নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ বলেছে, ইসরাইলে হামাসের রক্তপাত সত্ত্বেও এই নগরীতে কোনো ধরনের স্থানীয় হুমকি নেই। তবে তা সত্ত্বেও যেসব স্থানে ইহুদি লোকসংখ্যা বেশি আছে, সেখানে পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে। মেয়র এরিক অ্যাডামস বলেছেন, উইলিয়ামসবার্গ, বোরো পার্ক, রকওয়েস এবং ফ্ল্যাটবুশসহ কয়েকটি এলাকায় পুলিশ সদস্য বাড়ানো হয়েছে। এসব এলাকায় ইহুদিদের বসবাস রয়েছে। তাদের পোশাক এবং অন্যান্য নিদর্শনের কারণে তাদের ধর্মীয় পরিচিতি সহজেই বোঝা যায়। মেয়র অ্যাডামস বলেন, ‘আমরা জানি, এখানে আমাদের বেশি নজর দেওয়া দরকার। আমরা এ ব্যাপারে খুবই সচেতন, পুলিশ বিভাগ কাজটি করছে।’ এনওয়াইপিডির টহল বিভাগের প্রধান বলেন, নিউ ইয়র্ক সিটি বা আশপাশের এলাকায় ইহুদিদের টার্গেট করে কোনো হুমকি পাওয়া যায়নি।

নিউইয়র্কের শিশুদের টিকটক, ইনস্টাগ্রাম এবং অন্যান্য সামাজিক মাধ্যম সাইটের ‘আসক্তিজনক’ ফিচার থেকে দূরে রাখতে আইন প্রণয়নের কথা ভাবছেন গভর্নর ক্যাথি হোকুল এবং রাজ্যের আইনপ্রণেতারা। গভর্নর হোকুল ঘোষণা করেন, শিশুরা যাতে সামাজিক মিডিয়া সাইটগুলোর টার্গেট করা অ্যালগোরিদম থেকে দূরে রাখা যায়, সেজন্যই নতুন আইন করা হচ্ছে। এসব সাইট চরম এবং অনেক সময় সহিংস কন্টেন্ট অবাধে প্রকাশ করে ব্যবহারকারীদের সম্ভব বেশি সময় সম্পৃক্ত রাখে। নতুন আইনে বলা হয়েছে যে অ্যালগোরিদমে নিয়ন্ত্রিত টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবের মতো অ্যাপসগুলোর কোনো কোনোটি ব্যবহার করতে শিশুদের তাদের মা-বাবার অনুমতি লাগবে। এই বিধিনিষেধ কার্যকর করার দায়িত্ব পালন করবে টেক কোম্পানিগুলোই। আর অ্যাটর্নি জেনারেল এই নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের জরিমানা করবে, আইন পালন করতে যা যা করা দরকার, সবই করবে। গভর্নর হোকুল বলেন, ‘এসব শিশুকে আসক্ত করতে সামাজিক মিডিয়া এবং অ্যালগোরিদম বিরামহীনভাবে যেসব জিনিস দিচ্ছে, তা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’ তিনি বলেন, ‘তারা এজন্য অনুমতি চায় না।’ তিনি বিভিন্ন সমীক্ষার কথা উল্লেখ করে বলেন যে ‘এগুলো অনুমতি চায় না।’ অথচ অতিরিক্ত ব্যবহার করা হলে এগুলো শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে। গভর্নর বলেন, ‘এটি প্রাণঘাতী সরঞ্জাম হতে পারে। এটি কোনো অতিরঞ্জিত কথা নয়।’ উপস্থিত নেতারা বলেন, তারা মনে করেন যে এই আইনের ফলে সামাজিক অ্যাপসগুলো নিয়ন্ত্রিত হবে। অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস বলেন, ‘সামাজিক মিডিয়া কোম্পানিগুলো ব্যবহারকারীর বয়স নির্ধারণ করতে নানা পদ্ধতি ব্যবহার করে। তারা ব্যবহারকারীর ব্রাউজার শনাক্ত করতে পারে। আমরা তাদের বলছি যে এই অ্যালগোরিদম শিশুদের ওপর ব্যবহার না করতে।’ তবে সার্ভেইল্যান্স টেকনোলজি ওভারসাইট প্রজেক্ট (এসটিওপি) নামের একটি নজরদারি অ্যাক্টিভিস্ট গ্রুপ ভিন্ন মত প্রকাশ করেছে। তাদের মতে, বয়স যাচাই প্রযুক্তি ব্যবহারের সুবিধা কোম্পানিগুলোকে দেওয়া হলে তারা আমাদের সবাইকে অনুসরণ করার আরো ক্ষমতা পেয়ে যাবে। আর শিশুরা সম্ভাব্য সুরক্ষা নানাভাবে পেয়ে যাবে। এসটিওপির নির্বাহী পরিচালক আলবার্ট ফক্স কান বলেন, বিধিনিষেধ এড়িয়ে যাওয়ার নানা টুলস ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে। শিশুরা সেগুলো ব্যবহার করতে পারে। অন্যদিকে আমাদের পরিচিতি শনাক্ত করতে প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো প্রতিনিয়ত ভয়াবহ সব উপায় অবলম্বন করছে। প্রস্তাবিত আইনে ১৮ বছর বয়সের নিচের শিশুদের সামাজিক মিডিয়ার অ্যাপসগুলোতে প্রবেশ করতে তাদের মা-বাবার অনুমতি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এছাড়া শিশুরা যাতে মধ্য রাত থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত সামাজিক মাধ্যমে থাকতে না পারে, সেজন্যও পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। শিশুরা দিনে মোট কত ঘণ্টা অ্যাপস ব্যবহার করছে, সেটাও তার মা-বাবা জানতে পারবে। এসব বিধিনিষেধ অমান্যকারী কোম্পানিকে প্রথবার পাঁচ হাজার ডলার করে জরিমানা করতে পারবেন অ্যাটর্নি জেনারেল। আর শিশু ও তার অভিভাবকেরা নিয়ম লঙ্ঘনকারী কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতিবারের জন্য পাঁচ হাজার ডলার দাবি করে মামলা দায়ের করতে পারবেন। রাজনীতিবিদরা বলেন, কিশোরীদের ওপর পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা গেছে যে সামাজিক মিডিয়ায় মাত্রাতিরিক্ত সময় ব্যয় করাটা মদ্যপান, যৌন আক্রমণ, স্থ’ূলতা এবং ড্রাগ ব্যবহারের চেয়েও খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করে। কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ক্রমবর্ধমান হারে সামাজিক মিডিয়ায় থাকার ফলে শিশুদের মধ্যে বিষণœতা, উদ্বেগ, আত্মহত্যার চিন্তা, কম ঘুম এবং নিজের ক্ষতি করার মতো প্রবণতা সৃষ্টি হয়। এদিকে টিকটক বলেছে, তারা সমাজের, বিশেষ করে শিশুদের সুরক্ষিত ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে সহায়তা করে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিনকার্ডের জন্য অপেক্ষায় থাকাদের জন্য স্বস্তির খবর দিয়েছে ইউনাইটেড স্টেটস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (ইউএসসিআইএস)। কয়েকটি শ্রেণীর জন্য ইমপ্লয়মেন্ট অথোরাইজেশন ডকুমেন্টের (ইএডি) বৈধতা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর করা হয়েছে। এই সুবিধা যারা পাবেন, তারা এখন থেকে তাদের অভিবাসন সফরে অনেক বেশি স্থিতিশীলতা ও স্বস্তি পাবেন। ইউএসসিআইএস গত ২৭ সেপ্টেম্বর সুবিধা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। ঘোষণাটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে। এর আগে এই সুবিধার মেয়াদ ছিল এক বা দুই বছর। ফলে তারেকে আবেদনপত্র নবায়নের জন্য ছুটতে হতো, সংশ্লিষ্ট ফি জমা দিতে হতো। এর ফলে একদিকে যেমন প্রশাসনিক বোঝার সৃষ্টি হতো, আবেদনকারীরাও অনিশ্চয়তায় থাকতেন। নতুন পাঁচ বছর মেয়াদি ইএডি বৈধতা পাওয়ার ফলে আবেদনকারীরা অনেক বেশি স্বস্তিতে এবং কম জটিলতার মধ্যে তাদের অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। তবে গ্রিনকার্ডের জন্য অপেক্ষায় থাকা সবাই এই সুবিধা পাবেন না। যারা মূলত উদ্বাস্তু হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন, সাময়িকভাবে অবস্থানের সুযোগ পাওয়া উদ্বাস্তু, আশ্রয়প্রার্থীর মর্যাদা লাভকারী এবং অস্থায়ীভাবে থাকার অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিরা এই সুবিধা পাবেন। তবে যাদের গ্রিনকার্ডের আবেদন বাতিল হয়ে যাবে, তারা কিন্তু পাঁচ বছরের জন্য ওয়ার্ক পারমিট পেলেও তা আর কার্যকর থাকবে না। এছাড়া ইউএসসিআইএস পলিসি গাইডেন্সও প্রকাশ করেছে। এতে স্পষ্ট করা হয়েছে যে অ্যারাইভাল/ডিপারচার রেকর্ড (ফরম আই-৯৪) আগন্তুকের মর্যাদার প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। আই-৯৪ ফরমের সাথে অবশ্যই ইমপ্লয়মেন্টে অথোরাইজেশনের উদ্দেশ্যের জন্য পরিচিতি প্রমাণপত্র থাকতে হবে।
নিউইয়র্ক মহানগর (উত্তর) বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক, সিলেটের সাবেক ছাত্রনেতা শরিফুল খালিশদার পেটের নানা সমস্যায় ভুগছেন। গত ৩ অক্টোবর তিনি নিউইয়র্কস্থ লং আইল্যান্ড জুইস (এলআইজে) হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সংগঠনের
বরিশাল বিভাগীয় জাতীয়তাবাদী ফোরাম ইউএসএ’র উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন পার্টি হলে গত
বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও যুক্তরাষ্ট্র জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মিজানুর রহমান ভূঁইয়া (মিল্টন ভূঁইয়া)-এর দুই পত্র আহনাফ রহমান ও আফনান রহমানের জন্মদিন পারিবারিকভাবে
গাজা তথা ফিলিস্তিনে ইসরাইলী হামলা ও মানবিক বিপর্যয়ের প্রতিবাদে নজিরবিহীন বিক্ষোভ হয়েছে বিশ্বের রাজধানী বলে খ্যাত নিউইয়র্কের প্রাণকেন্দ্র টাইম স্কয়ারে। শুক্রবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে সর্বস্থরের হাজার
৭৮তম জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফর সঙ্গী সিলেটের পাঁচ আওয়ামীলীগ নেতা ব্রঙ্কসে সম্মিলিত আওয়ামী পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় ভালবাসায় সিক্ত হলেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের অকুন্ঠ ভালবাসায়।সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের

নিউইয়র্ক সিটির কয়েকটি নতুন ট্রানজিট প্রকল্পের ব্যয় অবিশ্বাস্য রকমের বেড়ে গেছে। মেট্রোপলিটান ট্রান্সপোরটেশন অথোরিটির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে ওয়েস্ট সাইড সেভেন ট্রেন স্টেশনের ব্যয় বেড়েছে ৬০০ মিলিয়ন ডলার, আর সেকেন্ড অ্যাভেনিউ সাবওয়ের পরবর্তী ধাপের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে চার বিলিয়ন ডলার। আগামী দুই দশকে যেসব আধুনিকায়ন করা হবে, সেগুলোকে মাথায় রেখেই ব্যয় বাড়ানোর এই হিসাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এমটিএর নির্মাণপ্রধান জ্যামি টরেস-স্পিনগার বলেন, প্রয়োজনীয় তথ্যের আলোকেই এসব বিনিয়োগ করা হচ্ছে। সম্ভাব্য ব্যয় এবং সম্ভাব্য সম্প্রসারিত প্রকল্পগুলোর সুবিধাগুলো আলোচনা করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যেসব প্রকল্পের ব্যয় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে : টেনথ অ্যাভেনিউর ৭ লাইনের দীর্ঘ প্রত্যাশিত স্টেশনটিতে ব্যয় হবে অন্তত ১.৯ বিলিয়ন ডলার। প্রকল্পটি প্রথমবার যখন বাতিল হয়েছিল, তখন ব্যয় ধরা হয়েছিল ১.৩ বিলিয়ন ডলার। মুদ্রাস্ফীতির আলোকে এই খাতে ব্যয় বাড়ছে ৪৬ ভাগ। সেকেন্ড অ্যাভেনিউ সাবওয়ের দক্ষিণ দিকের সম্প্রসারণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩.৫ বিলিয়ন ডলার। মূল বাজেটের সাথে মুদ্রাস্ফীতির সমন্বয় করার জন্য এ প্রকল্পের বাজেট ৯.৫ বিলিয়ন ডলার থেকে প্রায় ৪০ ভাগ বাড়ানো হয়েছে। লং আইল্যান্ড রেল রোডের পোর্ট জেফারসন শাখার গতি ও সম্প্রসারণ পরিষেবার জন্য এখন ব্যয় ধরা হচ্ছে তিন বিলিয়ন ডলারের বেশি। অথচ আগে এই খাতে ব্যয় ধরা হয়েছিল ‘অন্তত ২ বিলিয়ন ডলার।’ পরিকল্পনা, নক্সা, প্রকৌশলে পরিবর্তনের কারণেও ব্যয় ব্যাপকভাবে বাড়ছে বলে জানা গেছে। অবশ্য সব প্রকল্পের ব্যয় বাড়েনি। অন্তত একটি প্রকল্পের ব্যয় প্রত্যাশার চেয়ে কমেছে। এটি হলো ব্রুকলিনের ২, ৩, ৪ ও ৫ নম্বর লাইনের

চলতি সপ্তাহে বাড়ি কেনার ব্যয় আবারো বেড়ে গেছে। গড় ীর্ঘমেয়াি ইউএস মর্টগেট রেট ৭.৪৯ ভাগে বেড়ে গেছে, যা ২০০০ সালের ডিসেম্বর থেকে সর্বোচ্চ। এতে করে সম্ভাব্য অনেক বাড়িক্রেতার মাথায় হাত পড়েছে। চলতি সপ্তাহে ৩০ বছর মেয়াদি গড় হার বেড়ে হয়েছে ৭.৪৯ ভাগ। গত সপ্তাহে এটি ছিল ৭.৩১ ভাগ। আর এক বছর আগে ছিল ৬.৬৬ ভাগ। আবার ১৫ বছর মেয়াদি ফিক্সড-রেট মর্টগেজ হার বেড়ে হয়েছে ৬.৭৮ ভাগ। গত সপ্তাহে তা ছিল ৬.৭২ ভাগ। ফ্রেডি ম্যাকের হিসাব অনুযায়ী এক বছর আগে তা ছিল ৫.৯০ ভাগ। হাই রেটের অর্থ হলো, বাড়ি কেনা হলে ক্রেতাকে প্রতি মাসে শত শত ডলার বেশি দিতে হবে। এতে করে অনেক আমেরিকানের পক্ষে বাড়ি কেনা কোনোভাবেই সম্ভব হবে না। সমস্যা এখানেই শেষ নয়। এর সাথে যোগ হয়েছে বাড়ি নির্মাণের স্বল্পতা। এ ুটি মিলে বাড়ি কেনার স্বপ্ন ুঃস্বপ্নে পরিণত হতে চলেছে। এর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে, চলতি বছরের প্রথম আট মাসে ২০২২ সালের তুলনায় বাড়ি বিক্রি কমেছে ২১ ভাগ। গত সপ্তাহে ১৯৯৫ সালের পর সবচেয়ে কম হোম লোনের আবেদন জমা পড়েছে। এই তথ্য দিয়েছৈ মটগেজ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন। একই সময়ে হোম লোনের ওপর গড় মাসিক পেমেন্ট লিস্টিং বেড়েছে। আগস্ট মাসে তা ছিল ২,১৭০ ডলার। এক বছর আগের চেয়ে তা ১৮ ভাগ বেশি। ফ্রেডি ম্যাকের প্রধান অর্থনীতিবিদ স্যাম খাতের বলেন,