প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণে আজ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগরপিতা ও কাউন্সিলর নির্বাচনে ভোটগ্রহণ। আর ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে অনেক উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, শঙ্কা ও অস্বস্তি এই ভোট নিয়ে।
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়ের বিকল্প ভাবছে না ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। বিশেষ করে দুই মেয়র পদে কোনো ছাড় দিতে নারাজ দলটির নীতি নির্ধারকেরা। দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিতে যা যা করার
নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের মধ্যেই সহিংস ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্র্থীদের সাথে সংশ্লিষ্ট এলাকার বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। এই স্বতন্ত্র
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোটকেন্দ্রের আশপাশের এলাকায় ভোটার নন এমন বহিরাগতদের দেখামাত্রই আটক করা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘এখন
রাত পোহালেই রাজধানীর দুই সিটি নির্বাচন। নির্বাচনে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ৫৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৬৭জন ভোটারের সাথে প্রধানমন্ত্রী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, প্রতিদ্বন্দ্বিপ্রার্থীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা তাদের ভোটাধিকার
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন গোপীবাগের শহীদ শাহজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল গুলশান
ক্ষমতাসীনরা বহিরাগতদের ঢাকায় জড়ো করে ত্রাস সৃষ্টি করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আসন্ন সিটি নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি
আসন্ন ঢাকা সিটি নির্বাচনের আগে রাজধানীতে মোটরসাইকেল চলাচলে ৫৪ ঘণ্টার নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই নিষেধাজ্ঞা বৃহস্পতিবার দিবাগত মধ্যরাত থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এছাড়া মোটরচালিত যানবাহন
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে শেষ মুহূর্তের প্রচারে ব্যস্ত প্রার্থী-সমর্থকরা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন, দিচ্ছেন আশ্বাস। আজ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে প্রচার। একেবারে শেষ দিকে এসে সংঘর্ষেও জড়িয়েছেন
ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন আগামী ১ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন সামনে রেখে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। সরকারের টানা ১১ বছরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড ভোটারদের মাঝে