

“আমাদের একসঙ্গে থাকতে হবে, কিন্তু সেই একতা তখনই অর্থবহ হবে যখন আমরা আইনকে শ্রদ্ধা করব”—এই বার্তা দিয়ে নিউইয়র্কে প্রধান উপদেষ্টার আগমনকে স্বাগত জানালেন আমেরিকান সুপ্রিম কোর্টের লাইসেন্সপ্রাপ্ত বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত এটর্নি মঈন চৌধুরী।
তিনি প্রবাসীদের উদ্দেশে স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমাদের যেকোনো প্রতিবাদ বা কর্মসূচি অবশ্যই আমেরিকার বিদ্যমান আইন মেনে চলতে হবে। আইন ভেঙে নয়, বরং আইনের ভেতর থেকেই আমাদের শক্তি দেখাতে হবে।”
রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, এই সমস্যা বহু বছর ধরে বাংলাদেশের জন্য একটি গভীর ক্ষত। বহু সরকারের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও এখনো কার্যকর সমাধান আসেনি। তাই এখনই সম্মিলিতভাবে কাজ করার সময়—এমন মন্তব্য করেন তিনি।
প্রবাসীদের ঐতিহাসিক অবদানের কথা উল্লেখ করে মঈন চৌধুরী বলেন, “আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি আদায়ে প্রবাসীদের কূটনৈতিক অবদান রাষ্ট্র হয়তো ভুলে গেছে। কিন্তু আমরা দেশের জন্য সবসময় নিবেদিতপ্রাণ।”
তিনি আরও জানান, প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ২৭ সেপ্টেম্বর বৈঠকের আশা থাকলেও এখনো অনেক প্রবাসী আনুষ্ঠানিক আপডেট পাননি। তবুও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই সফর প্রবাসীদের জন্য রাষ্ট্রের সঙ্গে নতুনভাবে সংযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি করবে।
শেষে প্রবাস বন্ধু হিসেবে খ্যাত মঈন চৌধুরী আবারও প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান: “বিভক্ত নয়, দেশের জন্য ঐক্যবদ্ধ হোন, আর আমেরিকায় আইন মেনে চলুন—তাহলেই আমাদের কণ্ঠস্বর হবে আরও শক্তিশালী।