বর্তমান বিশ্বে মহামারি করোনাভাইরাসের মতো অদৃশ্য শত্রুর বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে আশার আলো দেখিয়েছে ইসরায়েলের একদল বিজ্ঞানী। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পথে বড় সাফল্য পাওয়ার দাবি করেছে তারা। তাদের দাবি, করোনাভাইরাসের মলিকিউল চিহ্নিত
পৃথিবীর নানা প্রান্তে লকডাউন শিথিল করার সঙ্গে সঙ্গে জনস্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিভিন্ন স্থানে থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরার ব্যবহার বাড়তে দেখা যাচ্ছে। থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা কাজ করে ইনফ্রারেড প্রযুক্তি ব্যবহার করে। এই
উপসর্গহীন ব্যক্তিদের মাধ্যমে সংক্রমণ ছড়ায় কি না তা নিয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিওএইচও)। মডেল গবেষণার ধারণার কথা উল্লেখ করে উপসর্গহীন আক্রান্তদের কাছ থেকে ৪০ শতাংশ
আধুনিককালের সবচেয়ে ভয়ানক একটি রোগ হলো স্ট্রোক। একে মানব জীবনের জন্য ভূমিকম্পের সঙ্গে তুলনা করা যায়। কিন্তু স্ট্রোক প্রতিরোধ করা যায়। স্ট্রোক প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা। যেমন-রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান
দিনের পর দিন লাইনে দাঁড়িয়ে করোনা পরীক্ষার নমুনা জমা দিতে না পারায় লোকজন ওষুধ খাওয়া শুরু করেছেন। এ ক্ষেত্রে তারা চিকিৎসকের পরামর্শের পরিবর্তে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে তথ্য নিয়ে ইভারমেকটিলসহ বিভিন্ন
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউওইচও)। গতকাল সোমবার করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ে এক ব্রিফিংয়ে সংস্থার প্রধান ড. টেড্রস অ্যাডহানম গেব্রেইয়েসুস সাংবাদিকদের এ
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীর মধ্যে বয়স্করা কাঁধব্যথায় বেশি ভোগেন। সমস্যার মূল কারণ অ্যাডহেসিভ ক্যাপসুলাইটিস, যা পরবর্তীকালে কাঁধের জয়েন্ট শক্ত করে ফেলে। ফলে ক্রমে রোগী হাত ওপরে ওঠাতে পারে না, পিঠের দিকে
বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ভ্যাকসিন আবিষ্কারের জন্য বিভিন্ন দেশের বিজ্ঞানীরা সাধ্যমতো চেষ্টা করে চলেছেন। ভ্যাকসিন আবিস্কারের জন্য চলেছে নানা গবেষণা। কিন্তু চূড়ান্ত সাফল্য এখনো আসেনি। তবে আপাতত যে ছ’টি ভ্যাকসিন সাফল্যের
জিনগত বৈচিত্র্যের কারণে কোভিড নাইন্টিনে আক্রান্তদের মধ্যে আলাদা আলাদা প্রভাব দেখা যায় বলে নিশ্চিত হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের এই গবেষণার কথা জানিয়েছে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস। এতে বলা হয়েছে, এটাই
জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, রবিবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৩২১ জন এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৮ লাখ ৫৫ হাজার ৮৫৮