‘আসন সমঝোতার ভিত্তিতে’ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে বিএনপি। তবে ধানের শীষ না পেয়ে শতাধিক আসনে বিএনপি নেতারা এখনো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন, যা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনক্ষণ যত এগিয়ে আসছে, বিএনপির ভেতরে-বাইরে ততই বাড়ছে উত্তাপ। প্রতিপক্ষের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি নিজ দলের স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থীদেরও মোকাবিলা করতে হচ্ছে দলটির। দেশের ২৯৮টি আসনের মধ্যে
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র বিভিন্ন পর্যায়ের ৮ জন নেতার বহিষ্কার ও অব্যাহতি আদেশ প্রত্যাহার করে তাদের দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আজ রবিবার (১১ জানুয়ারি) দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল